বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের মধ্যে ঢাকায় এসেছেন ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র) এর প্রধান পরাগ জৈন। চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে
হাদির খুনি ও হাসিনাকে দ্রুত ফেরত দেবে ভারত, আশা বাংলাদেশের
এক বছরে বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ল ৩৪ শতাংশ
চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
তিন গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
'ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে'
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল...
এসএসসির ফলে ধস, একাদশে খালি থাকবে সাড়ে ১৩ লাখ আসন
চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কলেজগুলোতে প্রায় ২৫ লাখ আসন রয়েছে। তবে এসএসসি ও...
এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা...
এসএসসি ফলাফল / জিপিএ-৫ এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬, কোন বোর্ডে কত?
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা...
১১ শিক্ষকের ১১ পরীক্ষার্থী, একমাত্র পাস করা শিক্ষার্থীর নাম জানেন না প্রধান শিক্ষক
স্কুলটির ৩৮২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৮২ জনই জিপিএ ৫
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড...
ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ / ৫৬ পরীক্ষার্থীর ৫৫ জনই জিপিএ-৫
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলছেন, জামায়াত ইসলামী রংপুরে বেশিসংখ্যক আসন পাওয়ায় তাদের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এটা রংপুরের মানুষ মেনে নেবে না।
মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য সামনে দিকে আর হাত বাড়াবেন না, আর পা বাড়াবেন না। পরিনিতি ভালো হবে না। আপা যে পথে হেঁটেছেন আপনারও সেই পথে হাঁটছেন। এভাবে চললে টিকে থাকতে পারবেন না।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যারাই যাবে, তাদের এই দেশে থাকা হবে না। এই পথ পালানোর পথ। দেশের মানুষ আর দিল্লির খবরদারি মেনে নেবে না।
বিরোধীদলী নেতা বলেন, যুবকরা এখন প্রতিবাদ করা শিখিয়েছে। বিএনপি ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা চালিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা শুরু করছে। যারা ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা চালিয়ে এখন ‘না’ বলছেন, তারাই একদিন এই দেশ থেকে নাই হয়ে যাবেন। জনতার রায়কে অগ্রাহ্য করে অতীতে কেউ টিকে থাকতে পারেনি, সামনেও কেউ টিকতে পারবে না।
নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যের জায়গাটাকে অনেকেই মধুর চাক মনে করেন। ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে সব জায়গায় চুরি-চামারি ও লুটপাট শুরু হয়েছে। চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করতে হবে, দুর্নীতিবাজদের হাত বন্ধ করতে হবে। দেশের জন্য একবার নয়, শতবার রাজপথে নামবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দুই শিবির কর্মী হত্যার সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা চাই না, ক্ষমতার লোভে আর কোনো মায়ের কোল খালি হোক। গায়ে পারা দিয়ে ঝগড়া বাজাতে আসবেন না।
গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়ারেজের সভাপতিতে সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া জেলা আমির আব্দুল হক, গাইবান্ধা জেলা আমির আব্দুল করিম এমপি, গাইবান্ধা জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কাজামী প্রমুখ।
এর আগে, শহীদ শিবির কর্মী সাইফুল্লাহ বারী ও জামায়াত কর্মী সালাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। পরে তাদের কবর জিয়ারত করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।
সোমবার (১০ আগস্ট) জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি নির্বাচনী কর্তার দপ্তর থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে।
এর আগে, গতকাল রোববার রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য কর্নেল অলি আহমদের নাম ঘোষণা করে ১১ দলীয় ঐক্য।
বিস্তারিত আসছে...
পতিত শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পালানোর বিষয়ে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডার জবাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মন্ত্রী গোলাম মোর্তজা। তিনি দাবি করেন, ‘হাসিনা পালিয়েছে। এবং যে কোনো বিবেচনায় তার এই দেশ ছাড়াটাকে পালানো বলে।’
সোমবার (১০ আগস্ট) মধ্যরাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া দীর্ঘ এক পোস্টে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলিসহ বিভিন্ন জনের বক্তব্যের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।
শেখ হাসিনা ছদ্মবেশে বা রাতের আঁধারে পালাননি বরং দিনের আলোয় দেশ ছেড়েছেন বলে যারা দাবি করেন, তাদের উদ্দেশ করে তিনি পোস্টে বলেন, ‘পালানোর অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সড়কে বের করে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। তারপর চুপিসারে গণভবন থেকে বেরিয়ে বাণিজ্য মেলার মাঠ থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকা বিমানবন্দর সংলগ্ন বিমান ঘাঁটিতে গেছে। গোপণে বিমান বাহিনীর উড়োজাহাজে দেশ ছেড়েছে। আকাশে উড়েই তার উড়োজাহাজ যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।’
গোলাম মোর্তজা বলেন, হাসিনা ঘোষণা দিয়ে হেলিকপ্টার বা উড়োজাহাজে ওঠে নাই। পালিয়ে- লুকিয়ে উঠেছে। এর আগে এভাবে কোনোদিন গণভবন থেকে বের হয় নাই। হ্যাঁ,সামরিক বাহিনীর একটি অংশ পালানোয় তাকে সহায়তা করেছে। চোর- ডাকাত বা সন্ত্রাসীরা যখন পালায়,তখন কিছু মানুষ তাদেরকে নানা কারণে গোপণে সহায়তা করে। মোমেন,হাছান মাহমুদ, ও.কাদের,বেনজীর,শামীম ওসমানদের পালানোতেও কেউ কেউ সহায়তা করেছে। পালানোতে সহায়তা করলেই বলা যায় না যে,তাকে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে দেওয়া হয়েছে বা রেখে আসা হয়েছে।
‘হাসিনা পালায় নি বলা যেত, যদি ডামি গাড়িবহর বের করে ধোঁকা দেওয়া না হতো, যদি ঐ গাড়িবহর নিয়ে নিত্যদিনের মত বিমানবন্দর বা বিমান ঘাঁটিতে যেত বা যদি ঘোষণা দিয়ে বলা হতো, গণভবন থেকে হেলিকপ্টারে বিমান ঘাঁটিতে এবং সেখান থেকে উড়োজাহাজে চলে যাবে। এই সাহস হাসিনার ছিল না।’
সিরিয়ার বাশার আল আসাদ এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি বিপ্লবের পর বিমান-হেলিকপ্টারে পলায়ন ও সামরিক বাহিনীর সহযোগীতা কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামরিক বাহিনীর সহযোগীতায় হেলিকপ্টারে স্বৈরশাসকদের পালানোর বহু নজীর আছে। হাসিনার পালানোও তেমন একটি নজীর।
তিনি আরও বলেন, হাসিনার কল রেকর্ডে প্রমাণ রয়ে গেছে,স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করে পালানোর যোগাযোগ সে নিজে করেছে। তাকে জয় বা রেহানা বুঝিয়েছে, ওমুক রাজি করিয়েছে, এটা স্রেফ প্রোপাগান্ডা।
পোস্টের শেষে তিনি জানান, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দর কষাকষির শর্ত হিসেবেও যদি হাসিনাকে দেশ ছাড়ার সুযোগ দেওয়া হতো, তাহলে হয়তো বলা যেত যে সে পালায় নি। হাসিনার ক্ষেত্রে তা হয় নি। বরং আন্দোলনকারীদের ভয়ে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নিয়ে হাসিনা পালিয়েছে।
দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীলদের সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, কোনো পরিস্থিতিতে উত্তেজিত না হয়ে ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।
রোববার (৯ আগস্ট) জামায়াতে ইসলামীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ৬ থেকে ৮ আগস্ট গাজীপুরের একটি মিলনায়তনে জেলা ও মহানগর আমির এবং নায়েবে আমিরদের নিয়ে তিন দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, সংগঠনের দায়িত্বশীল ও রুকনদের নিজেদের অবস্থান মূল্যায়ন করতে হবে। আল্লাহ মুসলমানদের বিভিন্ন বিপদ দিয়ে পরীক্ষা করেন। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ঈমান মজবুত করার পাশাপাশি সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
জামায়াতের ত্যাগ ও কুরবানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সংগঠনের শীর্ষ কয়েকজন দায়িত্বশীলকে আল্লাহ তার কাছে তুলে নিয়েছেন। নেতাকর্মীদের ত্যাগের ফলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে অতীতের বাস্তবতা বিবেচনায় নিজেদের আরও প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সতর্ক করে জামায়াত আমির বলেন, সংগঠনের আস্থার জায়গায় কেউ আঘাত করলে তা উপেক্ষা করা হবে না। সর্বোচ্চ নৈতিক মানে পৌঁছানো সম্ভব না হলেও ন্যূনতম নৈতিক মান অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। কোনো বিষয়ে সন্দেহ থাকলে তা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, ‘শয়তান সংগঠনের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।’ তাই একে অন্যের প্রতি খেয়াল রাখা এবং অভ্যন্তরীণ ফেতনা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রার্থীর হালাল রুজি, পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনার ওপরও গুরুত্ব দেন ডা. শফিকুর রহমান।
ভারতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিবেশীর অধিকারকে জামায়াতে ইসলামী স্বীকার করে। তবে বাংলাদেশের ওপর জুলুম মেনে নেওয়া হবে না। একটি দেশ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে দাবি করে তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে উত্তেজিত না হয়ে ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। পাশাপাশি দায়িত্বশীলদের বক্তব্য দেওয়ার সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, বিদেশিরা বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যে পণ্য কিনতে বাধ্য করা এবং দেশের সম্ভাবনাগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তার দাবি, সাম্রাজ্যবাদীদের অন্যতম হাতিয়ার গণমাধ্যম। শিক্ষাব্যবস্থা ও সংস্কৃতির ওপরও এর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা রয়েছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্ব পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিশ্ব অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মুসলিম বিশ্ব সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে। বৈশ্বিক আগ্রাসন ও ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পররাষ্ট্রনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সব দেশের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্মান ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন জামায়াত আমির।
সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সমাজ একটি আমানত। সমাজের বড় সমস্যাগুলোর দিকে নজর দিতে হবে এবং মানুষের জন্য শক্ত আশ্রয় তৈরি করতে হবে। সুদ, ঘুষ, ব্যবসা-বাণিজ্যে অনিয়ম ও মানুষের মর্যাদায় আঘাতের মতো সমস্যার সমাধানে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংগঠনকে বিতর্কিত করতে বিভিন্ন ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে প্রচার করা হচ্ছে। এসব পরিস্থিতিতে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে সততা, মানবিকতা ও নৈতিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
শিক্ষাশিবিরে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি সরকার ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকর না করায় জনগণের সঙ্গে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জনগণ হতাশ। পরিবর্তনের প্রত্যাশায় মানুষ জামায়াতে ইসলামীর দিকে তাকিয়ে আছে। এ প্রত্যাশা পূরণে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের সততা, যোগ্যতা ও নৈতিকতার মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে হবে।
তিন দিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরে কোরআন ও হাদিস স্টাডি ক্লাস, পুস্তক পাঠ এবং বিষয়ভিত্তিক গ্রুপ আলোচনায় অংশ নেন দলটির দায়িত্বশীলরা।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে বিরোধের জেরে দায়ের করা দ্রুত বিচার আইনের মামলায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সেক্রেটারিসহ তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রোববার (৯ আগস্ট) ময়মনসিংহ জেলা জজ আদালতে মামলার ধার্য তারিখে হাজির হয়ে আসামিরা জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া তিন আসামি হলেন—ফুলবাড়িয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ফজলুল হক শামীম, উপজেলা সেক্রেটারি ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য, শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ও আলহেরা একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ।
আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দ্রুত বিচার আইনের মামলায় হাজিরা দিতে এলে আদালত তিন আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুলবাড়িয়ার কাহালগাঁও এলাকায় মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে বিরোধের জেরে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় আব্দুল কাইয়ুম তালুকদার বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন। মামলায় স্থানীয় সংসদ সদস্য (ময়মনসিংহ-৬) কামরুল হাসান মিলনের ভাইসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার ধার্য তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সংসদ সদস্যের ভাইসহ কয়েকজন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
এদিকে মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে বিরোধের মামলায় উপজেলা জামায়াতের শীর্ষ তিন নেতাকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় ফুলবাড়িয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।
উপজেলার কাহালগাঁও বাজারের পাশে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রতিষ্ঠান লেয়ার মুরগি লালন-পালন করছে। সেখানকার মুরগির বিষ্ঠার ভাগ নিয়ে চলতি বছরের ৭ এপ্রিল রাতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই মুরগির বিষ্ঠা দিয়ে মাছের খাবার তৈরি করা হয় বলে জানা যায়।
হামলার সময় হাতবোমা বিস্ফোরণ, ব্যাংকের তালা ভেঙে টাকা লুট, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুরও করা হয় অভিযোগ রয়েছে।
পরদিন ৮ এপ্রিল উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম তালুকদার বাদী হয়ে জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৮ জনের নাম দিয়ে এবং অজ্ঞাত আরও ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
গুপ্ত বাহিনী আর স্বৈরাচার মিলে দেশের উন্নতি থামিয়ে দিতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সমাবেশ ও বন্যা দুর্গতদের মাঝে সরকারি সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে কিছু রাজনৈতিক দল আছে যারা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। যেভাবে তারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, ১৯৮৬ সালে যারা স্বৈরাচারের সঙ্গে মিলে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় বেইমান হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছিল। সেই গুপ্ত বাহিনী আর স্বৈরাচার মিলে দেশের উন্নতিকে থামিয়ে দিতে চায়।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় দল বিএনপি। বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সামনে এগোতে চায়। দেশের জ্বালানি খাত নিয়ে বিএনপির নতুন পরিকল্পনা আছে।’
তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছিল। কারণ মানুষ জানে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে বিএনপি। আপনারা দেখেছেন শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কী পরিবর্তন হয়েছে, কীভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। আপনারা আবারও আমাদের দেশ পরিচালনার সুযোগ দিয়েছেন। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।’
অনেক দেশ আমাদের সঙ্গে স্বাধীন হয়ে অনেক এগিয়ে গেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘কিন্তু আমরা বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়েও সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। আজ আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, দেশের উন্নয়নে কোনও বাধা মানবো না।’
সমাবেশে উপস্থিত হওয়ার আগে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল মাদ্রাসায় হেফাজতের সাবেক আমির আহমেদ শফির কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।
চলতি বছরের ডিসেম্বরে অথবা আগামী বছরের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হতে পারে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল। আর সেই কাউন্সিলেই দলের বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহাসচিব পদে থাকছেন না—এমন ইঙ্গিত তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে অনেক আগেই দিয়েছিলেন। ফলে নতুন মহাসচিব কে হচ্ছেন, তা নিয়ে বিএনপির অভ্যন্তরে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
এরই মধ্যে আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এ নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিএনপি থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ের বিষয়টি মোটামুটি নিশ্চিত।
২০১১ সালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০১৬ সালে তিনি পূর্ণাঙ্গ মহাসচিবের দায়িত্ব নেন। আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে ছয়বার কারাবরণ করেন বিএনপির এই প্রবীণ নেতা। প্রায় দেড় দশক মহাসচিবের দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সময়ে তাকে পরিবর্তনের গুঞ্জন উঠলেও সজ্জন ব্যক্তি ও ক্লিন ইমেজের কারণে তার বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে দলের জন্য।
বিএনপির অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিভিন্ন সময়ে দলের প্রথম যুগ্ম মহাসচিবকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ার পর পরবর্তী সময়ে তাকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে। পরে কাউন্সিলে তাকে ভারমুক্ত করা হতে পারে।
যে কারণে আলোচনায় রিজভী
নতুন মহাসচিব হিসেবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। দলটির নেতাকর্মীরা মনে করেন, সারা দেশের জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা সম্পর্কে রিজভীর ধারণা রয়েছে। দীর্ঘদিন দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি সরকারবিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তিনি সক্রিয় ছিলেন। বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিভিন্ন সময় দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
আরও যাদের নাম আলোচনায়
এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানির নামও আলোচনায় রয়েছে।
দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা বলেন, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে প্রায়ই তৃণমূলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দূরত্ব তৈরি হয়। তাই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হলে তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে—এমন পরীক্ষিত নেতাকেই মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য নাম-পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, ‘আমাদের চেয়ারম্যান যেহেতু রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী, তাই মহাসচিবই দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন। সে ক্ষেত্রে তৃণমূলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই—এমন কাউকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে তা সংগঠনের জন্য বুমেরাং হতে পারে।’
তৃণমূল চায় কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা দলের সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত, তৃণমূলের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং কর্মীবান্ধব কাউকে মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান। তাদের মতে, নতুন মহাসচিবকে সারা দেশের নেতাকর্মীদের সম্পর্কে ধারণা রাখার পাশাপাশি সাংগঠনিক সক্ষমতাও থাকতে হবে।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘বিষয়টি আপেক্ষিক। স্বাভাবিকভাবে দল ও দেশের জন্য যেটি ভালো হবে, সেটিই করা হবে। তবে মহাসচিব নির্বাচনের ক্ষেত্রে ত্যাগী, বিচক্ষণ ও অভিজ্ঞ কাউকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে।আমরাও শুনেছি মির্জা ফখরুল সাহেব আর মহাসচিব পদে থাকতে চান না।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘আমাদের চেয়ারম্যানের (তারেক রহমান) পছন্দ এবং তার সঙ্গে অ্যাডজাস্ট হতে পারে এবং দল ও দেশের জন্য কার্যকর এমন কাউকেই মহাসচিব করা হবে। তুলনামূলক তরুণ কেউ এ পদে আসারও সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মীবান্ধব নেতাকেই এ পদের জন্য বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতাসীন দলে সংগঠন এবং সরকারের মধ্যে ক্ষমতার সঠিক ভারসাম্য রক্ষা করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। বিএনপির বর্তমান প্রেক্ষাপটে মহাসচিব পদটি কেবল একটি পদবি নয়, বরং পুরো তৃণমূলের নেটওয়ার্ক ধরে রাখার মূল চালিকাশক্তি। রুহুল কবির রিজভীর সুবিধা হলো—দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় কার্যালয় সামলানোয় সারা দেশের নেতাকর্মীদের সাথে তার নিবিড় সংযোগ রয়েছে, যা রাজপথের সংগ্রাম থেকে ক্ষমতাসীন দলে রূপান্তরের সময় বিএনপিকে নতুন সাংগঠনিক গতি দিতে পারে।
সূত্র : এশিয়া পোস্ট
রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মূলধারার গণমাধ্যমে। তবে, বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও ঘোষণা দেয়া হয়নি।
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মির্জা ফখরুল নিজেই জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে তাকে মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
রোববার ( ৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র দুটি সংগ্রহ করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
বিএনপির সূত্র বলছে, ১৯৯১ সালে সবশেষ রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হয়েছিল। ৩৫ বছর পর আগে সেই নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচনে লড়েছিলেন মির্জা ফখরুল। যিনি এবার রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রথম পছন্দ। ২০ আগস্ট যে ভোট হবে তার কেন্দ্রে থাকবেন তিনিই।
১৯৯২ সালে মির্জা ফখরুল বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। একইসঙ্গে জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মির্জা ফখরুল ১৯৯১ সালে পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচন করে হেরে গেলেও, থেমে যাননি। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে জয়লাভ করে প্রথমবার সংসদে যান ঠাকুরগাঁওবাসীর কথা বলতে। শুধু প্রখর ব্যক্তিত্বের কারণে ঠাঁই পান খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায়।
প্রথমে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তন্নতন্ন করেও বের করতে পারেনি ওয়ান ইলেভেনের সরকার।
মির্জা ফখরুল ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েও, রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় নিজের ব্যক্তিগত ইমেজের রাজনীতি করে যান। তবে তার ঘাড়ে দায়িত্ব পরে বিএনপি সামলানোর। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব পদে নির্বাচিত হন। ২০১১ সালের ২০ মার্চ বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব, মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করার পর দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করেন। পরে ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলটির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ভারমুক্ত হয়ে মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন। এখন পর্যন্ত সেই দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন এবং ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
১১ শিক্ষকের ১১ পরীক্ষার্থী, একমাত্র পাস করা শিক্ষার্থীর নাম জানেন না প্রধান শিক্ষক
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মৈশানী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছেন মাত্র একজন।
অথচ প্রতিষ্ঠানটিতে
যে ফল নিয়ে আনন্দ করার কথা, সেটিই এখন রেজার পরিবারের বেদনা
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগের দিনই না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে হবিগঞ্জের বাহুবলের এক শিক্ষার্থী।...
ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ / ৫৬ পরীক্ষার্থীর ৫৫ জনই জিপিএ-৫
ভারতের ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা অভিমুখে মিছিল শুরু করবেন শিক্ষার্থীরা। ১৭তম দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
কলম্বিয়ার সাথে হারের পর কোচ রবার্তো মার্তিনেজের সাথে বিমর্ষ রোনালদোরা।
বিড়ালকে সঙ্গে নিয়ে জাপান ভক্তের ম্যাচ উদ্যাপন
নিজের অষ্টম জন্মদিনে রোনালদোর অটোগ্রাফের জন্য ভক্তের আবদার
প্রিয় দলকে উৎসাহ দিতে বর্ণিল সাজে আর্জেন্টিনার ক্ষুদে ভক্ত
Share
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
ছবিতে বিশ্বকাপ
ব্যাংককে সাফা, রইল ৭টি ছবি
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান