ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সদর ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সদর দপ্তর ধ্বংস করা হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্টার কমান্ড সেন্টকম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী।
তেহরানের গান্ধী হাসপাতালে বিমান হামলা
ইরানের নতুন নেতৃত্বের সাথে আলোচনায় বসতে রাজি ট্রাম্প
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে আজ দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
রোববার (১
মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বের সব রাষ্ট্রকে একত্রিত হয়ে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা।
রোববার (১ মার্চ) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সভায় তারা এ আহ্বান জানান। এ সভা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গায়েবানা জানাজার পর অনুষ্ঠিত হয়।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, আদর্শিক ভিন্নতা থাকতে পারে। কিন্তু এই আগ্রাসন, সাম্রাজ্যবাদ ও জায়নিজমের বিরুদ্ধে আমাদের এক হয়ে লড়াই করতে হবে। আজ ইরানে যে হামলা হচ্ছে, একসময় অন্য মুসলিম দেশগুলোতেও এমন হামলা ঘটতে পারে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
এসময় ডাকসু নেতারা আরও মন্তব্য করেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর কারণে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক ঘোষণা করা উচিত ছিল।
জুলাই গণহত্যা ও গুমের বিচার প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদারকির লক্ষ্যে ১৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রোববার (১ মার্চ) দলটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই মাসে সংঘটিত গণহত্যা ও গুমের ঘটনাগুলোর বিচার নিশ্চিত করতে দলের আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেন-এর নির্দেশক্রমে ‘জুলাই গণহত্যা ও গুমের বিচার পর্যবেক্ষণ বিষয়ক কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
কমিটির প্রধান করা হয়েছে হাসনাত আব্দুল্লাহকে। উপপ্রধান হিসেবে রয়েছেন মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
সদস্য হিসেবে আছেন কাজী রাইসুল ইসলাম, শারমিন সুলতানা, জাহিদ হাসান, মো. মাহবুব আলম, অ্যাডভোকেট খন্দকার রাকিব, অ্যাডভোকেট ওমর ডালী, অ্যাডভোকেট এরশাদুল বারী খন্দকার, অ্যাডভোকেট আমিনা আক্তার লাভলী, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, তামিম আহমেদ ও আরমান হোসাইন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রয়োজনে কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ জনসমক্ষে তুলে ধরবে।
আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলা এবং দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রোববার (১ মার্চ) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ইরান একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। যারা ইসলামের উত্থান সহ্য করতে পারে না, তারা ইসরাইলকে ব্যবহার করে ইরানকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অতীতে ইরানের পার্লামেন্টে হামলা, অর্থনৈতিক অবরোধসহ নানা ষড়যন্ত্রের পরও দেশটির অগ্রযাত্রা থামানো যায়নি।
তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ড এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যারা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলে, তারা কীভাবে একটি স্বাধীন দেশে হামলা চালিয়ে নিরীহ মানুষকে হত্যা করে?
জাতিসংঘের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত জাতিসংঘ যদি প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর পক্ষাবলম্বন করে, তবে বিশ্ববাসীর মধ্যে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসিকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ইতিবাচক বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের ঘোষণা দিয়েছে। তবে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় বিভিন্ন স্থানে দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ তুলে তিনি দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর, জাতীয় সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
সমাবেশ পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও ড. রেজাউল করিম। এ ছাড়া মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বহু কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইট থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিজয়নগর ও কাকরাইল হয়ে শান্তিনগর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রবিবার (১ মার্চ) এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতের সংবাদে আমি গভীরভাবে শোকাহত। শোকসন্তপ্ত ইরানি জনগণের প্রতি রইল আমার আন্তরিক সমবেদনা। মহান আল্লাহ তাদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ও শক্তি দান করুন।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতা ইতোমধ্যেই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। এই পরিস্থিতি যদি আরও সামরিক উত্তেজনার দিকে যায়, তবে তা শুধু একটি দেশের নয়- পুরো অঞ্চলের জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনতে পারে। পবিত্র রমজান মাসে যেকোনো ধরনের হামলা বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করবে এবং বিশ্বশান্তিকে আরও বিপন্ন করবে।’
শোকবার্তায় শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই- অবিলম্বে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করুন, সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করুন এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথে এগিয়ে আসুন। আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে জরুরি।’
বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ ও বিশ্বনেতাদের দ্রুত কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান জামায়াত আমির।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ‘বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলায়’ জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীর দুই স্থানে বিক্ষোভ করবে জামায়াতে ইসলামী।
রোববার বেলা ৩টায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং পরে মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে কেন্দ্রীয় ও মহানগরী নেতারা উপস্থিত থাকবেন। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।
অন্যদিকে একই ঘটনার প্রতিবাদে দুপুর পৌনে ২টায় রাজধানীর মহাখালী রেলগেট এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ এবং পরে মিছিল করবে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত। সেখানেও দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর নেতারা উপস্থিত থাকবেন। মহানগর উত্তর জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজারে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরের ভাই ও দলীয় কর্মী হাফিজুর রহমান নিহত হন। এ সময় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহত হাফিজুর রহমান (৫৫) স্থানীয় ‘ঢাকা জুয়েলার্স’-এর মালিক এবং পরিচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী ছিলেন।
শনিবার ইফতারের পর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কামিল মাদরাসা গেটের সামনে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় হাফিজুর রহমানকে ঢাকার কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন হাফিজুরের ছোট ভাই ও বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান। তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। জামায়াতের আরো তিন কর্মী আহত হয়ে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ন্যায়ভ্রষ্ট রায়কে কেন্দ্র করে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের নির্দেশে পরিচালিত দেশব্যাপী বর্বরোচিত গণহত্যার বিচার, নিহতদের স্বীকৃতি ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নৃশংস ও কলঙ্কিত অধ্যায়। সেদিন কথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত ও ন্যায়ভ্রষ্ট রায় ঘোষণার প্রতিবাদে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে আসে। কিন্তু শান্তিকামী জনতার ওপর তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের পুলিশ ও দলীয় সশস্ত্র পেটুয়া বাহিনী মারণাস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লে এক বর্বরোচিত গণহত্যার সূচনা হয়। স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে নিরস্ত্র মানুষের ওপর চালানো এই পৈশাচিক হামলায় সেদিন নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭০ জন শাহাদাত বরণ করেন। পরবর্তী কয়েক দিনের টানা রাষ্ট্রীয় সহিংসতায় এই সংখ্যা দেড় শতাধিক ছাড়িয়ে যায়, যা ছিল মূলত ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার এক সুপরিকল্পিত নীলনকশা।
তারা আরো বলেন, এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেন: ‘নিজের দেশের নাগরিকদের ওপর বর্বর হত্যাকাণ্ড চালিয়ে এই সরকার ক্ষমতায় থাকার সকল নৈতিক অধিকার হারিয়ে ফেলেছে।’ তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে ‘পৈশাচিক গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এছাড়াও হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা সেই সময় সরকারকে এই দমন-পীড়ন বন্ধের আহ্বান জানালেও ফ্যাসিস্ট সরকার তা উপেক্ষা করে। দুঃখজনক হলেও ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী সরকারের আমলেও শহীদ ও আহত পরিবারগুলো আজও ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত। এমনকি এই খুনিদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো বিচার প্রক্রিয়া শুরু না হওয়া জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও বিচারহীনতার চরম বহিঃপ্রকাশ।
ছাত্রশিবিরের শীর্ষ নেতারা স্পষ্টভাবে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে গিয়ে নিজ দেশের নাগরিকদের ওপর এমন সশস্ত্র হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রতিটি শহীদের রক্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের আর্তনাদ আজও বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান না করা পর্যন্ত জাতি এই কলঙ্ক থেকে মুক্ত হতে পারবে না।
শিবির নেতারা ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার কর্তৃক নিরস্ত্র জনতার ওপর সংঘটিত গণহত্যায় শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান, হত্যাযজ্ঞের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা এবং শহীদ ও আহতদের পরিবারে পুনর্বাসনের মাধ্যমে বিচারহীনতার কলঙ্ক থেকে জাতিকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
ইরানে যৌথভাবে হামলা করেছে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ হামলার পর ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানও।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে স্থায়ী ভাবে শান্তি কামনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ বার্তা দেন।
পোস্টে জামায়াতের আমির লিখেন, ইরানসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের দাবানল- হে আল্লাহ, তোমার অসীম মেহেরবানিতে নিভিয়ে দাও। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে পবিত্র রমজানের সংযম, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষা ধারণ করার তাওফিক দান করো।
তিনি লিখেন, নিরীহ নারী-শিশু ও সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করো, আহতদের আরোগ্য দাও, বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদ আশ্রয় দাও। সমগ্র দুনিয়াবাসীর প্রতি রহম করো- হৃদয়গুলোকে নরম করো, ঘৃণা ও প্রতিহিংসা দূর করো।
ডা. শফিকুর রহমান লিখেন, হে রব্বুল আলামীন, ন্যায়ের ভিত্তিতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করো এবং একটি নিরাপদ শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করে দাও।
সময় লাগলেও আগামীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।
শনিবার দলটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ধানমন্ডি আবাহনী মাঠে আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
ইফতার মাহফিলে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের স্বাগত জানান।
আলোচনা অনুষ্ঠানে সালাহউদ্দিন বলেন, “এনসিপি এই এক বছরে অনেক দূর আসতে সক্ষম হয়েছে। যেভাবেই হোক রাজনীতিতে নির্বাচনি সমঝোতার মধ্য দিয়ে, নির্বাচনি জোটের মধ্য দিয়ে তারা বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ছয়টি আসন পেয়েছে।
“এই ছয়টি আসন ভবিষ্যতে বৃদ্ধি হতে হতে একদিন তারা হয়তোবা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আরোহন করবে। সময় লাগবে, কিন্তু সবকিছু ওভারনাইট হয় না।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এনসিপি রাজনৈতিক দল হিসেবে যেদিন থেকে শুরু হয়েছে আমি আশাবাদী হয়েছি এদেশের রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণ আরো বেশি মর্যাদা দান করবে, উৎসাহিত করবে, রাজনীতিকে অনেক বেগবান করবে, তারুণ্যের চাহিদাকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
“আশা করি রাজনীতির এই কণ্টকাকীর্ণ মাঠে সবাই উত্থান পতনকে মেনে নেই। এই উত্থান পতনকে যারা মানতে পারেননি তারা রাজনীতিতে টিকে থাকেনি। এই রাজনীতিতে মানুষের চাহিদাকে যারা লালন করবে এবং জনগণের চাহিদাকে সমুন্নত রেখে এদেশের সকল মানুষকে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করার জন্য উৎসাহিত করবে সেরকম একটি রাজনীতি বর্তমান প্রজন্ম চায়, আগামী প্রজন্ম চায়।”
রাজনীতির মাঠে অনেকের সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার হওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এনসিপি সত্যিকার অর্থে এদেশের মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করে। দেশের জনমানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে।
দলটির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী জনগণের চাহিদা পূরণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় স্বার্থে সবাইকে এক থাকার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “দ্বন্দ্ব হবে, বিতর্ক হবে কিন্তু জাতীয় স্বার্থে সবাই এক থাকবো। জাতীয় সংসদকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করবো।”
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন তারেক রহমান ও পরিবারের সদ্যসরা
Share
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান
ব্যাংককে সাফা, রইল ৭টি ছবি
পূজার আনন্দে মন্দিরা, রইল ১০টি ছবি
শবনম ফারিয়ার বিয়ে
সোনালি আভা
প্রকৃতি
তটিনী
শাপলা
Bird
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন নেতাকর্মীরা