দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে একটি বিধ্বস্ত অবস্থায় দায়িত্ব নিয়েছে। দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে, এ সময়টা হেসেখেলে চললে দেশের অনেক ক্ষতি হবে। জিয়াউর রহমান
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো! ছয় নবজাতকের করুণ মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নবীদের আমলের রাষ্ট্রনায়কদের সাথে তুলনা করে যুবদল নেতা নয়ন যে মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে সমলোচনা।
সম্প্রতি একটি ভিডিওতে বলতে শোনা গেছে, রাসূল (সা:)-এর আমলে এবং তাঁদের অনুসারীদের আমলে এরাকম রাষ্ট্র নায়কদের দেখা যেতো। তারেক রহমান সাহেব দেখেন কুরবানি ঈদে যাতে রাস্তায় বর্জ্য ময়লা এগুলো পড়ে না থাকে সে কারণে ৪ ঘন্টা একজন প্রধানমন্ত্রী রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছেন, এটা একটা বিরল ঘটনা।
যুবদল নেতা নয়ন আরও বলেন, আমি নিজেও ৪ ঘন্টা ঘুরি না, আমি তো একটা কর্মী। আমার মনে হয়না যে, কোনো সরকারের সময় কোনো মন্ত্রী, কোনো এমপি রাস্তায় রাস্তায় ৪ ঘন্টা ঘুরেছে তার নিজ এলাকায়।
‘তারেক রহমান সাহেব ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নিয়ে ৪ ঘন্টা রাস্তায় ঘুরে এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজির এবং বিরল।’
‘বর্তমান সরকার তো এসেছে অল্পদিন, ৪ মাস চলতেছে। ইনশাল্লাহ বিএনপি যে কয়বার ক্ষমতায় থেকেছে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করেছে। তারেক রহমান সাহেব ৩-৪ মাসেই জনগণের নেতাই পরিনত হয়েছে।’
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, আমি শুধু একজন এমপি নই, একজন মন্ত্রী। আমার গাড়িতে জাতীয় পতাকা থাকে। সংসদ অধিবেশন চলাকালে মন্ত্রীরা মাসে একবার কথা বললেও আমি প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার কথা বলতে পারি। সে হিসেবে আমার পদমর্যাদা মন্ত্রীদের চেয়েও বেশি।
রোববার (৩১ মে) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. তাহের বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আমাদের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি ভোট পেয়েছে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি এবং জোটগতভাবে ৭৭টি আসন অর্জন করেছে। আমরা আশা করি ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
চৌদ্দগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেউ কেউ দাবি করছেন এ এলাকার সব উন্নয়ন তাদের হাত ধরেই হবে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমি এ এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ১২০ কোটি টাকার বরাদ্দ এনেছি। নির্বাচন শেষ হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই আরও ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে এসেছি। সরকারের মাত্র তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। আমরা চাই সরকার তার মেয়াদ পূর্ণ করুক। সরকার স্থিতিশীল থাকলে উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ আরও বৃদ্ধি পাবে।
মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশকে কোনোভাবেই আলাদা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (৩১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি) মিলনায়তনে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশে দুটো অবিচ্ছেদ্য সত্তা, একে আলাদা করা যায় না। কারণ জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল এবং সেই যুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ একটি নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বমানচিত্রে নিজের অস্তিত্ব লাভ করেছিল।
তিনি আরও বলেন, একাত্তরের সংকটময় মুহূর্তে মেজর জিয়া যেভাবে দিশেহারা গোটা জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, ঠিক একইভাবে পঁচাত্তরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের পর মেজর জেনারেল জিয়া হিসেবে তিনি আবারও জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশ পুনর্গঠনের দায়িত্ব নেন। দেশের এবং বিএনপির প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে এই মানুষটি সবসময় আলোকবর্তিকার মতো সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন।
শহীদ জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মধ্য দিয়ে এই জাতিকে একটি নতুন পরিচয় ও আত্মপরিচয় দিয়েছিলেন। ভাষা এক হলেও ভূখণ্ড ও জাতিগতভাবে যে আমরা আলাদা, সেই পরিচিতি তিনি দিয়েছিলেন। বর্তমান সময়ে কয়েকটি রাজনৈতিক শক্তি খুব জোর দিয়ে সংস্কারের কথা বলছেন, আমরা নাকি সংস্কারে বিশ্বাস করি না! আমি বারবার বলি, সংস্কারের জন্ম তো বিএনপি আর শহীদ জিয়ার হাত ধরেই হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শহীদ জিয়া নানামুখী টেকসই ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছিলেন।
কৃষি ও অর্থনীতিতে শহীদ জিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, কৃষিতে খাল খনন কর্মসূচির কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু গবেষণার ক্ষেত্রেও তার অবদান ছিল অনন্য। উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ এনে তিনি দেশে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। যার ফলে ১৯৭৪ সালের দুঃসহ দুর্ভিক্ষ কাটিয়ে ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ উদ্বৃত্ত খাদ্যের দেশে পরিণত হয় এবং খাদ্য রপ্তানি শুরু করে।
‘পাশাপাশি বর্তমান মুক্তবাজার অর্থনীতির মূল ভিত্তি, যেমন গার্মেন্টস শিল্প ও বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির মতো যুগান্তকারী খাতগুলোর সূচনাও শহীদ জিয়াউর রহমানই করেছিলেন।’
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ জিয়ার সততা ছিল কিংবদন্তিতুল্য এবং তার মধ্যে এক অনন্য রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলী ছিল, যা তার চরম রাজনৈতিক শত্রুরাও স্বীকার করতেন। তার শাহাদাতের পর আয়োজিত ঐতিহাসিক জানাজায় লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত অংশগ্রহণই প্রমাণ করে বাংলাদেশের মানুষ শহীদ জিয়া এবং দেশকে এক করে দেখেছিল।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে আমাদের সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির রূপকার। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে তিনি যে স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন, তা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।
রোববার (৩১ মে) দুপুরে পল্লবীর চলন্তিকা মোড়ে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর রূপনগরে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রূপনগর থানা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আমিনুল হক বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির রূপকার। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে তিনি যে স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন, তা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। আমরা হয়তো তার শাসনামল সরাসরি দেখিনি, কিন্তু তার কর্ম ও অবদানের ইতিহাস আমাদের সামনে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে বিএনপির রাজনীতি সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম শিক্ষা। সেই আদর্শ অনুসরণ করে আমাদের নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থাকতে হবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করতে হবে।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যত ভালো কিছু আছে তার পক্ষে থাকুন, আর যেসব কাজ সমাজ ও রাজনীতি কলুষিত করে সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের মূল দায়িত্ব।
আমিনুল হক বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও দেশের উন্নয়ন ও গণমানুষের কল্যাণে নানা কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ, উন্নত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় রূপনগর থানা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
‘অনেক গুপ্ত চাঁদাবাজ জামায়াতে ইসলামীতে আশ্রয় নিয়েছে’ বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রোববার (৩১ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এই অভিযোগ করেন।
রিজভী বলেন, উনারা (জামায়াতে ইসলামী) বড় বড় কথা বলছেন, টেলিফোনে চাঁদাবাজি হয়েছে। তো নিজেদের দিকে একবার তাঁকান। মিরসরাইয়ে ফেনী নদীর বালু তুলতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন জামায়াতের দুই নেতা… একজনের নাম জাহাঙ্গীর আরেকজনের নাম রবিউল। ফেনীতে মামলা থেকে অব্যাহতি দেবে বলে এক নেতা সে আবার রোকন তাদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছে সেটাও পত্রপত্রিকায় এসছে। আমি তো একটা কি দুইটা উদাহরণ দিলাম। তাহলে তো জামায়াত প্রশ্রয় দেয়।
তিনি বলেন, ধর্মের নামে রাজনীতি করেন সব নাকি পবিত্র মানুষ। এখানে যেমন তারা গুপ্ত রাজনীতি করেছে ছাত্রলীগের মধ্যে আওয়ামী লীগের মধ্যে ঢুকে থেকে। অনেক গুপ্ত চাঁদাবাজও জামাতের মধ্যে আশ্রয় নিয়ে আছে।
রিজভী বলেন, আপনারা (জামায়াতে ইসলাম) একটা আরবি শব্দ ব্যবহার করেন। চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে চাঁদাবাজি না বলে আপনারা সেটাকে হাদিয়াবাজি করেন, ইয়ানতবাজি করেন ….আরবি শব্দ দিয়ে ওটাকে একটা কাভার দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেটা একটা বড় ধরনের এই হাদিয়াবাজি-ইয়ানতবাজি আপনারা কম করেন না এবং বহু জায়গায় প্রমাণ আছে। আমি তো দুই তিনটার নাম মাত্র বললাম, অসংখ্য আছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, আমার কথা হলো রাজনৈতিক দলগুলো তো থাকতে পারে, ঢুকে যেতে পারে কিন্তু সেই দল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কিনা? বিএনপির মধ্যে ৫ আগস্টে এই ধরনের কিছু কর্মকান্ড হয়েছে আমাদের দলের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শক্ত হাতে শত শত নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছেন, দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে শোকজ করা হয়েছে …কেউ বাদ যায়নি। শক্তিশালী নেতা থেকে শুরু করে একবারে তৃণমূল পর্যন্ত কেউ বাদ যায়নি।
তিনি বলেন, তারপরে চাঁদাবাজির অভিযোগ আপনাদের নামে এবং আপনাদের অধিকাংশ রোকন সদস্য … আপনাদের যে সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে নানা স্তরের লোক আছেন তারা অভিযুক্ত হয়েছে। যখন পেপারে এসেছে তখন আপনারা বহিষ্কার করেছেন।
‘‘আপনারা ফেরেশতা হয়ে গেলেন কি করে? এত একেবারে পরিশুদ্ধ হলেন কি করে? তাহলে যেগুলো ধরা পড়েনি। তারা তো আছেই আপনার দলের মধ্যে। তাহলে বড় বড় কথা বলছেন যে। এটা কথা বলছেন এই কারণে যে বোধহয় পাওয়ারে চলে আসবে। কিন্তু এদেশের মানুষের মানে মাইন্ডসেটটা আপনারা বুঝতে পারেননি। এদেশের মানুষ ধর্মভীরু কিন্তু জামাতকে পছন্দ করে না, এদেশের মানুষ ধর্মভীরু অতিরিক্ত ধর্মবিরোধী কর্মকাণ্ডও পছন্দ করে না।
জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাসের উদ্যোগে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম সাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল ইসলাম সানির সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন উজ্জ্বল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, জাসাসের লিয়াকত আলী লাকি, ফেরদৌস ফকির, জাবেদ আহমেদ কিসলু, খালেদুজ্জামান জুয়েল, ফরহাদ হোসেন নিয়ন ও রাফিজা আলম লাকি প্রমুখ বক্তব্য দেন।
জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাদের কোরবানির পশুর সংখ্যা ও অর্থের উৎস নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন বিএনপি ও সাবেক গণঅধিকার পরিষদের নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, ‘জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা! তাই এই হালাল টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুললে জাহান্নামে যেতে হবে, এই ভয়ে বিপ্লবীরা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে!’
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তার পোস্টে তিনি লেখেন, ‘জামায়াত এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল ৬৫টি গরু কুরবানি করেছে। নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বেলায়েত হেসেন ১০০টি গরু কোরবানি দিয়েছে। কিন্তু বিএনপি সরকারের মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ৬টি গরু কোরবানি দিয়েছে। এনিয়ে তো রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে অর্থের উৎস জানতে চাওয়া হয়েছে!’
এ বিষয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘সর্বত্র বিএনপি ও জামায়াত-এনসিপি জোটের খরচের তারতম্য প্রায় এরকমই। নির্বাচনেও খরচের পার্থক্যও প্রায় এমন ছিল। জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা! তাই এই হালাল টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুললে জাহান্নামে যেতে হবে, এই ভয়ে বিপ্লবীরা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে!’
কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে টাকার কথা বলেছেন, সেটি উপজেলার জন্য বরাদ্দ বাজেট। ওই অর্থ কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয়নি।
এর আগে শনিবার (৩০ মে) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। একইভাবে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ওই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মোস্তাক মিয়া কুমিল্লা বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।রাজনৈতিক জীবনী বই
অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা মূলত উপজেলার জন্য বরাদ্দ বাজেটকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, “এই টাকা আমাকে দেওয়া হয়নি। এটি কোনো ব্যক্তিকে দেওয়ার বিষয় নয়, বরং উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, দেবীদ্বার উপজেলায় কোন খাতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, তার বিস্তারিত তালিকা জেলা প্রশাসনের কাছে রয়েছে। একইভাবে উপজেলা প্রশাসনের কাছেও ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন এবং তা প্রকাশের আহ্বান জানান।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, স্থানীয় উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন হলে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। “আমি আমার উপজেলার মানুষের জন্য কোথাও যদি ভিক্ষা চাইতেও হয়, সেটি করতে আমার আপত্তি নেই। কারণ, আমি নিজের জন্য নয়, মানুষের জন্য কাজ করি,” বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ, যা এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে জেলা পরিষদের মাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে। দেবীদ্বার উপজেলাকে এ খাতে প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন অর্থ ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয়েছে। অথচ এটি সম্পূর্ণভাবে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ এবং রাজস্ব খাতের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া। একই সঙ্গে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও আলোচনা সভায় এই অভিযোগ তোলেন মোস্তাক মিয়া।
তিনি বলেন, “কুমিল্লা জেলা পরিষদের রাজস্বখাত থেকে আসিফ মাহমুদ মুরাদনগরে ১৫ কোটি ও হাসনাত আবদুল্লাহ দেবিদ্বারে ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছে। এটা আমাদের জেলা পরিষদের নিজস্ব রাজস্বের টাকা। এই হলো সমন্বয়েকদের অবস্থা। তারা মুখে মুখে বাংলাদেশের সমন্বয়ের রাজনীতির কথা বললেও তাদের মধ্যেই এটা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাদের চরিত্র ছিল এ রকম।”
তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব আমাদের কাঁধে এসে পড়েছে। এ দায়িত্ব আমাদের সঠিকভাবে পালন করতে হবে।”
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। আরও বক্তব্য রাখেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম সহ নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
পশ্চিমবঙ্গের সদ্য প্রাক্তন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে শনিবার শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে। তার জামা ছিঁড়ে
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়েও পরে রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকে আর্সেনাল। অন্যদিকে দ্বিতীয়ার্ধে পুরো সময়জুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেও সমতায় ফেরে পিএসজি।
নির্ধারিত
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন তারেক রহমান ও পরিবারের সদ্যসরা
Share
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান
ব্যাংককে সাফা, রইল ৭টি ছবি
পূজার আনন্দে মন্দিরা, রইল ১০টি ছবি
শবনম ফারিয়ার বিয়ে
সোনালি আভা
প্রকৃতি
তটিনী
শাপলা
Bird
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন নেতাকর্মীরা