রাজধানীর মহাখালীতে এক ঝটিকা মিছিল থেকে তিন-চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর মহাখালী টার্মিনালের মূল সড়কে এই ঘটনা ঘটে। এসময় এক নারীসহ দুইজনকে আটক
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী
রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা
উত্তেজনা না সমঝোতা! তিন কারণে ভেস্তে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি
জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল মুনতাকিম।
নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের এই সংসদ সদস্যের জন্ম ১৯৮১ সালে, অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ১০ বছর পর। এছাড়া তার বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম দুজনেই বর্তমানে জীবিত আছেন।
গত রোববার সংসদের বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আব্দুল মুনতাকিম তার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা থাকার দাবি করেন।
তিনি বলেন, ‘আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহীদ। আমার আব্বারা ৭ ভাই, ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।’
তবে হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ছিল ৪৪ বছর ১১ মাস ২০ দিন। ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া একজন ব্যক্তির পক্ষে শহীদের সন্তান হওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশজুড়ে হাস্যরস ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে, আব্দুল মুনতাকিমের বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম এখনো বেঁচে আছেন এবং তারা সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ গ্রামে ছেলের সঙ্গেই বসবাস করেন। রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে তিনি সৈয়দপুর আল ফারুক একাডেমিতে শিক্ষকতা করতেন।
এই বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম তার ভুল স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভুল তথ্য ও শব্দ উচ্চারিত হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
তিনি আরও জানান, সংসদের রেকর্ড থেকে এই ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
এদিকে, সংসদ সদস্যের সহকর্মী ও সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টিকে ‘স্লিপ অব টাং’ বা মুখ ফসকে হওয়া ভুল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচনী এলাকায় ফিরে সংবাদকর্মীদের সামনে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেবেন।
উল্লেখ্য, আব্দুল মুনতাকিম ছোটবেলায় হাফেজ হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তবে দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় দাঁড়িয়ে নিজের পরিবার সম্পর্কে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ায় তার দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
রেজাউল করীম বলেছেন, আমরা মুসলমান—ইসলামের নীতি-আদর্শ ধারণ করেই কাজকর্ম করা আমাদের প্রিয়। এভাবেই চলার চেষ্টা করছি। ইসলাম এমন নীতি-আদর্শ—এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে সুন্দর সমাধান দেয়নি। ইসলামি নীতি-আদর্শই মানুষের দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ সুনিশ্চিত করে। ইসলামি নীতি-আদর্শ অনুযায়ী সর্বক্ষেত্রে চলা, সে অনুযায়ী নিজেদের জীবন গঠন করা আমাদের কাছে সবচেয়ে প্রিয়। ইসলামের জন্য দুই জায়গাতে কাজ করতে ভালো লাগে।
সম্প্রতি এক গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে জানা-অজানা বহু প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।
রেজাউল করীম বলেন, চরমোনাই মুরিদ এবং ইসলামী আন্দোলনের যারা কর্মী রয়েছেন, তারা একটি শরীরের দুটি হাতের মতোই। এরা বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। পার্থক্যটা হলো রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক—এ দুটি প্ল্যাটফর্ম আব্বাজান রহ. (সৈয়দ ফজলুল হক করীম) তৈরি করে গেছেন। ইসলামকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ক্ষমতায়ন করার যে কাজ করি, প্রতিটি মানুষের জন্য সাধ্যনুযায়ী এ চেষ্টা করা ফরজ। সে হিসেবে এখানে কোনো ভিন্নতা নেই।
তিনি বলেন, কথাটা একটু ব্যতিক্রম। শুরুতে ১১ দলীয় জোট ছিল না। শুরুতে এটি ছিল আট দলীয় সমঝোতা। সমঝোতা আর জোট এক নয়। জোট হয় নেতৃত্বে। সমঝোতা হয় গোলটেবিলে বসে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে বাস্তবায়ন করা। পরবর্তীতে ১১ দলীয় জোট বলে যে পরিচয় দেওয়া হলো—সেখানে এনসিপিসহ অন্যান্য দলকে নিয়ে আসার প্রক্রিয়াটা আট দলীয় সমঝোতায় যারা ছিলাম, তাদের সঙ্গে আগে আলোচনা করা হয়নি। আলোচনা ছাড়াই ভিন্নভাবে তাদেরকে সংযুক্ত করে। তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের কমিটমেন্ট দেয়। এরপর তারা ১১ দলীয় জোট হিসেবে রূপরেখা তৈরি করে।
তাদের সঙ্গে আমাদের প্রথম কথা ছিল এটা সমঝোতা থাকবে, জোট থাকবে না। এটা তারা প্রথমে ভেঙে দেয়। তারা ওয়াদা রক্ষা করেনি। এরপর যখন তারা ইসলাম অনুযায়ী দেশ চালাবে না বিষয়টি প্রকাশ করে, তখন তাদের সঙ্গে থাকতে পারি না। কারণ, আমরা তো ইসলামের জন্য রাজনীতি করি। ইসলামি নীতি-আদর্শে দেশ পরিচালনার বিশ্বাস নিয়ে রাজনীতি করি। তাদের সঙ্গ ছেড়ে দেওয়ার এটাই মূল কারণ। এটাই বাস্তবতা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ভুল থাকবে কেন? আমরা বলব, আমরাই বিজয়ী হয়েছি। কারণ, আমরা ইসলামি নীতি-আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য ইসলামি রাজনীতি দল হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিই। বলেছিলাম, ইসলামের পক্ষে একটা বাক্স থাকবে। অন্যান্য যারা ইসলামি দল পরিচয় দেওয়ার পরে ইসলাম অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবে না, ইসলামের পক্ষে বাক্স দেবে না, তখন ইসলামের পক্ষে বাক্স দিতে পারাকেই বিজয় হিসেবে নিয়েছি। আমরা ওয়াদা রক্ষা করতে পেরেছি। ইসলামিক দল হিসেবে দেশে পরিচয় লাভ করতে পেরেছি, এজন্য আমরা সবদিক থেকে খুশি। এটাকে বিজয় হিসেবে লক্ষ্য করেছি।
রেজাউল করীম বলেন, ১১ দলীয় জোট যেহেতু ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবে না, এখানে ইসলাম শব্দ ব্যবহারের আর অর্থ থাকে না। তারা বলেছে, গতানুগতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। এখানে ইসলাম বিজয় হওয়া না-হওয়ার প্রশ্নই তো আসে না। তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে ইসলাম শব্দ, ইসলাম অনুযায়ী দেশ চালাবে, এ ধরনের কমিটমেন্ট দেখিনি। তারা যদি ইসলামের কথা বলে থাকে, তাহলে তারা ধোঁকা দিয়ে ভোট নেওয়ার কৌশল অবলম্বন করেছে। তারা জাতিকে ধোঁকা দিয়েছে, প্রতারণা করেছে।
নেত্রকোনায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নজরুল ইসলাম নামে এক জামায়াত নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে নেত্রকোনা সদর আমলী আদালতে হাজির হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম প্রদীপ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নজরুল ইসলাম সদর উপজেলার কয়ড়া গ্রামের নাইব উদ্দিনের ছেলে। তিনি সদর উপজেলার বাংলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান। তিনি বলেন, আদালত আজ তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তবে মামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানি না। শুনেছি, তাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ ছিল।
মামলার আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন একই এলাকার আ. হেকিমসহ তিনজন। মামলার বাদী মো. রুবেল রানা কয়ড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ‘মেসার্স সন্ধি ট্রেডার্স’ নামে বালু, পাথর ও কয়লার ব্যবসা পরিচালনা করেন।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগে রুবেল রানা উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় জুতার ব্যবসার পাশাপাশি নেত্রকোনায় বালু, পাথর ও কয়লার ব্যবসা করে আসছেন। অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৭ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা শহরের অজহর রোড এলাকায় রুবেল রানা তার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ও গাড়িচালককে সঙ্গে নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে একদল ব্যক্তি তার গাড়ির গতিরোধ করে। পরে তাকে জোরপূর্বক মোক্তারপাড়া মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নজরুল ইসলামসহ কয়েকজন তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় এবং তার পকেটে থাকা ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ, তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। যাওয়ার সময় বাকি টাকা না দিলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার পরদিন নজরুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বাদীর প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে হুমকি দেন। এ ছাড়া ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী একটি প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার আংশিক ফুটেজ ধারণ হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম প্রদীপ বলেন, আদালত আসামি নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে।
কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আমির হামজা বলেছেন, এই বাজেট অনেকটা চানাচুর মার্কার মতো, এটি শুনতে ভালো লাগলেও খেলে পেট খারাপ হয়। জাতীয় বাজেট জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার মাধ্যম হওয়া উচিত।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।
আমির হামজা বলেন, সরকার বলছে বাজেট নিয়ে নাকি আনন্দের বন্যা বইছে। অথচ বাজেট উপস্থাপনের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়েছে। এগুলো সরকার দেখছে না। তাহলে যারা বাজেট নিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা কি দেশের মানুষ না?
তিনি আরও বলেন, গতানুগতিক কথায় সমস্যার সমাধান হবে না। অর্থপাচার ঠেকাতে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো পলিসি জনগণের সামনে স্পষ্ট নয়। বিগত বছরগুলোর মতো এই বাজেটের টাকাও যেন সরকারি দলের লোকজন বিদেশে পাচার করতে না পারে তার নিশ্চয়তা চান তিনি।
মাদরাসা শিক্ষার অবহেলার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের মাদরাসাগুলো যুগ যুগ ধরে অবহেলিত। এবতেদায়ি মাদরাসা এবং প্রতিটি জেলা শহরে একটি করে ফাজিল ও কামিল মাদরাসা জাতীয়করণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
কৃষকদের জন্য স্বল্পমূল্যে সার, বীজ এবং শুল্কমুক্ত কৃষি সরঞ্জাম সরবরাহের দাবি জানান আমির হামজা।
নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের’ সন্তান বলে সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে অনিচ্ছাকৃত ভুল বা ‘স্লিপ অপ টাং’ বলে জানিয়েছেন নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম।
বুধবার (১৭ জুন) বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে তিনি বলেন, আমার কথা বলতে গিয়ে স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে।
এর আগে রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যে আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার পরিবারের বড় অবদান ছিল এবং তার বাবা একজন ‘শহীদ’। তিনি বলেন, আমার বাবা এবং দাদা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। আমার বাবারা সাত ভাই, এরমধ্যে চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জনই মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা-ও মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ছিলেন।
বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই তার নির্বাচনি হলফনামা ও প্রকাশ্য তথ্য যাচাই করতে শুরু করেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত তথ্যসূত্র অনুযায়ী, আব্দুল মুনতাকিমের জন্মতারিখ ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। তখন প্রশ্ন ওঠে ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া এ সংসদ সদস্যের বাবা ‘যুদ্ধশহীদ’ হন কীভাবে।
তার ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল মুয়ীদ বলেন, এটি ‘স্লিপ অব টাং’ বা মুখ ফসকে বলা কথা। উনার বাবা ও মা উভয়েই বর্তমানে জীবিত আছেন। সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ‘বাবারা ও দাদারা শহীদ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে শুধু ‘বাবা ও দাদা’ বলে ফেলেছিলেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন বলেছেন, গুপ্ত রাজনীতির নেতাকর্মী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বলতে চাই, আমরা কিন্তু হাসিনা বাহিনীকে তাড়িয়েছি। দেশের প্রয়োজনে, জাতির প্রয়োজনে দক্ষিণ যুবদল কিন্তু আবার বাঁশের লাঠি হাতে নেবে।
বুধবার (১৭ জুন) অপপ্রচার ও শিষ্টাচার-বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে এ কথা বলেন তিনি।
বিকেলে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে যুবদলের সভাপতি আব্দুর মোনায়েম মুন্না বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে অশালীন কোনো উক্তি, মন্তব্য করলে কিন্তু আমাদেরও ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাবে। আমরা বসে থাকবো না। যুবদল মাঠে থেকে সাংগঠনিকভাবে তা মোকাবিলা করবো।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমকে নিয়ে।
সংসদে দেওয়া তার নিজের দাবি এবং নির্বাচনী হলফনামায় উল্লিখিত জন্মতারিখের মধ্যে এক বিশাল ও অবাস্তব অসঙ্গতি প্রকাশ পাওয়ায় এই বিতর্কের সূত্রপাত।
মূল ঘটনার সূত্রপাত ঘটে জাতীয় সংসদের একটি অধিবেশনে মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের ওপর আলোচনার সময়। ওই অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীকে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে আইনগতভাবে চিহ্নিত করার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চলছিল।
এমন প্রেক্ষাপটে সংসদে নিজের অবস্থান ও বক্তব্য তুলে ধরতে গিয়ে এমপি আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার নিজের পরিবারের অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল অবদান রয়েছে।
গত ১৪ জুন সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করে দেওয়া সেই বক্তব্যে তিনি বলেন, 'আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহীদ। আমার আব্বারা (বাবা-চাচা) ৭ ভাই, ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।'
এই চাঞ্চল্যকর বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই সচেতন মহল ও অনুসন্ধিৎসু ব্যক্তিরা তার নির্বাচনী হলফনামা এবং ব্যক্তিগত নথিপত্র খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। আর তাতেই বেরিয়ে আসে এক অবিশ্বাস্য ও গাণিতিকভাবে অসম্ভব এক বৈপরীত্য।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তার হলফনামা এবং উন্মুক্ত তথ্যকোষ উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমের জন্ম তারিখ উল্লেখ রয়েছে ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি।
নিজের বক্তব্যের শেষ দিকে এই সংসদ সদস্য নিজেও বলেন, তার জন্ম ১৯৮১ সালে।
এই জন্মসাল সামনে আসার পরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তার বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। নেটদুনিয়ায় তীব্র সমালোচনা ও ট্রল করে অনেকেই প্রশ্ন করছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যদি তার পিতা শহীদই হয়ে থাকেন, তবে যুদ্ধ শেষ হওয়ার দীর্ঘ ১০ বছর পর অর্থাৎ ১৯৮১ সালে আব্দুল মুনতাকিমের জন্ম কীভাবে সম্ভব হলো?
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা হিসাব কষে বলছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের হিসাব অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ৪৪ বছর ১১ মাস, যা ১৯৮১ সালের জন্মতারিখের সাথে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বা যুদ্ধে শহীদ হওয়া কোনো পিতার পক্ষে ১৯৮১ সালে সন্তান জন্ম দেওয়া কেবল অলৌকিক বা গাণিতিকভাবেই অসম্ভব নয়, বরং এটি একটি চরম ও হাস্যকর মিথ্যাচার।
সংসদে দেওয়া এই স্ববিরোধী বক্তব্য নিয়ে এখন পর্যন্ত জামায়াত নেতা হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বা তার দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মু. মিজানুর রহমান সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চেয়েছেন।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টা ২ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়।
মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি ফ্ল্যাটের জানালা-দরজায় এখনো পর্দা ঝোলানো হয়নি।
এদিকে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের ৭৫টি কারাগারে ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ বন্দি আটক রয়েছে।
তিনি আজ সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সদস্য মো. আবুল হাসনাতের টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘৭ জুন পর্যন্ত প্রাপ্তি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৭৫টি কারাগারে সর্বমোট অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৩৬ (পুরুষ ৪৩ হাজার ১০৭ + মহিলা ২ হাজার ২৯) জনের বিপরীতে বর্তমানে ৭৭ হাজার ৪০ জন (পুরুষ ৭৪ হাজার ৩৬ + মহিলা ২ হাজার ৭৭) জন বন্দি আটক আছে, যা ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ।
উত্তেজনা না সমঝোতা! তিন কারণে ভেস্তে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে। সুইজারল্যান্ডের একটি পাহাড়চূড়ার রিসোর্ট বুর্গেনস্টকে আগামীকাল শুক্রবার (১৯ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের যোগাযোগের ধরনকে আমূল বদলে দিয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, ব্যক্তিগত আলাপচারিতা চালানো কিংবা অফিসের
ফেসবুক বিভ্রাট নিয়ে যা জানালেন মেটার মুখপাত্র
পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা হঠাৎ-ই সাময়িক অসুবিধার মধ্যে...
অবশেষে এক ঘণ্টা পর সচল ফেসবুক
প্রায় এক ঘণ্টা বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক হয়েছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামসহ মেটার বেশির ভাগ প্ল্যাটফর্ম।
এর...
ফেসবুক সমস্যা? সমাধান মিলবে যেভাবে
ফেসবুক আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও, মাঝেমধ্যেই এতে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। তবে...
ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার কেন অটো লগআউট হয়ে যায়?
ফেসবুক বা মেসেঞ্জার ব্যবহার করার সময় হঠাৎ করেই আইডি লগ আউট হয়ে যাওয়া একটি বিরক্তিকর...
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন তারেক রহমান ও পরিবারের সদ্যসরা
Share
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান
ব্যাংককে সাফা, রইল ৭টি ছবি
পূজার আনন্দে মন্দিরা, রইল ১০টি ছবি
শবনম ফারিয়ার বিয়ে
সোনালি আভা
প্রকৃতি
তটিনী
শাপলা
Bird
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানাচ্ছেন নেতাকর্মীরা