রবিবার
২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজকের খেলা ও ফলাফল

পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ইতিহাস

পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ইতিহাস

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দল। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বিদেশের মাটিতে নারী

পশ্চিমবঙ্গে এসেই মোদীর মুখে বাংলাদেশের নাম

পশ্চিমবঙ্গে এসেই মোদীর মুখে বাংলাদেশের নাম

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

সৌদিকে হটিয়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে যুক্তরাজ্য

সৌদিকে হটিয়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে যুক্তরাজ্য

আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন: জামায়াত আমির

আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন: জামায়াত আমির

ইন্সপেক্টরকে ‘গাছে ঝুলিয়ে দেয়ার’ হুমকি, পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ

খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ইন্সপেক্টরকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেব, আপনারা নিজে...
ইন্সপেক্টরকে ‘গাছে ঝুলিয়ে দেয়ার’ হুমকি, পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ

লন্ডনে হাসনাতের বিরুদ্ধে মামলা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহসহ চার নেতাকর্মীর...
লন্ডনে হাসনাতের বিরুদ্ধে মামলা

২৩ জুন উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আগামী ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে...
২৩ জুন উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে: পাটোয়ারী

এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী বলেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, তরুণদের...
বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে: পাটোয়ারী
ব্রাজিলের জয়ে মাথা ন্যাড়া করলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক

ব্রাজিলের জয়ে মাথা ন্যাড়া করলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক

হাইতির জালে বল, টিএসসিতে উচ্ছ্বসিত ব্রাজিল সমর্থকরা

ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে হাইতির বিপক্ষে প্রথমার্ধেই তিন গোল করে এগিয়ে যাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি...
হাইতির জালে বল, টিএসসিতে উচ্ছ্বসিত ব্রাজিল সমর্থকরা

আজ দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

জরুরি মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার বেশকিছু এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ সরবরাহ...
আজ দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় শাস্তি পেলেন গায়িকা

ইরানে হিজাব ছাড়া প্রকাশ্যে গান পরিবেশন করাকে কেন্দ্র করে আলোচিত গায়িকা পারাস্তু আহমাদি এবং তার...
হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় শাস্তি পেলেন গায়িকা
  • সর্বশেষ

  • জনপ্রিয়

আড়াইহাজারে ডাকাতের হামলা, মুরাদনগরের এসিল্যান্ডসহ আহত ৬

পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ইতিহাস

পশ্চিমবঙ্গে এসেই মোদীর মুখে বাংলাদেশের নাম

ইন্সপেক্টরকে ‘গাছে ঝুলিয়ে দেয়ার’ হুমকি, পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ

বিশ্বকাপে পরের ম্যাচেই যে তিনটি রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা মেসির

পুলিশের গুলিতে আহত নয়নের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

যে ৬ কারণে এবারই বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল

কম বয়সে চুল পড়ার কারণ কী? যা বললেন চিকিৎসক

ফাঁস হওয়া অডিও নিয়ে মুখ খুললেন শাহজাহান চৌধুরী

দলিল লেখক সমিতির নির্বাচনে ৭ পদে আ.লীগ, ৩ পদে বিএনপি'র বিজয়

১০

ট্রাম্পকে ৪০ কোটি ডলারের বিলাসবহুল বিমান উপহার দিল কাতার

১১

হঠাৎ ইসলামী ব্যাংকের সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি

১২

লন্ডনে হাসনাতের বিরুদ্ধে মামলা

১৩

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নয়, ইব্রাহিমোভিচের মতে বিশ্বকাপ জিততে পারে যে দল

১৪

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে মতুয়া দর্শন এক অনন্য প্রেরণা: সংস্কৃতি মন্ত্রী 

১৫

৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

১৬

ফেসবুক গ্রুপের সূত্রে ছাত্রাবাসে আসা ৫ যুবককে আটক

১৭

নিয়োগ দিচ্ছে সিটি ব্যাংক, আবেদন শেষ ২৩ জুন

১৮

ফেরদৌস ওয়াহিদ - সাঈদা শম্পার `মন বোঝে না’ 

১৯

বাবার লাশ নিয়ে ৫ স্ত্রীর সন্তানদের সংঘর্ষ, পুলিশ পাহারায় ঘরের সামনে দাফন ​

২০
অনলাইন জরিপ
ইন্সপেক্টরকে ‘গাছে ঝুলিয়ে দেয়ার’ হুমকি, পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ
ইন্সপেক্টরকে ‘গাছে ঝুলিয়ে দেয়ার’ হুমকি, পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ
খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ইন্সপেক্টরকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেব, আপনারা নিজে পিটাইয়া মারবেন’। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার এমন বিতর্কিত
পুলিশের গুলিতে আহত নয়নের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
পুলিশের গুলিতে আহত নয়নের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে মতুয়া দর্শন এক অনন্য প্রেরণা: সংস্কৃতি মন্ত্রী 
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে মতুয়া দর্শন এক অনন্য প্রেরণা: সংস্কৃতি মন্ত্রী 
বাংলাদেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
অলাভজনক ও বন্ধ কারখানায় বিনিয়োগ আকর্ষণে রোড শো  
অলাভজনক ও বন্ধ কারখানায় বিনিয়োগ আকর্ষণে রোড শো  

ফাঁস হওয়া অডিও নিয়ে মুখ খুললেন শাহজাহান চৌধুরী

চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীকে ‘পায়ে গুলি করার’ পরিকল্পনার কথোপকথন-সংবলিত একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না তিনি। বরং এটি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ক্ষুব্ধ একটি পক্ষের ‘মশকরা করে বলা কথা’ বলে মনে করছেন এই সংসদ সদস্য। শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় আমার দেশের এই প্রতিবেদককে শাহজান চৌধুরী এসব কথা বলেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওতে একজন ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, “লোহাগাড়ায় এমপি কেন আসবে? আসলে পায়ে গুলি করে জিজ্ঞেস করবো কেন এসেছে।” একই কথোপকথনে শাহজাহান চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবে পরিচিত আরমান উদ্দিনের কণ্ঠও রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে পুরো ঘটনাকে ভিন্নভাবে দেখছেন শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমি আমার ব্যক্তিগত সহকারী আরমানকে চিনি। আমি এমপি হওয়ার পর সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছি। বিশেষ করে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। আরমানও সেখানে বলেছে যে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা যাবে না।” শাহজাহান চৌধুরীর ভাষ্য, এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার কারণেই একটি পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে এমন মন্তব্য করে থাকতে পারে। তিনি বলেন, “যারা অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তারা হয়তো বলেছে পায়ে গুলি করবে। কিন্তু আমি এটাকে খুব বড় কোনো হুমকি হিসেবে দেখছি না। অনেক সময় মানুষ রাগের মাথায় বা মশকরা করেও নানা কথা বলে।” এমপি আরও বলেন, “আমি আমার এলাকার মানুষজনকে চিনি। তারা এমন নয়। এলাকার সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবাসেন। তাই এই বিষয়টি নিয়ে আমি অতটা সিরিয়াস নই।” তবে অডিওটি প্রকাশের পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। একজন বর্তমান সংসদ সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি করার কথা উঠে আসায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন অনেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ অডিওটির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, লোহাগাড়ার বিভিন্ন খাল ও ছড়া থেকে বালু উত্তোলন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। প্রশাসনের অভিযান ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের স্বার্থের সংঘাতকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় উত্তেজনাও তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে অডিওটির কথোপকথন নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

লন্ডনে হাসনাতের বিরুদ্ধে মামলা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহসহ চার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে লন্ডনে মামলা করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। গতকাল শুক্রবার লন্ডনের ক্যামব্রিজ থানায় এই মামলাটি করা হয়। হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়া এই মামলার আসামি করা হয়েছে এনসিপি নেতা এহতেশাম হক, জাকির চৌধুরী, শাহীন আলমকে। তাদের মধ্যে জাকির চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। এছাড়াও এই মামলায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। এদিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি গণমাধ্যমকে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ আমাদের নামে মামলা করেছে। এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স এ বিষয়টি দেখছে।’ এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্সের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগ ও পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের সমর্থকরা হাসনাত আবদুল্লাহ এবং তার সফরসঙ্গীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অপপ্রচার ও হয়রানির পর এবার নতুন নাটক শুরু করেছে। তারা হাসনাত আবদুল্লাহ, এহতেশাম হক, জাকির চৌধুরী, শাহীন আলমসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে ‘বেধড়ক পেটানোর’ অভিযোগ এনে থানায় মামলা করেছে। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্য পুলিশের মূল্যবান সময় নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, ‘নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, জননিরাপত্তা এবং যুক্তরাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষায়িত সংস্থা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তাদের পেশাদার ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে পতিত আওয়ামী লীগ আগেও ব্যর্থ হয়েছে, এবারও হবে। অক্সফোর্ড ইউনিয়নে হাসনাত আবদুল্লাহর ঐতিহাসিক বক্তব্য, যুক্তরাজ্য জুড়ে প্রবাসীদের সঙ্গে তার সফল মতবিনিময় এবং সহযোদ্ধাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে তারা বারবার চেষ্টা করলেও প্রতিবারই চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।’

বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে: পাটোয়ারী

এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী বলেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু দুই বছর পরও সেই আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা সরকার ও সংসদের কাছে জানতে চাই- দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’ শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনার ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে- রাষ্ট্র সংস্কারের বাস্তবায়ন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করা। জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না। সংস্কার ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আমরা রাজপথে যেমন ছিলাম, ভবিষ্যতেও তেমনি থাকব।’ বিএনপির সমালোচনা করে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘গণতন্ত্র ও সংস্কারের প্রশ্নে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি ব্যর্থ হচ্ছে। ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করে জনগণের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। অন্যথায় জনগণই তার জবাব দেবে।’ তিনি আরও বলেন, খুলনাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ করা হয়েছে। কেসিসি, কেডিএ, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক বসানো তার বড় প্রমাণ। তিনি দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবা জানিয়ে বলেন, কোনো বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে দেশ ও জনগণের স্বার্থে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।
বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে: পাটোয়ারী

আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে তাদের অবস্থান তুলে ধরবেন।  তিনি বলেন, “যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতি প্রয়োজন হয় না, সেখানেই আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। দেশের মাঠে-ময়দানে গণজাগরণ সৃষ্টি হবে।” যুব সমাজের উদ্দেশে তিনি বলেন, “জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।”  শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনার ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক। সম্মানিত অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির  (এনসিপি) মুখ্য সমš^য়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) যুগ্ম সচিব এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাড. এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসাইন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন, সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, বাগেরহাট জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, ঝিনাইদহ জেলা আমীর আলী আজম মো. আবু বক্কর এমপি, যশোর জেলা আমীর অধ্যাপক মো. গোলাম রসূল এমপি, মেহেরপুর জেলা আমীর মাওলানা তাজ উদ্দীন খান এমপি, নড়াইল জেলা আমীর মো. আতাউর রহমান বাচ্চু এমপি, লেবার পার্টির মহানগরী সভাপতি অধ্যক্ষ মো. সাইফুদ্দোহা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের খুলনা জেলা সভাপতি মুফতী শরীফ সাঈদুর রহমান, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু বক্কার সিদ্দিক মোড়ল, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য মো. জাকির হোসেন খান, খেলাফত মজলিসের মহানগর সভাপতি এফ এম হারুন অর রশীদ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. ইব্রাহিম খলিল, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) খুলনা মহানগর সভাপতি এডভোকেট মো. হানিফ উদ্দীন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক এঁর অর্থসহ কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়। এর আগে দুপুর ১২টা থেকে প্রেরণা সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ খুলনার শিল্পীবৃন্দ ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশের মানুষ ˆবষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি।  তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ ও দুর্বল করার মাধ্যমে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাদের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়; বরং একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য।  তিনি বলেন, “আমরা দেশে কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না। কিন্তু অন্যায়, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও আধিপত্যবাদেও কাছে মাথা নত করব না।” সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আপনারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। দেশের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে|” তবে তিনি বলেন, এই বিপ্লব কোনো দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য নয়; বরং দুর্নীতি, ˆবষম্য, দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। তিনি একটি দুর্নীতিমুক্ত, চক্রান্তমুক্ত, দলীয় প্রভাবমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গঠার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের যুব সমাজকে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে। সভাপতির বক্তৃতায় মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ১১ দলীয় জোটের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তার পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে রাষ্ট্র সংস্কার ও ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষমতায় যাওয়ার পর সরকার তা থেকে সরে এসেছে। গণভোটে জনগণ যে সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার অনীহা দেখাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, গণভোটে দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা, দলীয়করণ বন্ধ এবং বিচারব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। অথচ বর্তমানে সেই সংস্কার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে সরকার কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার দিকে এগোচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সংসদ এবং রাজপথ—দুই জায়গাতেই জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আন্দোলন চলবে। জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ১১ দলীয় জোট তাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে। তিনি অভিযোগ করেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলদারিত্ব বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।  তিনি আরও বলেন, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে দেশের সংকট আরও গভীর হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অতীতে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য বারবার সংগ্রাম করেছে। কিন্তু স্বাধীনতার পরও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সুশাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।  তিনি বলেন, জনগণের রায় ও অধিকারকে সম্মান জানিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের রাজনৈতিক জোটের লক্ষ্য ˆবষম্য, দারিদ্র্য, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি মানবিক  বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কিন্তু নানা রাজনৈতিক কৌশল ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার সরকার প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, যারা ইসলামি মূল্যবোধ, নীতি-নৈতিকতা ও সুশাসনের কথা বলে, তাদেরকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উগ্রবাদী বা মৌলবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে, যা দেশের জন্য ক্ষতিকর। তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা, জবাবদিহি ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতির পরিবর্তে দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। ফলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো আরও প্রকট হয়ে উঠছে। দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। অলি আহমদ আরও বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়ে জনগণ ভোট দিয়েছে, তা কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থে নয়; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে।  তিনি বলেন, এমন একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে যেখানে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে না পারে, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হয়। তিনি অভিযোগ করেন, দেশে এখনও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিচার ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রবণতা রয়ে গেছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতি ও অপশাসনের বিরুদ্ধে আরও সুস্পষ্ট ও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে দেশের সংকট আরও গভীর হবে। এলডিপি সভাপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র চায়। সেই লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজন হলে আরও ত্যাগ স্বাকারের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। এজন্য তিনি প্রয়োজনে দেশবাসীকে বার্ডারের দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহবান জানান। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জুলাই সনদ আর গণভোটের সাথে বিএনপি অন্তহীন প্রতারনা করেছে। তারা তলে তলে না ভোটের ক্যাম্পেইন করেছে। গণভোটে ‘না’ এর পক্ষেই তারা প্রচারনা চালিয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ভোটাধিকার, গণতন্ত্র এবং নাগরিক মর্যাদা পুনরুদ্ধারের লড়াই করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিল এবং উন্নয়নের নামে গণতন্ত্রকে ভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের রাজনৈতিক অধিকার, ভোটাধিকার এবং প্রতিনিধিত্বের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। সেই আকাঙ্ক্ষার  ধারাবাহিকতায় গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে এবং জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠন, ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের পথ বন্ধ করা এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তার দাবি, রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে যেসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল, সেগুলোর অনেক কিছুই পরবর্তীতে পরিবর্তন করা হয়েছে, যা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মামুনুল হক বলেন, গণভোটে দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ জুলাই সনদের পক্ষে মত দিয়েছে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সেই রায়কে উপেক্ষা করে কেবল সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে তা জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের শামিল হবে।  তিনি বলেন, জনগণের ভোটে প্রদত্ত ম্যান্ডেট বাস্তবায়ন করা সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর নৈতিক দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জনগণ বারবার তাদের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করেছে। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কিংবা চব্বিশের জুলাই আন্দোলন- সবকিছুর মূলে ছিল মানুষের অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্ন। সেই ধারাবাহিকতায় জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত হলে ভবিষ্যতেও জনগণ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের রায় ও ভোটাধিকার নিয়ে কোনো ধরনের ছিনিমিনি খেলা করা উচিত হবে না। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি ˆবষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যেই তারা রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু দুই বছর পরও সেই আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা সরকার ও সংসদের কাছে জানতে চাই- দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে- রাষ্ট্র সংস্কারের বাস্তবায়ন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করা। জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না। সংস্কার ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আমরা রাজপথে যেমন ছিলাম, ভবিষ্যতেও তেমনি থাকব।’ বিএনপির সমালোচনা করে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘গণতন্ত্র ও সংস্কারের প্রশ্নে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি ব্যর্থ হচ্ছে। ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করে জনগণের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। অন্যথায় জনগণই তার জবাব দেবে।’ তিনি আরও বলেন, খুলনাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ করা হয়েছে। কেসিসি, কেডিএ, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক বসানো তার বড় প্রমাণ। তিনি দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবা জানিয়ে বলেন, কোনো বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে দেশ ও জনগণের স্বার্থে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।
আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন: জামায়াত আমির

কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে চাই: সড়ক প্রতিমন্ত্রী 

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, কথায় নয়, কাজের মাধ্যমেই আগামীর বাংলাদেশ গড়তে চাই। শনিবার (২০জুন) রাজধানীর সবুজবাগ থানাধীন মাদারটেক আব্দুল আজিজ স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।   সড়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে চায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ- জনগণের পাশে থাকতে হবে, জনসেবা করতে হবে, জনগণের দোড়গোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে হবে। সরকারি বরাদ্দের অর্থ সংগ্রহ করতে আপনাদের যেন সরকারি দপ্তরে গিয়ে ধরনা দিতে না হয় এজন্য এই চেক বিতরণের জন্য আমরা আপনাদের মাঝে এসেছি।  তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাস চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের অবস্থান সুস্পষ্ট। যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং যারা সমাজে নৈরাজ্য  সৃষ্টি করতে চায় সরকার তাদের কঠোর হাতে দমন করবে। ব্যক্তিগতভাবে আমি সন্ত্রাস,  চাঁদাবাজি ও মাদককে ঘৃণা করি। এসবের সাথে জড়িত এবং যারা তাদের সহযোগিতা করে তাদেরকেও আমি ব্যক্তিগতভাবে ঘৃণা করি। এক্ষেত্রে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান, তাদেরকে কঠোর হাতে দমন করা হবে। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকের বিস্তার রোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবো। আমরা আমাদের কাজের মাধ্যমেই আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।  এর আগে প্রতিমন্ত্রী একই এলাকায় আব্দুল আজিজ ভূইয়া ও বেগম শায়েস্তা নূরানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস এর আয়োজনে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প উদ্বোধন করেন।  এ সময় তার সঙ্গে খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা ও মানিকনগর থানা বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে চাই: সড়ক প্রতিমন্ত্রী 

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর দুটি দেশ সফরকে কেন্দ্র করে কেন জানি আমার কাছে মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশে নানাভাবে বিভিন্ন ধরনের উসকানির একটা আবছা ইঙ্গিত পাচ্ছি। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে রাজধানীর রমনায় বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ন্যাশনালিস্ট আইসিটি ফোরাম আয়োজিত ‘বাংলাদেশ আইসিটি শিল্প ২০৩০ : চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও কৌশলগত সংস্কার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, ‘বহুদিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকার এসেছে। মানুষের প্রত্যাশা অনেক এই সরকারের কাছে। সরকারের যে রাজনৈতিক দল, তার নামের আগে একটি জাতীয়তাবাদী শব্দ আছে। অর্থাৎ যে শব্দটির সঙ্গে মিশে আছে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র। অর্থাৎ এই সরকার এমন কিছু করবে না, যেখানে আমাদের স্বাধীনতা বিপন্ন হয়। এই জাতীয়তাবাদী শব্দ থাকার কারণে এই সরকারের প্রকৃতিটা এমনই– এমন কিছু করবে না, যাতে আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিদিন একটু একটু করে দুর্বল হয়। সে কাজ তো করবে না। সুতরাং এই সরকারকে অনেক চক্রান্ত, অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই এগোতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে বর্তমান সরকার তার প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছে। হয়তো আজকেই যাত্রা শুরু করবেন। এর মধ্যে একটি দেশে আগামীকাল যাবে। তো এর সঙ্গে দুই-একটি দেশ সফর করবে। কিন্তু এই সফরকে কেন্দ্র করে কেন জানি আমার মনে হচ্ছে, দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের উসকানি এবং এক ধরনের নেতিবাচক পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করার প্রচেষ্টা চলছে। এটা কিন্তু খুবই ইঙ্গিতপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থে, কল্যাণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে আমাদের কেউ শত্রু নেই, আবার কেউ প্রভুও নেই। সবাই আমাদের বন্ধু। এটি হচ্ছে মরহুমা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার একটি ঘোষিত নীতি। সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই বর্তমান সরকারপ্রধান তার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং বিশ্বের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা বলা এবং আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ– সবকিছু ক্রমবর্ধমানভাবে বাড়িয়ে তোলার জন্য একটি শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি থাকতে হবে। সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই বিভিন্ন দেশে আমাদের কার্যক্রম বাড়াতে হবে। তারই অংশ হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল দুটি দেশে সফরে যাচ্ছেন। এটা আমি আগেই বলেছি।’ রিজভী আরও বলেন, ‘কেন জানি আমার কাছে মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশে নানাভাবে বিভিন্ন ধরনের উসকানির একটা আবছা ইঙ্গিত পাচ্ছি। বিভিন্ন কথাবার্তায়, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে। যাই হোক, আমি ওই প্রসঙ্গে যাব না। আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে এবারের বাজেটে আমি যেটা দেখলাম, একটি ঘোষিত নীতি নেওয়া হয়েছে সফটওয়্যার এবং আইটি খাতকে কেন্দ্র করে। সেটা হচ্ছে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি’ এবং ‘ওয়ান ডিজিটাল, ওয়ান ওয়ালেট’। এটি সরকারের একটি ঘোষিত নীতি। সেখানে বলা হয়েছে যে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের মডেল থেকে নয়, বরং আমরা পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাটাকেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসব। এটাই ঘোষিত নীতি।” এসময় আরও বক্তব্য দেন এনসিএফটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাফায়েল কবির, উপদেষ্টা ডা. মারুফ মল্লিক, ডা. শাহ জেড মিয়া প্রমুখ।
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি: রিজভী

কলকাতায় আ.লীগের পলাতক নেতাদের বৈঠক, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকার দায়িত্বে যারা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুলিশের সতর্কবার্তাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। ২৩ জুন সামনে রেখে দেশে ও বিদেশে একাধিক বৈঠক হয়েছে।  এসব বৈঠকে কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয় করার ওপর জোর দেওয়া হয়। বিশেষ করে কলকাতার বৈঠক থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে মিছিলের ছক তৈরির খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বাহিনীর সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে একটি ‘জরুরি বার্তা’ পাঠানো হয়। এতে সারা দেশে পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় সতর্কতার পাশাপাশি ‘নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা’ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডিআইজি (কনফিডেন্সিয়াল) মো. কামরুল আহসানের সই করা ওই চিঠিতে পুলিশ সুপারদের (এসপি) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও দলটির ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিতে পারেন। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি রয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম।  তিনি বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রমের মাধ্যমে যাতে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সম্ভাব্য নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে অতিরিক্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।’ রাজধানীর প্রবেশমুখসহ বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার (১৯ জুন) থেকে পুলিশের তল্লাশি শুরু হয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন থানায় অপরাধীদের গ্রেপ্তার অভিযানও অব্যাহত রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সরকারি স্থাপনা, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এলাকা এবং বিভিন্ন প্রবেশপথে বাড়তি পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ ও বিভিন্ন যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কলকাতার নিউমার্কেটে বৈঠক পুলিশের নির্দেশনা গণমাধ্যমে আসার পরপরই কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের পলাতক নেতারা এক বৈঠকে মিলিত হন। ঢাকা মহানগরের একাধিক যুবলীগ নেতা, ফেনী আওয়ামী লীগ, কুমিল্লা ছাত্রলীগ এবং চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও খুলনা এলাকার বেশ কিছু নেতাকর্মী ওই বৈঠকে অংশ নেন। পুলিশের সতর্কবার্তাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফল করার ওপর জোর দেন তারা। ওই বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচি বাস্তবায়নে নতুন করে পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এর অংশ হিসেবে ঢাকাসহ দেশের সব জেলা বেশ কয়েকজন নেতার মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। ঢাকার দায়িত্বে যারা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানী ও জেলা পর্যায়ে মিছিলকে প্রধান কর্মসূচি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি এড়িয়ে কর্মসূচি সফল করতে স্থান ও সময় নির্ধারণ করে সুনির্দিষ্ট কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে। পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণেরও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরান ঢাকার একাধিক স্থানে মিছিলের আয়োজন করবেন ঢাকার সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন। কেরানীগঞ্জ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় মিছিল পরিচালনা করবেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহীন আহমেদ। মিরপুরের রূপনগর ও পল্লবী এলাকার দায়িত্ব পেয়েছেন উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী। মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শ্যামলীর দায়িত্ব নিয়েছেন ডিএনসিসির ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব। ইতোমধ্যেই তার নেতৃত্বে জুলাই জাদুঘর এলাকায় মিছিল হয়েছে। ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকায় মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি। শ্যামপুর, কদমতলী ও জুরাইন এলাকায় ছোটন কমিশনারসহ আরও কিছু নেতাকর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পল্টন ও মতিঝিলসহ কিছু এলাকায় কোনো মিছিলের আয়োজন রাখা হয়নি। স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচির প্রস্তুতি নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুবলীগের এক নেতা বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি অনেক নেতাকর্মীরা স্থানীয় পর্যায়ে র‌্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে দলের হাইকমান্ডকে চমক দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। এমন কর্মসূচি এই মুহূর্তে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার তৎপরতা দেখাতে এমন আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশের সতর্কতাকে অনেকেই রাজনৈতিক চাপ হিসেবে দেখছেন। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটিকে কর্মীদের আরও উজ্জীবিত করে তুলছে। এরই মধ্যে গণভবনের সামনে মিছিল এবং মহাখালী এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের মতো কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ফলে পুলিশ প্রশাসনের সতর্কবার্তা এবং দলীয় প্রস্তুতির মধ্যে একধরনের অঘোষিত চ্যালেঞ্জ এরই মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে।’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সংগঠক সাজ্জাদ হোসেন সজিব বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের এই সক্রিয়তা শুধু সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের বিষয় নয়, বরং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিজেদের অবস্থান ও জনসম্পৃক্ততার বার্তা দেওয়ারও একটি প্রচেষ্টা।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ছিল, আছে, থাকবে। এই বার্তা দেশবাসীর কাছে পৌঁছাতে কর্মসূচির বিকল্প নেই। এতে পুলিশ যদি সতর্ক থাকে, আমাদের গ্রেপ্তার করে, সেটি আমাদের চিন্তার বিষয় নয়।’ ঢাকার বাইরে জোর প্রস্তুতি কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল পিয়াশ বলেন, ‘পুলিশের সতর্কবার্তার কথা শুনে আমার মিছিলের লোকসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি। ২৩ জুন অন্য সব জেলার চেয়ে কুমিল্লার মিছিল হবে মনে রাখার মতো।’ তিনি আরও বলেন, ‘জেলার বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও পোস্টারিং করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন জাতীয় ও দলীয় পতাকা নিয়ে মিছিল হবে। ছাত্রলীগ শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, অন্য কোনো দল বা সংগঠনের সতর্কতাও আমলে নেয় না। ছাত্রলীগ গুলির সামনে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জও গ্রহণ করে।’ প্রায় একই বক্তব্য ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ তপুর। তিনি বলেন, ‘ফেনীতে গত কয়েক দিন ধরে পোস্টারিং হয়েছে। আগামী কয়েক দিনও পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণ করা হবে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি আমাদের জেলায় হাজার হাজার লোকের অংশগ্রহণে একাধিক মিছিল হবে।’ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সম্পর্কে পুলিশ সদর দপ্তরের এক এআইজি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ সব সময়ই চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকে। তবে বর্তমান সময়টা পুলিশের জন্য একটু বেশি চ্যালেঞ্জিং। আওয়ামী লীগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যতটা জানান দিচ্ছে, ২৩ তারিখ তেমনটা দেখাতে পারবে না।’ সূত্র: এশিয়া পোস্ট
কলকাতায় আ.লীগের পলাতক নেতাদের বৈঠক, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকার দায়িত্বে যারা

কলকাতায় আওয়ামী লীগের বৈঠক: ঢাকায় মিছিলের পরিকল্পনা

২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুলিশের সতর্কবার্তাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রেখে দেশে ও বিদেশে একাধিক বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকে কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয় করার ওপর জোর দেওয়া হয়। বিশেষ করে কলকাতার বৈঠক থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে মিছিলের পরিকল্পনার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বাহিনীর সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে একটি ‘জরুরি বার্তা’ পাঠানো হয়। এতে সারা দেশে পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় সতর্কতার পাশাপাশি ‘নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা’ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডিআইজি (কনফিডেন্সিয়াল) মো. কামরুল আহসানের সই করা ওই চিঠিতে পুলিশ সুপারদের (এসপি) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও দলটির ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিতে পারেন। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি রয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রমের মাধ্যমে যাতে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সম্ভাব্য নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে অতিরিক্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।’ রাজধানীর প্রবেশমুখসহ বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার (১৯ জুন) থেকে পুলিশের তল্লাশি শুরু হয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন থানায় অপরাধীদের গ্রেপ্তার অভিযানও অব্যাহত রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সরকারি স্থাপনা, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এলাকা এবং বিভিন্ন প্রবেশপথে বাড়তি পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ ও বিভিন্ন যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কলকাতায় বৈঠক পুলিশের নির্দেশনার পরপরই কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের পলাতক নেতারা এক বৈঠকে মিলিত হন। ঢাকা মহানগরের একাধিক যুবলীগ নেতা, ফেনী আওয়ামী লীগ, কুমিল্লা ছাত্রলীগ এবং চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও খুলনা এলাকার বেশ কিছু নেতাকর্মী ওই বৈঠকে অংশ নেন। পুলিশের সতর্কবার্তাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফল করার ওপর জোর দেন তারা। ওই বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচি বাস্তবায়নে নতুন করে পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এর অংশ হিসেবে ঢাকাসহ দেশের সব জেলা বেশ কয়েকজন নেতার মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। ঢাকার দায়িত্বে যারা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানী ও জেলা পর্যায়ে মিছিলকে প্রধান কর্মসূচি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি এড়িয়ে কর্মসূচি সফল করতে স্থান ও সময় নির্ধারণ করে সুনির্দিষ্ট কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে। পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণেরও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরান ঢাকার একাধিক স্থানে মিছিলের আয়োজন করবেন ঢাকার সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন। কেরানীগঞ্জ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় মিছিল পরিচালনা করবেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহীন আহমেদ। মিরপুরের রূপনগর ও পল্লবী এলাকার দায়িত্ব পেয়েছেন উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী। মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শ্যামলীর দায়িত্ব নিয়েছেন ডিএনসিসির ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব। ইতোমধ্যেই তার নেতৃত্বে জুলাই জাদুঘর এলাকায় মিছিল হয়েছে। ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকায় মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি। শ্যামপুর, কদমতলী ও জুরাইন এলাকায় ছোটন কমিশনারসহ আরও কিছু নেতাকর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পল্টন ও মতিঝিলসহ কিছু এলাকায় কোনো মিছিলের আয়োজন রাখা হয়নি। ঢাকার বাইরে জোর প্রস্তুতি নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুবলীগের এক নেতা বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি অনেক নেতাকর্মীরা স্থানীয় পর্যায়ে র‌্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে দলের হাইকমান্ডকে চমক দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। এমন কর্মসূচি এই মুহূর্তে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার তৎপরতা দেখাতে এমন আয়োজন করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশের সতর্কতাকে অনেকেই রাজনৈতিক চাপ হিসেবে দেখছেন। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটিকে কর্মীদের আরও উজ্জীবিত করে তুলছে। এরই মধ্যে গণভবনের সামনে মিছিল এবং মহাখালী এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের মতো কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ফলে পুলিশ প্রশাসনের সতর্কবার্তা এবং দলীয় প্রস্তুতির মধ্যে একধরনের অঘোষিত চ্যালেঞ্জ এরই মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে।’ কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল পিয়াশ বলেন, ‘পুলিশের সতর্কবার্তার কথা শুনে আমার মিছিলের লোকসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি। ২৩ জুন অন্য সব জেলার চেয়ে কুমিল্লার মিছিল হবে মনে রাখার মতো।’ তিনি আরও বলেন, ‘জেলার বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও পোস্টারিং করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন জাতীয় ও দলীয় পতাকা নিয়ে মিছিল হবে। ছাত্রলীগ শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, অন্য কোনো দল বা সংগঠনের সতর্কতাও আমলে নেয় না। ছাত্রলীগ গুলির সামনে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জও গ্রহণ করে।’ প্রায় একই বক্তব্য ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ তপু বলেন, ‘ফেনীতে গত কয়েক দিন ধরে পোস্টারিং হয়েছে। আগামী কয়েক দিনও পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণ করা হবে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি আমাদের জেলায় হাজার হাজার লোকের অংশগ্রহণে একাধিক মিছিল হবে।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশ সদর দপ্তরের এক এআইজি  বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাজনৈতিক কর্মসূচিসহ সব সময়ই চ্যালেঞ্জের মধ্যে থাকে। তবে বর্তমান সময়টা পুলিশের জন্য একটু বেশি চ্যালেঞ্জিং। আওয়ামী লীগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যতটা জানান দিচ্ছে, ২৩ তারিখ তেমনটা দেখাতে পারবে না।’
কলকাতায় আওয়ামী লীগের বৈঠক: ঢাকায় মিছিলের পরিকল্পনা
সৌদিকে হটিয়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে যুক্তরাজ্য
সৌদিকে হটিয়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে যুক্তরাজ্য
দেশে খাদ্যশস্যের মজুদ ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়িয়েছে
দেশে খাদ্যশস্যের মজুদ ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়িয়েছে
হঠাৎ ইসলামী ব্যাংকের সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি
হঠাৎ ইসলামী ব্যাংকের সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি
কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে একটি সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।  ব্যাংকটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ
আরো কমল স্বর্ণের দাম
আরো কমল স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ, ভরিতে কত?
দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ, ভরিতে কত?
আড়াইহাজারে ডাকাতের হামলা, মুরাদনগরের এসিল্যান্ডসহ আহত ৬
আড়াইহাজারে ডাকাতের হামলা, মুরাদনগরের এসিল্যান্ডসহ আহত ৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সশস্ত্র ডাকাত দলের হামলায় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁনসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্র

দলিল লেখক সমিতির নির্বাচনে ৭ পদে আ.লীগ, ৩ পদে বিএনপি'র বিজয়

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখক সমিতির কার্যনির্বাহী...
দলিল লেখক সমিতির নির্বাচনে ৭ পদে আ.লীগ, ৩ পদে বিএনপি'র বিজয়

৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের মাধবপুরে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান পলাতক আসামি মো....
৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ফেসবুক গ্রুপের সূত্রে ছাত্রাবাসে আসা ৫ যুবককে আটক

ফরিদপুর শহরের একটি ছাত্রাবাসে সমকামিতার অভিযোগে পাঁচ যুবককে আটক করেছেন মেসের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। পরে...
ফেসবুক গ্রুপের সূত্রে ছাত্রাবাসে আসা ৫ যুবককে আটক

বাবার লাশ নিয়ে ৫ স্ত্রীর সন্তানদের সংঘর্ষ, পুলিশ পাহারায় ঘরের সামনে দাফন ​

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নে এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর সম্পত্তি এবং লাশ দাফনের...
বাবার লাশ নিয়ে ৫ স্ত্রীর সন্তানদের সংঘর্ষ, পুলিশ পাহারায় ঘরের সামনে দাফন ​

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

ট্রাম্পকে ৪০ কোটি ডলারের বিলাসবহুল বিমান উপহার দিল কাতার
ট্রাম্পকে ৪০ কোটি ডলারের বিলাসবহুল বিমান উপহার দিল কাতার
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে কাতারি সরকারের উপহার দেওয়া একটি বিলাসবহুল বোয়িং ৭৪৭-৮ জেট বিমান, যা এখন থেকে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’
পশ্চিমবঙ্গে এসেই মোদীর মুখে বাংলাদেশের নাম
পশ্চিমবঙ্গে এসেই মোদীর মুখে বাংলাদেশের নাম
দুই দিনের সফরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার (২০ জুন) পশ্চিমবঙ্গ দিবস এবং রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক
‘দলে থাকতে চাইছেন না কেউই’
‘দলে থাকতে চাইছেন না কেউই’
দলে থাকতে চাইছেন না কেউই। একে একে সাংগঠনিক দায়িত্ব ছাড়তে চেয়ে চিঠি পাঠাচ্ছেন নেতারা। দলও ছাড়ছেন কেউ কেউ। এই পরিস্থিতিতে
আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান
আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান
পরীক্ষার্থী ভারতের, ভর্তি পরীক্ষার সিট পড়েছে দুবাই
পরীক্ষার্থী ভারতের, ভর্তি পরীক্ষার সিট পড়েছে দুবাই
ভিসা নিয়ে সুসংবাদ দিলো আরব আমিরাত
ভিসা নিয়ে সুসংবাদ দিলো আরব আমিরাত
বিক্ষোভে উত্তাল আজাদ কাশ্মির, নিহত ২৪
বিক্ষোভে উত্তাল আজাদ কাশ্মির, নিহত ২৪
পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ইতিহাস
পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ইতিহাস
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে নিগার সুলতানা
বিশ্বকাপে পরের ম্যাচেই যে তিনটি রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা মেসির
বিশ্বকাপে পরের ম্যাচেই যে তিনটি রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা মেসির
যে ৬ কারণে এবারই বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল
যে ৬ কারণে এবারই বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল
ফেরদৌস ওয়াহিদ - সাঈদা শম্পার `মন বোঝে না’ 
ফেরদৌস ওয়াহিদ - সাঈদা শম্পার `মন বোঝে না’ 
বাংলা পপ গানের অন্যতম কিংবদন্তি ফেরদৌস ওয়াহিদ ও প্রবাসী বাংলাদেশী শিল্পী সাঈদা শম্পার গাওয়া নতুন দ্বৈত গান ‘মন বোঝে না’
বাথরুমের সিলিং থেকে নায়িকা ববির স্বামী গ্রেফতার
বাথরুমের সিলিং থেকে নায়িকা ববির স্বামী গ্রেফতার
মাদক চোরাচালানের অভিযোগে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার
মাদক চোরাচালানের অভিযোগে অভিনেত্রী গ্রেপ্তার
হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় শাস্তি পেলেন গায়িকা
হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় শাস্তি পেলেন গায়িকা
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অভিনেতা জোভান, জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অভিনেতা জোভান, জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা
মিরপুরে ‘ভইরা দে’ গ্রুপের ৩ সদস্য গ্রেফতার
মিরপুরে ‘ভইরা দে’ গ্রুপের ৩ সদস্য গ্রেফতার
মিরপুরের পল্লবীতে অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং ‘ভইরা দে’ গ্রুপের সক্রিয় অন্যতম সদস্য শিশির আহম্মেদ ইমনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন
তেলের সিন্ডিকেট করে দুই মাসেই ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে টিকে গ্রুপ
তেলের সিন্ডিকেট করে দুই মাসেই ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে টিকে গ্রুপ
টিকে গ্রুপের প্রতিষ্ঠান শবনম ভেজিটেবল অয়েল কোম্পানি ১৫ দিনে তেল সরবরাহ করার কথা থাকলেও করেনি ২৫ দিনেও রোজা ও ঈদকে সামনে রেখে
নামাজের ইমামতি রেখে পালিয়ে যাওয়া বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা গ্রেফতার
নামাজের ইমামতি রেখে পালিয়ে যাওয়া বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা গ্রেফতার
নামাজে ইমামতি করা অবস্থা থেকে পালিয়ে যাওয়া গোলাম আজম (৪৫) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পল্টন থানা পুলিশ বুধবার
কামরাঙ্গীরচরে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা
কামরাঙ্গীরচরে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা
ভোজ্যতেলে কারসাজি: টিকে গ্রুপকে ৩২ কোটি টাকা জরিমানা
ভোজ্যতেলে কারসাজি: টিকে গ্রুপকে ৩২ কোটি টাকা জরিমানা
গ্রেফতারের পর আবারও আলোচনায় বেনজীরের অপকর্ম
গ্রেফতারের পর আবারও আলোচনায় বেনজীরের অপকর্ম
একদিনে মোহাম্মদপুরসহ ৬ থানায় গ্রেফতার ৫৭
একদিনে মোহাম্মদপুরসহ ৬ থানায় গ্রেফতার ৫৭
ঢাকা,রোববার, ২১ জুন ২০২৬
নিমিষেই তৈরি করুন ডিম-ওটসের সুস্বাদু ডায়েট স্যুপ
নিমিষেই তৈরি করুন ডিম-ওটসের সুস্বাদু ডায়েট স্যুপ
সকালের একঘেয়ে নাশতা থেকে মুক্তি পেতে এবং ঝটপট জিভে জল আনা স্বাদের খোঁজে যারা আছেন, তাদের জন্য ডিম-ওটসের স্যুপ হতে

‘কবুল’ বলা ছাড়াও যেসব শব্দে বিয়ে সম্পন্ন হয়

ইসলামে বিয়ে কেবল একটি সামাজিক বন্ধনই নয়, এটি জীবনকে পবিত্র ও সম্পূর্ণ করার একটি বরকতময়...
‘কবুল’ বলা ছাড়াও যেসব শব্দে বিয়ে সম্পন্ন হয়

এসি বিস্ফোরণ কেন হয়? দুর্ঘটনা রোধে যা করণীয় 

গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসি এখন আর কোনো বিলাসিতা নয়, বরং দৈনন্দিন...
এসি বিস্ফোরণ কেন হয়? দুর্ঘটনা রোধে যা করণীয় 

যে শিশুটি পৃথিবীতে দুইবার জন্ম নিয়েছে!

বিজ্ঞান যখন কল্পবিজ্ঞানকে হার মানায়, তখন জন্ম নেয় ‘লিনলি হোপ’-এর মতো অলৌকিক গল্প। টেক্সাসের লুইস...
যে শিশুটি পৃথিবীতে দুইবার জন্ম নিয়েছে!

আয়নার প্রতিচ্ছবি নাকি ক্যামেরার ছবি, কোনটি আমাদের আসল চেহারা?

আয়নায় এবং ক্যামেরায় আমাদের চেহারা আলাদা দেখার পেছনে কোনো অলৌকিক ঘটনা নেই, বরং এর পেছনে...
আয়নার প্রতিচ্ছবি নাকি ক্যামেরার ছবি, কোনটি আমাদের আসল চেহারা?
নিয়োগ দিচ্ছে সিটি ব্যাংক, আবেদন শেষ ২৩ জুন
নিয়োগ দিচ্ছে সিটি ব্যাংক, আবেদন শেষ ২৩ জুন
সিটি ব্যাংক পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকটি ব্রাঞ্চ, রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগ ট্রানজেকশন সার্ভিস পদে জনবল নিয়োগের জন্য
হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাতেই ৬ জন। এ সময়ে
হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
যে খাবারগুলো নীরবে ধ্বংস করছে আপনার কিডনি
যে খাবারগুলো নীরবে ধ্বংস করছে আপনার কিডনি
পুরুষের এই সাধারণ সমস্যাই জানাতে পারে শরীরের বড় বিপদের খবর
পুরুষের এই সাধারণ সমস্যাই জানাতে পারে শরীরের বড় বিপদের খবর
আদ-দ্বীন হাসপাতালের রোগীদের জন্য পোস্তগোলায় বিকল্প সেবা, ফ্রি পরিবহন সুবিধা
আদ-দ্বীন হাসপাতালের রোগীদের জন্য পোস্তগোলায় বিকল্প সেবা, ফ্রি পরিবহন সুবিধা
আইফোন প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ 
আইফোন প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ 
আইফোন প্রেমীদের দুঃসংবাদ দিয়েছেন অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুক। এবার পকেট থেকে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করতে হবে

ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে দিতে হবে টাকা!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের যোগাযোগের ধরনকে আমূল বদলে দিয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া,...
ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে দিতে হবে টাকা!

ফেসবুক বিভ্রাট নিয়ে যা জানালেন মেটার মুখপাত্র

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা হঠাৎ-ই সাময়িক অসুবিধার মধ্যে...
ফেসবুক বিভ্রাট নিয়ে যা জানালেন মেটার মুখপাত্র

অবশেষে এক ঘণ্টা পর সচল ফেসবুক

প্রায় এক ঘণ্টা বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক হয়েছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামসহ মেটার বেশির ভাগ প্ল্যাটফর্ম। এর...
অবশেষে এক ঘণ্টা পর সচল ফেসবুক

ফেসবুক সমস্যা? সমাধান মিলবে যেভাবে

ফেসবুক আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও, মাঝেমধ্যেই এতে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। তবে...
ফেসবুক সমস্যা? সমাধান মিলবে যেভাবে
X
UPCOMING
Germany VS Ivory Coast
Scheduled
21 Jun, 02:00 AM
VS
World Cup