রাজধানীর ধানমণ্ডিতে মাসজিদ-উত-তাকওয়ায় (তাকওয়া মসজিদ) ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মিছিল করলে পুলিশ তাদের কয়েকজনকে আটক করে।
সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে নেতাকর্মীরা স্লোগান দিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় ১০ থেকে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির রমনা বিভাগের ধানমণ্ডি জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জিসানুল হক।
তিনি বলেন, ‘যথাসময়ে স্মুথলি মরদেহবাহী গাড়ি যাতে করে যেতে পারে, আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি। আর যারা বিশৃঙ্খলা করেছে তাদের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে কতজনকে আটক করা হয়, সেই সংখ্যাটি এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। যাচাই-বাছাই করে জানানো হবে।
আটককৃতরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিশৃঙ্খলাকারীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। যারা বিশৃঙ্খলা করেছে তাকে ধরা হয়েছে। তবে যদি আটককৃতদের মধ্যে সাধারণ কেউ থাকে, তাহলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।’
এর আগে সোমবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তোফায়েল আহমেদ মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, ‘শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস, এইটা বাউফলের মানুষকে দেখানোর দরকার নাই, শেখ হাসিনার কাছে জাইনা নিয়েন। শেখ হাসিনার কাছে জিজ্ঞেস কইরা দেইখা নিয়েন, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নে গত শনিবার (৩০ মে) জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা উন্নয়ন তো কম করে নাই, তার পরও পালানো লাগছে কেন? উন্নয়ন করে যদি টিকে থাকতে পারত, তাহলে বাংলাদেশে একমাত্র শেখ হাসিনার টিকে থাকার কথা। কিন্তু পারেনি কেন? রাস্তা দিছে, ঘাট দিছে, সেতু দিছে—এইটা করছে, ওইটা করছে, কিন্তু মানুষের মনে কোনো আনন্দ ছিল না। মানুষের অধিকার ছিল না।’
শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়।
একপর্যায়ে নিজের রাজনৈতিক অতীত ও সাংগঠনিক ভূমিকা তুলে ধরে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জাইনেন, ওখানকার সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসীর কাছে জিজ্ঞেস কইরেন, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস। উল্টাপাল্টা কথা বইলা মটকা গরম করবেন না। মটকা বোঝেন? মটকা গরম করবেন না, সামলাইতে পারবেন না।’
আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা, সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন।
সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
সোমবার বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজডসহ নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
তোফায়েল আহমেদের জন্ম ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দের ২২ অক্টোবর ভোলা জেলায়। ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাস করেন। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৬২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি করেন।
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ডাকসু ভিপি হিসেবে ব্যাপক অবদান রাখেন তোফায়েল আহমেদ। আন্দোলনের ফলে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল আসামিদের মুক্তি দেয় পাকিস্তান সরকার। ঐ বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তোফায়েল আহমেদ উপাধি দেন।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তোফায়েল আহমেদ ও আনোয়ারা বেগম দম্পতির একমাত্র মেয়ে তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নী একজন চিকিৎসক। জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামানও একজন চিকিৎসক।
প্রায় দেড় মাসের মাথায় আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সোমবার (১ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এমন প্রতিক্রিয়া জানান।
বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গত এপ্রিলে জ্বালানির দাম বাড়ানোর ফলে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। অথচ এই কঠিন সময়ে মানুষের আয় বাড়েনি, বরং ক্রমাগত বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকট প্রকট হচ্ছে। দিশেহারা জনগণ যখন দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন জোগাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করায় জনগণের ওপর ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
সরকার যেখানে আশ্বস্ত করেছিল, অন্তত এই মাসে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না, সেখানে পুনরায় মূল্যবৃদ্ধি করা জনগণের সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও চরম ধোঁকাবাজি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, বাজেট অধিবেশন শুরুর প্রাক্কালে তড়িঘড়ি করে যদি পুনরায় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তবে তা হবে একটি চরম জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ। সমাজে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে ভয়াবহ রূপ ফুটে উঠেছে, তার সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেশ এবং সমাজের অস্তিত্বকে আজ বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
অবিলম্বে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, জামায়াতে ইসলামী জনগণের ন্যায়সংগত অধিকার আদায়ের পক্ষে এবং যেকোনো ধরনের জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার।
নিজেদের অধিকার ও অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে দেশবাসীকে সচেতন হওয়া এবং কথা বলার উদাত্ত আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রবীন এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।
সরকারের বিরুদ্ধে নানাভাবে এখনও চক্রান্তের এক বিরাট জাল বিস্তার করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এই সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুধু নয়, মব কালচার তৈরি করা হচ্ছে।
সোমবার (১ জুন) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নীচতলায় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রিক্সা ভ্যান অটোচালক দল।
রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে এখন পর্যন্ত সেটা হচ্ছে কর্মসংস্থানের সরকার, বেকার তৈরি করার সরকার না। বিএনপি বেকার তৈরি করেনি, বিএনপি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এই যে আজকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিদেশে কোটির উপরে লোক সেখানে কাজ করে, এই কোটির উপর লোকের কর্মসংস্থানের মূল নায়ক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই থেকে শুরু হয়েছে বিদেশী কর্মসংস্থান।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের এই দেশে কেউ বেকার থাকবে না। নানা সেক্টরে নানা উদ্যোগে চাকরি ব্যবস্থা করা হবে। হকার উচ্ছেদ করা হলেও তাদেরকে পুনবাসন করা হবে। কারণ তাদের সন্তান ও পরিবারকে দেখার দায়িত্ব সরকারের।
আওয়ামী লীগের ৭২ থেকে ৭৫- শাসন আমলের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, শেখ মুজিবের শাসন আমলে রংপুর-কুড়িগ্রাম অঞ্চলে শাড়ি না পেয়ে মাছ ধরার জাল পরে লজ্জা নিবারণ করেছে বাসন্তী। বাসন্তীর ছবি উঠেছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। তার মানে কাপড় নেই, খাওয়া নেই, জীবনযাপনের কোনো ঠাঁই নেই—এই পরিস্থিতি ছিল ৭২ থেকে ৭৫-এ। তাঁর সাড়ে তিন বছর যেভাবে বাংলাদেশে দুঃশাসন চালিয়ে, অপশাসন চালিয়ে গোটা জাতিকে কৃতদাস বানানোর চেষ্টা করেছিল এবং তার প্রভুদের কৃতদাস বানানোর চেষ্টা করেছিল।
তিনি বলেন, জনগণের টাকা বিভিন্ন প্রজেক্টের মাধ্যমে টাকা পাচার করেছে। ২৮ লক্ষ কোটি টাকা ১৬ বছরে শেখ হাসিনা এবং তার দোসররা, তার আত্মীয়-স্বজনরা, তার দলের লোকরা পাচার করেছে।
জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, তারা বলে ' আমরা ওদের (আওয়ামী লীগ) সব ক্ষমা করে দিব। ক্ষমা করলে কি আপনাদের বাঁচাবে? আপনারা বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলার জন্য আন্দোলন করেছিলেন তাদের সাথে ৯৪, ৯৫, ৯৬-এ, তার পরিণতি কি হয়েছে? তার পরিণতি হয়েছে আপনাদের নেতাদের ফাঁসি দিয়ে দিয়েছে। এই গায়ে পড়ে পিরিত করার পরিণাম কত ভয়াবহ হয়েছে?
মব কালচারকে ভয়ঙ্কর প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, আজকে যদি কোনো ছিদ্রপথে পুরনো ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে আপনারা কিন্তু কেউ রক্ষা পাবেন না। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব তো যাবেই, গণতন্ত্র তো গোরস্তানে চলে যাবে। তারপরের কি ভয়াবহ পরিণতি হয়, সেটা আপনারা টের পাবেন। সুতরাং সময় থাকতে সাবধান হওয়া সবচাইতে ভালো।
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোনো আধিপত্য শক্তির কাছে মাথানত করেনি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রশাসক আব্দুস সালাম, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির আহ্বায়ক আরিফুর রহমান তুষার পরে সংগঠনটির পক্ষ থেকে গরিব ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ দুই নেতা জেলা পরিষদ থেকে ২৫ কোটি টাকা নিয়েছিলেন বলে সেখানকার প্রশাসকের বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যে ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে। তবে প্রশাসকের এমন বক্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।
রোববার (৩১ মে) দিবাগত রাতে ফেসবুক লাইভে এসে এ দাবি করেন তিনি। এছাড়া এই লাইভ ভিডিওতে হাতেকলমে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। এসব অর্থ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে, ব্যক্তি হিসেবে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’
তিনি বলেন, ‘এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে এই কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন, মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবীদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘এখানে তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে আছে। এটি চাইলে যে কেউ দেখতে পারে। আমি আগেও যেসব বাজেটে এসেছে, সব হিসাব লাইভে এসে দিয়েছি।’
হাসনাত বলেন, ‘১০ কোটি টাকার কথা বলা হচ্ছে। আমি যখন নির্বাচিত হইনি—অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং রাজস্ব নিজস্বসহ সব মিলিয়ে আট কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রজেক্ট দেবীদ্বারে দেওয়া হয়েছে। এক টাকা কম না, এক টাকা বেশি না। ১৪৮টি খাতে এসব প্রজেক্ট দেওয়া হয়েছে। একটা প্রজেক্টও পূর্ণাঙ্গ কমপ্লিট হয়নি। এগুলো আপনারা অনলাইনে গেলেই দেখতে পাবেন।’
তিনি বলেন, ‘অথচ জেলা প্রশাসক বললেন আমি ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছি। গত দুই দিন মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হলো আমরা টাকা নিয়ে গিয়েছি, টাকার কথা মানুষের কাছে লুকিয়েছি। এটা তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে। ইটস ভেরি ওপেন, ব্রড ডেলাইট ওপেন।’
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের এ মুখ্য সংগঠক বলেন, যারা প্রপাগান্ডা করেছেন—আপনাদের যদি চর্মচক্ষু থাকে এবং একটু জ্ঞানবুদ্ধি থাকে শুধু ইন্টারনেটে সার্চ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোন খাতে কয় টাকা এবং কোন প্রক্রিয়ায় গেছে—চাইলেই সব কিছু বের করা সম্ভব।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমার এলাকার যতগুলা বরাদ্দ বাজেট এসেছে সম্প্রতি লাইভে সবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছি। এমনটি আমার পেজ ‘জবাবদিহিতা’য় প্রতিনিয়ত আপডেট জানানো হয়। সবার বাসায় মোবাইল, ইন্টারনেট ও ফেসবুক আছে। সার্চ করলেই যে কেউ ডিটেইল দেখতে পারেন। এখন এটাকে যেভাবে ফ্রেমিং করা হলো এটা খুবই দুঃখজনক।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও বিকল্প নীতি উপস্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ বা ‘ছায়া সরকার’ গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। দলীয় এমপিদের নিয়ে এই কাঠামো গঠনের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
দলীয় সূত্র জানায়, সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রচলিত ওয়েস্টমিনস্টার মডেল অনুসরণ করে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে চারটি মূল লক্ষ্য সামনে রেখে এই ছায়া সরকার গঠন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অনানুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি চলছে। জোটের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, অধিবেশনের শেষ দিকে ছায়া সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
এর আগে ৫ ও ৬ জুন দলীয় এমপিদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ছায়া সরকারের কাঠামো, দায়িত্ব বণ্টন এবং কার্যপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি কোন এমপি কোন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নিতে আগ্রহী, তা-ও জানা হবে। পরে নীতিনির্ধারক পর্যায় থেকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব বণ্টন করা হবে। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এক ব্যক্তিকে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
ছায়া সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে চারটি বিষয়কে সামনে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, সরকারি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, বিকল্প নীতি ও কর্মপরিকল্পনা প্রস্তাব, বিরোধী নেতাদের প্রশাসনিক বিষয়ে দক্ষ করে তোলা এবং সরকারের ভুল-ত্রুটি জনসমক্ষে তুলে ধরে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
বিষয়টি সম্পর্কে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও এমপি রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ছায়া সরকার গঠনের বিষয়ে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, এখন সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি চলছে। সময়মতো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।
আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, কাঠামোগত কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং অনানুষ্ঠানিকভাবে কিছু কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাজেট অধিবেশনের পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
দলীয় এমপিদের মধ্যে সম্ভাব্য দায়িত্ব বণ্টন নিয়েও আলোচনা চলছে। প্রাথমিক তালিকায় স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, স্থানীয় সরকার, আইন, তথ্য ও সম্প্রচার, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইসিটি, ধর্ম, শ্রম ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ওয়েস্টমিনস্টার ধাঁচের সংসদীয় ব্যবস্থায় ছায়া সরকার বিরোধী দলের নীতি প্রণয়ন ও সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সরকারে থাকা প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে একজন ছায়া মন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন, যিনি সংশ্লিষ্ট নীতি পর্যবেক্ষণ ও বিকল্প প্রস্তাব দেন।
যদিও বাংলাদেশে এ ধরনের কাঠামো আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন, তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিরোধী জোটের এ উদ্যোগ সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা না থাকলেও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শক্তিশালী বিরোধী ভূমিকা নিশ্চিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অধুনিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে হোয়াটসঅ্যাপ। ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান থেকে শুরু করে অফিসিয়াল মিটিং-নোটিশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান
বিদেশি নম্বর থেকে ফোন পাচ্ছেন? ধরলেই বিপদ
অজানা আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে হঠাৎ বাড়ছে ফোন কল। কখনো যুক্তরাষ্ট্র, কখনো ইরান, ওমান কিংবা অন্য...
মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর
উদ্বোধনের চার বছর পর; আসছে বাজেটে বাতিল হতে পারে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য মোবাইল সেবায়...
দেশজুড়ে শুরু হলো ‘ঈদ উইথ শাওমি’ ক্যাম্পেইন
বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান স্মার্টফোন ব্র্যান্ড শাওমি প্রতি বছরের মতো এবারও ক্রেতাদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে...
৬ বছরের ডিউরেবল ব্যাটারিসহ অপোর নতুন ফোন
বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো তাদের নতুন স্মার্টফোন অপো এ৬সি এখন দেশজুড়ে পাওয়া যাচ্ছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন তারেক রহমান ও পরিবারের সদ্যসরা
Share
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান
ব্যাংককে সাফা, রইল ৭টি ছবি
পূজার আনন্দে মন্দিরা, রইল ১০টি ছবি
শবনম ফারিয়ার বিয়ে
সোনালি আভা
প্রকৃতি
তটিনী
শাপলা
Bird
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন নেতাকর্মীরা