‘টাইম’র ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান
টাইম ম্যাগাজিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পত্রিকাটির ২০২৬ সালের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, লন্ডনে বছরের পর বছর নির্বাসন
সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়া নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে আরেক শিশুর মৃত্যু
চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল দেশটিতে সফর করছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাত ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না নর্দান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে চীনের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছে প্রতিনিধি দলটি।
এ সফরে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাঈল জবিউল্লাহ।
দলটির দ্বিতীয় পর্যায়ের সফর অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ এপ্রিল। এ পর্যায়ে যোগ দেবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সঙ্গে থাকবেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ড. আব্দুল মঈন খান।
জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম হটাৎ ফেসবুকে নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করে সমালোচনা করেছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব সমালোচনা করেন।
মাহফুজ লেখেন, 'আজকে হাসনাতের সংসদে ‘আকুতি’ দেখে মনে পড়ল যে, রামগঞ্জ-লক্ষীপুরের উন্নয়নের জন্য ৪/৫ জন উপদেষ্টার কাছে গিয়েও কোনো হেল্প পাইনি। তাদের সঙ্গে কয়েকবার দেখা করেছি। ডিও লেটার দিয়েছি। সেসব লেখার সময় এখনো আসেনি। এতটুকু বলতে পারি যে, একটি রাজনৈতিক দলের চাপে/সিদ্ধান্তে উনারা আমার এলাকায়/আমাকে কোন সহযোগিতা করেননি।'
তিনি লেখেন, ‘হাসনাত বলছেন এলাকায় মুখ দেখাতে পারবেন না। আর, আমার মুখটা ঢেকে দিয়েছিলেন আমার সহকর্মীরা! খোদা তাদের মঙ্গল করুন। অন্তরীণ সরকার কীভাবে চলত, এটা নিয়ে কত মিথ্যা আর গুঞ্জন হলো। গুঞ্জন আর নানা হিসাবের বাইরে তো অনেক সত্য আছে!!’
মাহফুজ লেখেন, 'পুনশ্চঃ আমি যে মাদ্রাসায় ৮ বছর পড়েছি, যে মাদ্রাসা আমার বাবা লীগ কর্তৃক বেদখল হওয়া পর্যন্ত ১৫ বছর পরিচালনা করেছেন, সে মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হয়নি। কারণ, আমি একটি রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করেছিলাম। আমি তো ‘অযোগ্য’ উপদেষ্টাই বটে! আর, সে রাজনৈতিক দল নাকি ক্ষমতায় ছিল না। হাহা পায় যে হাসি!!'
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসেন সংসদে অভিযোগ করে বলেন, রাত ২টা পর্যন্ত রাস্তায় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও গাড়ির জন্য তেল (জ্বালানি) পাইনি।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘গত রাতে আমাকে ২টা পর্যন্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। আমি তেল পাইনি। তেল শুধু মহান সংসদে, এত পরিমাণ তেল এখানে অপচয় হচ্ছে। বাইরের তেল অলরেডি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’
ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আরও বলেন, এখানে যত্রতত্র লিজ দেওয়া হচ্ছে, মেইন রাস্তা লিজ দেওয়া হচ্ছে। তার কারণে চাঁদা তোলা হচ্ছে—জানজট সৃষ্টি হচ্ছে। মাদক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস— এখানে উন্নয়নের অন্যতম বাধা। গত ফ্যাসিবাদের সময়ে আমরা প্রতিবাদ করেছি। অনেক মানুষ এখানে খুনের শিকার হয়েছেন। এই সরকার ক্ষমতা আসার পরও আমাদের এই চাঁদার বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে নূরে আলম খাইরুলকে শহীদ হতে হয়েছে। আমি ধিক্কার জানাই।
স্পিকারের উদ্দেশে কামাল হোসেন বলেন, আমি আপনার মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি— যেখানে ৭২ জন শিক্ষক দরকার সেখানে ১৪২ জন শিক্ষক কীভাবে থাকতে পারে? আমরা মনে করি উন্নয়ন কোনো দলীয় বিষয় নয়, উন্নয়ন হচ্ছে মানুষের অধিকার। আমার এলাকার জনগণের অধিকার।
কামাল হোসেন আরও বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখার কারণে আমাকে ৮৫৩ দিন জেলে থাকতে হয়েছে, ৯ বার জেলে যেতে হয়েছে। দ্বিতীয়বার যেন আর এ ধরনের ফ্যাসিবাদের মুখোমুখি না হই। এই কারণে আমাদের গণভোট। আপনারা জানেন, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ৩০ মে ১৯৭৭ সালে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ১৯৭৮ সালে সেই গণভোট আপনার সংবিধানের সামনে স্বীকৃত হয়েছে, বিএনপি গণভোট শুরু করেছে আর ২০২৬ সালে বিএনপি, আজ গণভোট অস্বীকার করছে।
এই সংসদ সদস্য বলেন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন গণভোট বৈধ। বৈধ যদি হয়, তাহলে অবশ্যই আপনারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন। এই সংস্কার অধিবেশন ১৮০ দিন মেয়াদ। যদি এর মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বান না করেন, আপনি (স্পিকার) আইনের অন্যতম বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। এই মহান সংসদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদে আহ্বান না করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে থেকে চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে বিএনপির মিডিয়ার সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসার জন্য গত ১৩ মার্চ মালয়েশিয়া নেওয়া হয়েছে। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। গত ১৫ মার্চ তিনি এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন।
গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। তখন অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ১৫ মার্চ ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।
সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারীকে দেখতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে গেছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) তিনি হাসপাতালে গিয়ে ডা. শংকরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় চিকিৎসকদের সঙ্গেও তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন। ডা. শংকরের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের যেকোনো দুর্যোগ, মহামারি কিংবা সংকটময় পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সবার আগে দায়িত্ব পালন করেন। তাই চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এবং তাদের ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করতে আমাদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। চিকিৎসকদের যথাযথ মূল্যায়ন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, আইসিইউ ইন চার্জ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় হাম-রুবেলা গণটিকাদান কর্মসূচি পরিদর্শনে মোটরসাইকেলযোগে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারী। প্রথমে তাকে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে তার অবস্থা এখনও পুরোপুরি আশঙ্কামুক্ত নয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরের কাট্টলী এলাকায় সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের তোপের মুখে পড়েন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে তিনি ওই বাসায় যান বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
তিনি কেন এই সাবেক মেয়রের বাড়িতে এসেছেন, তার সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও সামনের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনজুর আলমকে এনসিপির প্রার্থী করার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করতেই হাসনাত আবদুল্লাহ এসেছিলেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
তিনি কেন সেখানে গিয়েছিলেন, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা না গেলেও একটি সূত্র জানায়, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করতেই এই সফর হতে পারে।
ঘটনার একপর্যায়ে বাসার পক্ষ থেকে তার উপস্থিতির বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করা হয়। পরে তিনি নিজেই বাইরে এসে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।
যুবদলের স্থানীয় এক নেতা জানান, ‘আমরা হাসনাত আবদুল্লাহকে তাঁর ভারত ও আওয়ামীবিরোধী অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানতে চাই, তিনি সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এম মনজুর আলমের বাসায় কেন এসেছেন? তিনিও এ ক্ষেত্রে আমাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। আমরা বললাম, আপনি জুলাই আন্দোলনে একজন অগ্রসৈনিক হিসেবে আমাদের সকলের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মানুষ। কিন্তু আপনি এখানে আসলেন কেন? এভাবে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে সন্ধ্যার সময় তাঁকে আমরা সসম্মানে মূল রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দিই। এরপর তিনি চলে যান।’
জানা গেছে, মনজুর আলম তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে কাট্টলী থেকে বেশ কয়েকবার আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন। এরপর তিনি ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু তাঁর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তিনি আবারও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা শুরু করেন। বর্তমানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনের কথাবার্তা শুরু হলে তিনি আবারও মেয়র পদে নির্বাচন করবেন বলে আলোচনায় আসেন। এই অবস্থায় হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর বাড়িতে এলেন।
এ বিষয়ে এনসিপির স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৬ সালে পুলিশের হেফাজতে নিহত রাজধানীর লালবাগ ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাহবুবের অসুস্থ স্ত্রী পাপিয়া আক্তার রিনার হাসপাতালে ভর্তির সংবাদ পাওয়া মাত্র প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে চিকিৎসার খোঁজ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রয়াত বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন মাহবুবের স্ত্রী পাপিয়াকে দেখতে যায় বিএনপি'র সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাকন ও বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন ডা. শাহ মু: আমান উল্লাহ।
তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ নেন এবং চিকিৎসা সহায়তা সহ পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যায় ব্যক্ত করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমেদ, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মিসবাহ প্রমুখ।
উৎসব আর আনন্দ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব ‘নববর্ষ-১৪৩৩’। দীর্ঘ ১৭ বছর পর বর্ণাঢ্য আয়োজনে দিনটি উদযাপন করেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে দলটির উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যবাহী আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানানো হয়। দীর্ঘদিন পর এমন প্রকাশ্য উৎসব আয়োজন করতে পেরে এটিকে স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরেন নেতাকর্মীরা ।
দলটির একাধিক নেতা জানান, আওয়ামী লীগের সময়ে মামলায় জর্জরিত ছিলো বিএনপির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাদের সময় পার করতে হতো গ্রেফতার আতঙ্কে। তাই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে এ ধরনের আয়োজন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাংগঠনিক শক্তি ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যেই বিভিন্ন যায়গায় বৈশাখ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, গত ১৭ বছর পহেলা বৈশাখের সময় বিএনপি নেতাদের কারাগারেই থাকতে হয়েছে। তখন অনেক নেতারা কারাগারে থাকার কারণে সেখানে তাদের মধ্যে এক ধরনের উৎসব বিরাজ করতো। বৈশাখ কেবল উৎসব নয়, এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক যা রাজনীতির ঊর্ধ্বে।
এদিকে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিদায় ১৪৩২। স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। পহেলা বৈশাখ- বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। এ উপলক্ষ্যে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যাত্রা শুরু করে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার রাষ্ট্র এবং সমাজের সব শ্রেণী পেশার মানুষের জীবন মানোন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলি সপু এনপিবি নিউজকে বলেন, ‘গত ১৭ বছর পান্তা ইলিশ তো দূরেরর কথা ঘরে ভাতই খেতে পারিনি। আওয়ামী লীগের আমলে আমার নামে প্রায় তিন শতাধিকের মতো মামলা হয়েছে। ১২ থেকে ১৩ বার জেলে যেতে হয়েছে। অসংখ্য পহেলা বৈশাখ কারাগারে কাটাতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের দিনে পরিবারের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ থাকলেও সেটা থেকে বঞ্চিত করা হতো। খাবার নিয়ে পরিবারের লোকজন দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকে খাবার দিয়ে যেত সেই খাবার আমাদেরকে না দিয়ে ফেলে দেয়া হতো।’
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম এনপিবি নিউজকে বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পরে এবারের বৈশাখ উদযাপন অনেক আলাদা। বিগত স্বৈরাচারের আমলে কোথাও গিয়ে নির্ভয়ে দাঁড়ানো যায়নি। পুলিশ প্রশাসনে ধরে নিয়ে যাওয়ার যে আতঙ্ক ছিল এবার উৎসব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ভয় বা আতঙ্ক নেই।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান এনপিবি নিউজকে বলেন, ‘এবার স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশের মানুষ উদযাপন করছে। ভয়, আতঙ্কহীন পরিবেশে দেশের মানুষ বসবাস করতে চায়। দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি নেতা কর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে জীবন যাপন করেছে। এখন সেই সংস্কৃতির অবসান ঘটেছে।’
‘টাইম’র ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান
টাইম ম্যাগাজিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পত্রিকাটির ২০২৬ সালের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন তারেক রহমান ও পরিবারের সদ্যসরা
Share
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান
ব্যাংককে সাফা, রইল ৭টি ছবি
পূজার আনন্দে মন্দিরা, রইল ১০টি ছবি
শবনম ফারিয়ার বিয়ে
সোনালি আভা
প্রকৃতি
তটিনী
শাপলা
Bird
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন নেতাকর্মীরা