একীভূত শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা এখন থেকে চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন।
আগে শুধু আমানতকারীর নিজের চিকিৎসার জন্য এই টাকা উত্তোলনের সুযোগ থাকলেও,
ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
বৃষ্টি নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস
‘যুগে যুগে ভাইয়েরা এভাবেই বোনদের জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে’
২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
১৪৪ ধারার আড়ালে হামলাকারীদের পালানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে: নাহিদ
বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভাকে কেন্দ্র করে পৌর বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের...
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খানকে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ
১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হবিগঞ্জে সমাবেশে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সীমান্তে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এনসিপির নেতাকর্মীরা।
পরে সন্ধ্যায় ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ একাধিকবার বাধা দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যারিকেড অতিক্রমের সময় সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতুর সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হলে সারজিস আলম এগিয়ে আসেন। আরেকটি ভিডিওতে একই পরিস্থিতিতে এনসিপির শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলামকেও সামনে এসে দাঁড়াতে দেখা যায়।
এই ঘটনার দুটি স্থিরচিত্র উচ্চ রেজুলেশনে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন মাহমুদা মিতু।
ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, যুগে যুগে ভাইয়েরা এভাবেই বোনদের জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। এই দুটি ছবি দেখার পর আমি আর চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না।”
এদিকে, হবিগঞ্জে প্রবেশের চেষ্টা চলাকালে ঘটনাস্থলের পাশের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ।
পরে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে অস্থিরতা কিছুতেই কাটছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং জোটের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে শরিকদের অবমূল্যায়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে একের পর এক শরিক দল জোট থেকে দূরত্ব তৈরি করছে। এরই মধ্যে জোট ছেড়েছে কয়েকটি শরিক দল।
তবে এমন পরিস্থিতিতেও জোট ছেড়ে যাচ্ছে না জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির শীর্ষ পর্যায়ে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চললেও এখনই জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়নি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে জোটের অন্যতম শরিক এনসিপির ভেতরেও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে দলটির নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ মনে করছে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জোটে থেকেই সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানো এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া বেশি কার্যকর হবে। ফলে অন্তত আপাতত জোটে থাকার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে দলটি।
এনসিপি নেতারা এনপিবি নিউজকে জানান, এনসিপির ৫১ সদস্যের নির্বাহী কমিটি হলো সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ। যে কোনো সিদ্ধান্ত এই পরিষদে অনুমোদন হলেই বাস্তবায়ন হবে এনসিপিতে। জামায়াত জোট ছাড়ার বিষয়ে কোনো ধরনের সামান্যতম আলোচনাও এই ফোরামে হয়নি। জুলাই পদযাত্রা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এনসিপি নেতারা। অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটেরও চলছে কর্মসূচি। এমতাবস্থায় জোট ছাড়ার আলোচনা একটি অপ্রাসঙ্গিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চটুল আলাপ। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন জোটবদ্ধভাবে হবে নাকি দলীয়ভাবে একক সিদ্ধান্তে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তফসিল ঘোষণা হলে সিদ্ধান্ত জানা যাবে।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ১১ দলীয় জোট এনসিপি না ছাড়লেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতকে চাপে রাখার কৌশল এঁটেছে দলটি। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতকে চাপে রেখে ঢাকার একটি সিটি এবং গাজীপুর, কুমিল্লা ও সিলেট সিটির মধ্যে একটি নিশ্চিত করতে চায় দলটি। জাতীয় নির্বাচনের পূর্বেই দুটি সিটির বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির মৌখিক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে জামায়াত প্রতিটি সিটিতে নিজেদের প্রার্থী চূড়ান্ত করায় এনসিপির একটি অংশ জোট ছাড়ার পক্ষে মতামত দিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত সিটি নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
১১ দলীয় জোট সূত্র জানায়, আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না দিলেও জোটের সব কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। দলটি গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন-পরবর্তী সময় থেকেই ১১ দলীয় ঐক্যের কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে না। অন্যদিকে আবদুল বাছিত আজাদের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস শুরুতে জোটের কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকলেও সম্প্রতি ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগীয় সমাবেশ বর্জন করে। সর্বশেষ সিলেটের ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশেও অংশ নেয়নি দলটি। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, আপাতত তারা জোটের কোনো কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকবেন না। ফলে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রধান বিরোধী জোট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা এই রাজনৈতিক জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটটি গঠিত হলেও আসন বণ্টন নিয়ে চরম অসন্তোষ দেখা দেয়। এছাড়া জোটের ভবিষ্যৎ কাঠামো, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে শরিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমুখী অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নেজামে ইসলাম পার্টিসহ আরও দু-একটি দল জোট ছাড়ার বিষয়ে ভাবছে। একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃত্বে কওমি মাদ্রাসার ঘরানার সাতটি দলকে নিয়ে জোট গঠনের উদ্যোগও রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
গত শনিবার অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে খেলাফত মজলিস আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের সব ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে দলটি। বৈঠক শেষে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত একটি নির্বাচনী সমঝোতা ছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সেই সমঝোতার কার্যকারিতা বাস্তবে শেষ হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে বৃহত্তর কোনো রাজনৈতিক ঐক্যের প্রয়োজন হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এর আগে গত ১৩ জুন চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশের পর খেলাফত মজলিস আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানায়, ভবিষ্যতে কোনো সমাবেশের ব্যানার বা প্রচারণায় তাদের দল কিংবা নেতাদের নাম ব্যবহার না করার।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এনপিবি নিউজকে বলেন, এনসিপি জামায়াত জোট ছেড়ে যাবে এমন কোনো আলোচনা হয়নি। আর কয়েকটি দল জামায়াত জোট ছেড়েছে, এমন খবরও সত্য নয়। একটি দলের কিছু লোক চলে গেলেও তাদের একটি অংশ এখনও রয়েছে। আর কেউ যদি কর্মসূচিতে অংশ না নেয়, তার মানে তো এমন নয় যে তারা জোটে নেই। কোনো কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া না নেওয়ার স্বাধীনতা তাদের রয়েছে।
হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জারি থাকা ১৪৪ ধারার কারণে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের উপর হওয়া হামলার অভিযোগ অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ক্যাম্পে বসেই আগের দিনের হামলার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেন দলটির নেতারা।
এর আগে বিকেলে হবিগঞ্জ শহরে ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা জেলার উদ্দেশ্যে রওনা হলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রথমে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। পরে তারা হবিগঞ্জের দিকে অগ্রসর হলে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া এলাকায় পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের বহর আটকে দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থান নেয় প্রশাসন।
এনসিপির নেতাদের দাবি, আগের দিনের হামলার ঘটনায় তারা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়ের করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকায় পুলিশ তাদের শহরে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। দীর্ঘ আলোচনা শেষে কামাইছড়া পুলিশ ক্যাম্প থেকেই অনলাইনের মাধ্যমে অভিযোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে অভিযোগ গ্রহণের সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, মাহমুদা মিতু, সারোয়ার তুষারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ গ্রহণ শেষে নাহিদ ইসলাম ও নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
পুলিশ জানায়, হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকায় জনসমাবেশ, মিছিল ও শোভাযাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সম্ভাব্য সংঘর্ষ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় এনসিপির নেতাকর্মীদের শহরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তবে অভিযোগ গ্রহণের বিষয়ে আইনি কোনো বাধা না থাকায় অনলাইনের মাধ্যমে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হল এলাকায় পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সাংবাদিকসহ এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে এনসিপি।
এদিকে এনসিপির বিক্ষোভ কর্মসূচি এবং বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশঙ্কায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি. এম. সরফরাজ হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করেন। আদেশ অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পৌর এলাকার নির্ধারিত স্থানে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েত, সভা-সমাবেশ, মিছিল, বিক্ষোভ ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো বস্তু বহনেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়াতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে এনসিপি নেতারা জানিয়েছেন, হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিচারের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
গত ২৮ জুলাই হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলা এবং ২৯ জুলাই মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে বিভিন্ন স্থানে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দকে পুলিশ কর্তৃক বাধাদান ও হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।
বুধবার (২৯ জুলাই) ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ এ প্রতিবাদ জানাই।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ২৮ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ’জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতৃবৃন্দের গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। ওই হামলার প্রতিবাদে ২৯ জুলাই বুধবার হবিগঞ্জে এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে ১৪৪ ধারা জারি করে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলসহ বিভিন্ন স্থানে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক জনাব নাহিদ ইসলাম এমপিসহ এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের পুলিশ কর্তৃক আটকে দেয়া গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের শামিল। আমরা এই ধরণের আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দায়ীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে জনগণ, রাজনৈতিক দল বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। রাজনৈতিক বক্তব্যের কারণে কারো ওপর হামলার স্থান গণতন্ত্রে নেই। কারো বক্তব্য যদি আক্রামনাত্মক হয়, তবে এর জবাব রাজনৈতিকভাবে দিতে হবে। কিন্তু কথার জবাব সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেওয়া পূর্বের ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। সরকার রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের উপর সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়েছে। হবিগঞ্জে বিএনপির যেসব নেতাকর্মী আইন হাতে তুলে নিয়ে এনসিপি নেতৃবৃন্দের উপর হামলা চালিয়েছে, অবিলম্বে সেসব সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর সরকার বিরোধীদলের রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করে নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করেছে। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ভবিষ্যতে বিরোধী দলের যেকোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত না করার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নতুন প্রত্যাশার বাংলাদেশে অতীতের মতো দলদাস না হয়ে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
আজ বুধবার (২৯ জুলাই) দলের দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এ উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার বিষয়ে মান্না বলেন, আমরা বিরোধী মত দমনের আওয়ামী আচরণে ফিরতে চাই না। এই ধরনের ঘটনা সরকার এবং সরকারি দলকে শুধুমাত্র বিরোধী দল নয় বরং জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করাবে। আমরা এমন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো ওপরে হামলা হবে না, কাউকে অবরুদ্ধ হতে হবে না; গুম, খুন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড থাকবে না। নিজের দলের অপরাধীদের বিরুদ্ধেও সরকার ব্যবস্থা নিবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।
গণতন্ত্র মঞ্চের এই শীর্ষ নেতা বলেন, এই ধরনের হামলা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একইসাথে, তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা একটি গাড়ি নিয়ে পাঁচজন শুধু হবিগঞ্জে যাব। হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না। আমাকে যদি হবিগঞ্জের মানুষ মারে, তবে আমি ধরে নেব যে, এটি আমার কামাই।’
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে মিরপুর-শ্রীমঙ্গল সড়কে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় তাদেরকে আটকে দেয় পুলিশ। এ সময় তিনি এ ঘোষণা দেন।
পুলিশি বাধার একপর্যায়ে এনসিপি নেতাকর্মীরা রাস্তায় বসে পড়েন। তখন রাস্তার দুপাশে বিপুল পরিমাণ যানবাহন আটকা পড়ে। এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়।
পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে এনসিপির নেতাকর্মীদের হবিগঞ্জে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ কারণেই তাদেরকে মূলত আটকানো হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওয়ানা হন। তারা প্রথম দফায় শ্রীমঙ্গলের মুছাই এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়। পরে দীর্ঘক্ষণ ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডার পর তারা সেখান থেকে অতিক্রম করেন।
এরপর হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় আবারও আটকে দেওয়া হয় এনসিপি নেতাদের। তখন ফের তাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডা হয়।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধা পেরিয়ে হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় ফের বাধার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা।
দীর্ঘ সময় পুলিশের সঙ্গে কথা বলার পরও নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে তাদের সড়কে আটকে রাখা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় এনসিপি নেতাকর্মীদের আটকে দেয় পুলিশ। একপর্যায়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ রাস্তায় বসে পড়েন।
এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, হবিগঞ্জে আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল গতকালকের হামলার বিরুদ্ধে। প্রথমে আমাদের মৌলভীবাজারে বাধা দিয়েছে। তারপর কয়েক দফায় বালুর ট্রাক, ট্রাক্টর ইত্যাদি গাড়ি দিয়ে বাধা দিয়েছে। এরপর এখানে পুলিশ আটকে রেখেছে। পেছনে শত শত ছাত্রদলের সন্ত্রাসী আছে।
তিনি বলেন, আমরা বলেছি- যেহেতু ১৪৪ ধারা জারি করেছে, আমরা আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ সব কিছুকে সহযোগিতা করে শুধু যাবো, মামলা করবো, আহতদের দেখবো, তাদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে আমরা চলে আসবো। প্রয়োজনে আপনারা (পুলিশ) যতজন বলবেন আমরা ততজন যাবো। আমাদেরকে সহযোগিতা করুন, আমরা এখানে কোনো অশান্তি চাই না। এখানে কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি নেই। তারা (পুলিশ) আমাদেরকে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে। তারা আমাদের যেতে দেবে না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা এখানে বসে থাকবো। আমরা আসছি ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে মামলা করবো, তারপর যাবো।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের চা কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় সড়ক বন্ধ করে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়। এ সময় গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সাথে কথা বলতে দেখা যায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতুকে। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।
মৌলভীবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার শ্রীমঙ্গল সার্কেল মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদেরকে আটকে দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক দলের মত প্রকাশ সভ্য ভাষায় হওয়া উচিত জানিয়ে ধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, উসকানিমূলক অস্রাভ্য ভাষায় বক্তব্য গণতন্ত্রের পরিবেশ নষ্ট হয়।
হবিগঞ্জের হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা চাই, দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক। রাজনৈতিক দল-মত প্রকাশ করবে। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে মতপ্রকাশের একটা সভ্য মান থাকা উচিত। সভ্য ভাষা ও শব্দ ব্যবহার করা উচিত।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, রাজনীতিতে পারশপরিক আলাপ-আলোচনা ও বিতর্ক থাকবে তবে সেটা যেন সংঘাতের দিকে না যায়। সেজন্য সবাইকে সহনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত উসকানিমূলক বক্তব্য, অশ্রাব্য ভাষা এবং মিথ্যা অপপ্রচার গণতন্ত্রের বিকাশ এবং একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ গঠনের জন্য কখনোই সহায়ক হতে পারে না। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করতে হলে সবাইকে সংযম, সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিতে হবে। একই সঙ্গে এমন আচরণ ও পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, যাতে পারস্পরিক আলোচনা, সমালোচনা ও মতবিনিময় কোনোভাবেই সংঘাত বা বিভেদের দিকে না গড়ায়।
তিনি বলেন, ১৭ বছরের নিরন্তর সংগ্রামের মধ্যে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার বিস্ফোরণ ঘটে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ ও প্রতিবাদ একটি জাতির স্মরণীয় ইতিহাস। অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী ও কিশোর-কিশোরীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এ দীর্ঘ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল বাক্-স্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শুরু হওয়া এবং পরবর্তী সময়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় যে রাজনৈতিক পটভূমি তৈরি হয়েছিল, তার ওপর ভিত্তি করেই ছাত্র-জনতা, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষের ঐতিহাসিক গণজাগরণ গড়ে ওঠে।
রিজভী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ৫ আগস্ট। যেদিন স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের পতন ঘটে। ৩৬ দিনের এ রক্তঝরা আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে গত বছরের মতো এবারও বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি জুলাইয়ের পটভূমি তৈরি হয়েছিল। জুলাইকে বিএনপি যথাযথ ভাবে স্মরণ করে এবং শ্রদ্ধা করে। গত বছরের ন্যায় এবার ও এই দিনটিকে পালন করবে বিএনপি। ৪ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা করবে বিএনপি। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান থাকবেন বলে জানান তিনি।
একীভূত শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা এখন থেকে চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন।
আগে
সিলেটের ৫টি উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে
বাঁহাতি ‘চায়নাম্যান’ বোলার থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন
নিজ ক্যাম্পাসে দুর্ঘটনায় ২৮ বছরের পিএইচডি গবেষকের মৃত্যু
ভারতের চণ্ডীগড়ে অবস্থিত পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জ্যোতি (২৮) নামে এক তরুণী পিএইচডি গবেষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও পারমাণবিক কর্মসূচি
কোলম্বিয়ার রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্রের সাবেক অভিনেত্রী দেইসি আলেখান্দ্রা ওমানিয়া ওরতিজ। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশটির সিনেটের
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কিশোরগঞ্জে এক সমাবেশে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর
কলম্বিয়ার সাথে হারের পর কোচ রবার্তো মার্তিনেজের সাথে বিমর্ষ রোনালদোরা।
বিড়ালকে সঙ্গে নিয়ে জাপান ভক্তের ম্যাচ উদ্যাপন
নিজের অষ্টম জন্মদিনে রোনালদোর অটোগ্রাফের জন্য ভক্তের আবদার
প্রিয় দলকে উৎসাহ দিতে বর্ণিল সাজে আর্জেন্টিনার ক্ষুদে ভক্ত
Share
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
ছবিতে বিশ্বকাপ
ব্যাংককে সাফা, রইল ৭টি ছবি
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান