রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রোববার (২৩ আগস্ট) বঙ্গভবনে উঠবেন বলে তার কার্যালয় জানিয়েছে। আগামীকাল সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা করবেন তিনি ।
রাষ্ট্রপতি
খিলগাঁওয়ের রয়েল এইড হাসপাতালে আগুন
অগ্নিকাণ্ডে ৭ বাংলাদেশির প্রাণহানি / গ্রেপ্তার কলকাতার সেই হোটেল মালিক
ফরিদপুরের সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্ততার করায় মো. শাহ আলম (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতার ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। হামলায় ওই বিএনপি নেতার একটি দাঁত ভেঙে পড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত শাহ আলম উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
বিএনপি নেতা শাহ আলম অভিযোগ করে বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গত বুধবার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফরিদ মোল্যাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফরিদের গ্রেফতারের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কিন্তু ওই আওয়ামী লীগ নেতার সমর্থকদের ধারণা, আমি তাকে গ্রেফতার করিয়েছি। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় আমি মাঝারদিয়া বাজারে গেলে আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ মোল্যার সমর্থকরা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় আমার একটি দাঁত ভেঙে পড়ে গেছে।
সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থকে ‘রাজনীতির নায়ক’ সম্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
শনিবার (২২ আগস্ট) নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, রাজনীতির নায়ক, মাননীয় তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ ভাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
উল্লেখ্য, বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। তাকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কেয়ামত হয়ে গেলেও পাঁচ বছর আগে নির্বাচন সম্ভব না বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
শনিবার (২২ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
নুর বলেন, বিরোধীদলসহ সবাইকে আমি অনুরোধ করবো সরকারকে সহযোগিতা করেন। আন্দোলন সংগ্রাম আরো ৪ বছর পরে করেন। কারণ নির্বাচন তো আর পাঁচ বছর আগে কোনাভাবেই সম্ভব না, কেয়ামত হয়ে গেলেও সম্ভব না। কারণ জনগণ ম্যান্ডেট দিয়েছে সরকারকে পাঁচ বছরের জন্য। আপনারা যদি রাজনৈতিক দল হিসেবে সরকারকে চাপে রাখবেন, সেটা ভালো। সেটা চার বছর পরে করেন। এখন পলিসিগত দিকে থেকে সংসদে ডিবেট করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের মধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে যতটুকু জাতীয় ঐক্য থাকবে, সরকার তত শক্তিশালী ভাবে এই দেশকে এগিয়ে নিতে যেতে পারবে।
বিরোধীদলের সমালোচনা করে নুর বলেন, বিরোধীদল রাষ্ট্রপতিকে ওয়েলকাম জানাচ্ছে, চুমুও দিচ্ছে আবার বাইরে এসে গালাগাল করছে। আমরা জানতাম কেউ গণঅধিকারের লোক, কেউ বিএনপির, কেউ আওয়ামী লীগের লোক। পরে দেখা গেল তারা সব জামায়াত-শিবিরের লোক। এটা তাদের গুপ্ত রূপ ছিল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের উদ্যোগে নারী সমাবেশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ৩টায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের দুইজন সংসদ সদস্যকে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারী শাহিনুর আক্তার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই কৃতি সন্তান ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ এবং রোকেয়া বেগম।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নে জোর দাবি জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ শহীদ জাবের ইব্রাহিমের মা এমপি রোকেয়া বেগম আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, "জুলাইয়ের শহীদরা আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ার অনুপ্রেরণা।" তিনি উপস্থিত নারী সমাজকে জুলাইয়ের চেতনা ও প্রেরণা বুকে ধারণ করে দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
উক্ত সংবর্ধনা ও নারী সমাবেশে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক নারী উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নারীদের সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পাশাপাশি দেশসেবায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ছাত্রশিবিরের সভাপতির পদ হারাতে হয় বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক শিবির নেতা ও খেলাফত মজলিসের বর্তমান মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।
শনিবার (২২ আগস্ট) এক গণমাধ্যমকে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে এ অভিযোগ করেন তিনি।
১৯৮২ সালে ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন ড. আহমদ আবদুল কাদের। সে সময় কেন ও কীভাবে সংগঠনটিতে যোগ দেন - সাক্ষাৎকারে সেসব কথা তুলে ধরেন তিনি।
আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ইসলাম যে শ্রেষ্ঠ ধর্ম, আমি সেটা ক্লাস এইটে এসে খুব ভালোভাবে বুঝেছি। তখনই দেখেছি, একমাত্র ইসলাম ধর্মেই সবকিছু আল্লাহর জন্য নিবেদিত। তবে আমি ধর্মকর্ম করি প্রাইমারি স্কুল থেকেই। খেলাধুলার মাঝখানেও আমি নামাজ ছাড়তাম না। এর মধ্যে ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান শুরু হয়। আমি জড়িয়ে পড়ি। মিছিল-মিটিং করি। তবে কোনো দলের ব্যানারে নয়। আইয়ুব খানের পতনের পর আন্দোলন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর গ্রামে চলে যায়। সেখানেও আন্দোলন নিয়ে মিটিং-মিছিল হয়। আমি বক্তব্য রাখি।
তিনি বলেন, ওই সময় আমি কেনেথ ডব্লিউ মর্গানের একটা বই পড়ি, সেখানে পাকিস্তানের সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদির বিষয়ে আমি জানি। ক্লাস টেনের শেষে দিকে মওদুদির লেখা আল্লাহর পথে জিহাদ পড়ি—ছোট বই। দাঁড়িয়ে বইটি পড়ে ফেললাম। বইটি পড়ে মনে হলো যে, এই যদি ইসলামের আদর্শ হয়, তাহলে তার ভিত্তিতে রাজনীতি করা যেতে পারে।
আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ১৯৭৪ সালে দাউদ হায়দার চার ধর্মের বিরুদ্ধে কবিতা লিখে। আমরা এর বিরুদ্ধে ‘আল্লাহু আকবার’ স্লোগানে হলে হলে মিছিল করি। মিছিলের পর সিদ্ধান্ত হয় পরদিন ধর্মঘট ডাকা হয়। ধর্মঘট সফল হয়নি। পরদিন বটতলায় প্রোগ্রাম করি। সেখানে বক্তৃতা রাখি। এসব কাজ এবং ধর্মঘট ব্যর্থ হওয়ায় আমার মনে হলো, এভাবে করলে হবে না, সংঘবদ্ধ হয়ে করতে হবে। এর মধ্যে ইসলামি মিশন নামে এক সংগঠনের যাত্রা শুরু হলো। আমি তাদের সাপোর্টার ছিলাম। ইসলামি আন্দোলন বিষয়ে দেশ-বিদেশের কিছু বই পড়লাম। সেসময় প্রতিদিনই খুনাখুনি হতো। বোমাবাজি হতো। তখন মনে হলো, এ ধরনের রাজনীতি করলে হবে না। আমাকে ইসলামি রাজনীতি হবে।
আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ১৯৮০ ও ১৯৮১ সালে মাওলানা আবু তাহের ছিলেন শিবিরের সভাপতি। তিনি প্রস্তাব দিলেন, ৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে রিভিও বা পর্যালোচনা করা হোক। শিবিরের জানা প্রয়োজন, ৭১-এ জামায়াতের ভূমিকা কী ছিল? তারা কেন পাকিস্তানিদের সহযোগিতা করেছিল? ৭১-এ জামায়াতের ভূমিকা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে একটি কমিটি করা হয়। আমি তার একজন সদস্য ছিলাম। আমরা প্রশ্নমালা প্রস্তুত করলাম। জামায়াতের সঙ্গে বসার ব্যবস্থা করতে তাহের ভাইকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। তার সময়ে আর এর অগ্রগতি হলো না। এরপর এনামুল হক মঞ্জু নামে একজন সভাপতি হলেন। তিনি বেশিদিন ছিলেন না।
তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে আমার ওপর দায়িত্ব এলো। আমি তখন মতিউর রহমান নিজামী সাহেবের কাছে গিয়ে ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে জানতে চাই। আমার কথাবার্তায় তিনি রেগে গেলেন মনে হলো। তিনি বললেন, তোমরা কী করতে চাও? বললাম, তথ্য জানতে চাই। পাকিস্তান আর্মিকে সাপোর্ট দেওয়ার বিষয়ে কোথায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এটা কি জামায়াতের শুরা মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। আলবদরকে কি জামায়াত স্বীকৃতি দিয়েছে? তিনি কিছু বললেন না। একপর্যায়ে দেখি আমার বিরুদ্ধে সারা দেশে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হলো। শিবিরের সদস্যদের আমার প্রতি সভাপতি হিসেবে আস্থা নেই। ভেতরগত সমস্যা তৈরি হলো। শুরার বৈঠক ডাকা হলো। গোলাম আজম সাহেব বৈঠকে এলেন। তিনি এর সুরাহার জন্য দায়িত্ব নিলেন। তিনি একটা লিখিত প্রস্তাব আনলেন। বৈঠক ডাকা হলো। শিবিরের সাবেক নেতারাও আসলেন। তিনি পড়ে শোনালেন, আহমদ আবদুল কাদের শিবির জীবন শেষ করবে আর শাহজাহান চৌধুরী—যিনি ছিলেন অনাস্থা প্রস্তাব আনার প্রধান উদ্যোগী, তিনি শপথ ভঙ্গের কাফফারা হিসেবে তিনটি রোজা রাখবে। সবাই চুপ। মুজাহিদ নামের এক ভাই বললেন, আমি এই রায় মানি না। তখন থেকেই ছাত্রশিবির শেষ আমার।
আনুষ্ঠানিকভাবে শিবির থেকে পদত্যাগ করেননি জানিয়ে আহমদ আবদুল কাদের আরও বলেন, আমাদের সমমনা কয়েকজনকে নিয়ে যুবশিবির গঠন করি। শিবিরে থাকাবস্থায়ও আমরা যুব সংগঠন করার কথা ভাবছিলাম। কারণ, শিবির থেকে বের হয়ে সরাসরি জামায়াতে যোগ দিতে হতো।
সোর্স: এশিয়া পোস্ট
জামায়াতে ইসলামী কখনো ক্ষমতায় এলে দেশকে ফিলিস্তিন বানিয়ে ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য জামায়াতে ইসলামীর মতো একটা হঠকারী দল এখন বিরোধীদল। বাংলাদেশের শুরু থেকেই এই দল হঠকারীর রাজনীতি করে এসেছে।’
নুরুল হক নুর আরও বলেন ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনের সুযোগ পেলে জামায়াত হয়তো ১৫-২০টা সিট পেত। তারা কি তবে বিরোধীদল হতে পারতো?’
জামায়াত ইসলামী প্রসঙ্গে তিনি বলেন ‘তারা কি রাষ্ট্র চালাতে পারবে? তারা কখনও রাজনৈতিকভাবে টপ লেভেলে গেলে দেশকে ফিলিস্তিন বানিয়ে ফেলবে। জামায়াতে ইসলামী কোনো রাজনৈতিক দল না। এটা একটা হটকারী-উগ্রবাদী গোষ্ঠী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পূর্বে আপনারা দেখেছেন, এই জামায়াতকে কোনো অ্যাম্বাসেডর ডেকে নিয়ে মিটিং করেছে? এখন হঠাৎ করে জামায়াত আমিরের বাসায় যাচ্ছে তারা। কেন? এটা হচ্ছে তাদের জন্য স্পেস করে দিচ্ছে। তাদের লাইনের কার্জকর্মে উৎসাহী করছে। এই অ্যাম্বাসেডররাই আবার সরকারকে চাপে দেওয়ার জন্য নতুন এজেন্ডা তৈরি করবে যে, বাংলাদেশে উগ্রবাদের উত্থান হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী এইভাবে সারা দেশে ছেয়ে গেছে।’
এসময় সরকারের অবস্থান সম্পর্কে নুর বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী প্রশ্নে সরকারকে শক্ত অবস্থানে থাকতে হবে। জামায়াতের মতো দলের উত্থান আমাদের জন্য ভালো কিছু হবে?’
উমরাহ হজ্জে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে বার্তা দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
শনিবার ( ২২ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি সূরা আত-তাওবার ৪০ নম্বর আয়াতের অংশবিশেষ তুলে ধরেন। আয়াতের উদ্ধৃত অংশে বলা হয়েছে, ‘হতাশ হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’
পোস্টে তিনি লেখেন, “হতাশ হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।”
- সূরা আত-তাওবা, ৯:৪০ কুরআনের এই একটি আয়াতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মক্কার জাবালে সুরের পাথুরে বুকের এক অসাধারণ ইতিহাস। হিজরতের রাত। মক্কা তখন পেছনে। কুরাইশের ষড়যন্ত্র থেকে বেরিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) ও হযরত আবু বকর (রা.) সরাসরি মদিনার পথে না গিয়ে মক্কার দক্ষিণে জাবালে সুরের দিকে রওনা হলেন। গন্তব্য এই দুর্গম পাহাড়ের গারে সওর।
আসিফ মাহমুদ লেখেন, তিন রাত তাঁরা সেখানে অবস্থান করেন। বাইরে কুরাইশের তল্লাশি। ভেতরে অপেক্ষা। কিন্তু সেই অপেক্ষাও ছিল পরিকল্পিত। হযরত আবু বকর (রা.)-এর পুত্র আবদুল্লাহ দিনের বেলা মক্কায় থেকে কুরাইশের গতিবিধির খবর সংগ্রহ করে রাতে গুহায় পৌঁছে দিতেন। আমের ইবনে ফুহাইরা তাঁর পশুপাল নিয়ে এসে সন্ধ্যার পর গুহার কাছ দিয়ে যেতেন, যাতে তাঁদের জন্য দুধের ব্যবস্থা হয় এবং পায়ের চিহ্নও মুছে যায়। তিন রাত পর পথপ্রদর্শক আবদুল্লাহ ইবনে উরাইকিত তাঁদের জন্য উট নিয়ে উপস্থিত হন। তারপর শুরু হয় মদিনার পথে সেই ঐতিহাসিক যাত্রা। এর মধ্যেই একসময় কুরাইশের অনুসরণকারীরা গুহার মুখ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এত কাছে যে হযরত আবু বকর (রা.) আশঙ্কা করেছিলেন, তারা নিচের দিকে তাকালেই তাঁদের দেখে ফেলবে।
আসিফ লেখেন, সেই ভয়াবহ মুহূর্তে রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, “হে আবু বকর! এমন দুজন সম্পর্কে তোমার কী ধারণা, যাদের তৃতীয়জন আল্লাহ?” (সহীহ বুখারী)
তারপরই আসে সেই আয়াতের পরের অংশ
“অতঃপর আল্লাহ তাঁর ওপর স্বীয় প্রশান্তি নাজিল করলেন এবং এমন বাহিনী দ্বারা তাঁকে সাহায্য করলেন, যা তোমরা দেখতে পাওনি...” - সূরা আত-তাওবা, ৯:৪০
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘একটি গুহার অন্ধকারে তিন রাতের সেই অপেক্ষা শেষ পর্যন্ত জন্ম দিয়েছিল এমন এক যাত্রার, যার গন্তব্য শুধু মদিনায় সীমাবদ্ধ ছিল না। যার মধ্য দিয়ে ইসলামের ইতিহাস নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছিল। ছড়িয়ে গিয়েছিল সারাবিশ্বে।’
‘জাবালে সুর আজও দাঁড়িয়ে আছে। পাথরগুলো বদলায়নি। বদলে গেছে পৃথিবী। ইতিহাস কখনো কখনো বিশাল কোনো প্রাসাদে লেখা হয় না। কখনো তা লেখা থাকে পাথরের গায়ে, নির্জন কোনো গুহার অন্ধকারে আর তার আলো ছড়িয়ে পড়ে শতাব্দীর পর শতাব্দী।’
‘জাবালে সুরের ঐতিহাসিক ঘটনায় যেমন ছিল সতর্ক পরিকল্পনা, তেমনি ছিল নিঃশর্ত তাওয়াক্কুল। ছিল সাধ্যের সবটুকু চেষ্টা আর আল্লাহর ওপর সম্পূর্ণ ভরসা। আল্লাহ আমাদেরও সেই আস্থা, ধৈর্য ও সত্যের পথে অবিচল থাকার তাওফিক দিন। আমিন৷’
গাইবান্ধার সাঘাটায় শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিন নিহত হওয়ার পর গত ১০ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সাঘাটায় গিয়ে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি সালাউদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে তার বাবা আতাউর রহমানের সঙ্গে ঘরের ভেতরে একান্তে কথা বলেন।
পরে ওই কথোপকথনের বিষয়ে জানতে এনএসআই পরিচয়ে ফোন করে তথ্য চাওয়া এবং তথ্য না দিলে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। কল রেকর্ডে নিহত সালাউদ্দিনের মামা আতাউর রহমানকে ফোন করে জামায়াতের সাঘাটা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও যুব জামায়াতের সভাপতি এনামুল হক সরকারকে বলতে শোনা যায়, ‘কবিরাজ সাহেব, এনএসআই ফোন দিয়ে আপনার নম্বর নিয়েছে।’
এরপর যুব জামায়াতের বোনারপাড়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি শাহজাহান আলী ও যুব জামায়াতের কর্মী শিহাব এনএসআই পরিচয়ে আতাউর রহমানকে ফোন করেন। তাদের একজন নিজেকে ‘এনএসআই হাবিব’ পরিচয় দিয়ে জানতে চান, তিনি সালাউদ্দিনের মামা কি না এবং জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কী কথা হয়েছে।
জবাবে আতাউর রহমান বলেন, তিনি ওই সময় বাইরে ছিলেন। ফলে সালাউদ্দিনের বাবা ও জামায়াত আমির ঘরের ভেতরে কী কথা বলেছেন, তা তার জানা নেই।
কথোপকথনের একপর্যায়ে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে তাকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কেন জামায়াত আমিরের হাত ধরেছেন এবং আমিরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সালাম দেওয়ার অনুমতি কে দিয়েছে। একপর্যায়ে তাকে ‘তুলে নিয়ে আসা হবে’ বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন আতাউর রহমান।
পরে আবার আতাউর রহমানকে ফোন করেন এনামুল হক সরকার। তিনি জানতে চান, আতাউর রহমান নাকি এনএসআইয়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। জবাবে আতাউর রহমান বলেন, তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেই তিনি ওইভাবে কথা বলেছেন। এরপর এনামুল হক বলেন, ‘আপনাকে তুলে নিয়ে যাবে কেন, আমরা আছি।’
কল রেকর্ডের আরেক অংশে এনামুল হক আতাউর রহমানের কাছে জানতে চান, সালাউদ্দিনের বাবা ও জামায়াত আমিরের মধ্যে ঘরের ভেতরে কী কথা হয়েছে তিনি জানেন কি না। আতাউর রহমান জানান, তিনি বাইরে ছিলেন, তাই কী কথা হয়েছে তা তিনি জানেন না। পরে এনামুল হক সালাউদ্দিনের মা বিলকিছ বেগমের কাছ থেকে বিষয়টি জেনে নিতে বলেন।
এ বিষয়ে সালাউদ্দিনের মামা আতাউর রহমান বলেন, ‘আমাকে এনএসআই পরিচয়ে ফোন করে বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়েছে। আমি দিতে না চাইলে আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।’
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এনএসআই পরিচয়ে ফোন করা ব্যক্তিরা কারা এবং তারা কোনো সরকারি সংস্থার পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন কি না, তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন নিহত সালাউদ্দিনের পরিবার।
নিহত সালাউদ্দিনের বড় ভাই সাদেকুর রহমান জানান, জামায়াতের উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক ভুয়া এনএসআই টিম সাজিয়ে আমার মামাকে ফোন দেয়। তারা জামায়াত আমিরের সঙ্গে আমার বাবার সাক্ষাৎ বিষয়ে যে গোপন তথ্য চেয়েছেন, এটি জামায়াতে ইসলামীর কোন নিয়মে আছে?
অভিযুক্ত যুব জামায়াতের বোনারপাড়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি শাহজাহান আলী ও যুব জামায়াতের কর্মী শিহাব সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি মোটেও ঠিক করা হয়নি। আমরা বুঝতে পারিনি।’
জামায়াতে ইসলামীর সাঘাটা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও যুব জামায়াতের সভাপতি এনামুল হক সরকার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে জামায়াতের সাঘাটা উপজেলা শাখার একটি পেজে বিষয়টি ইয়ারকি বলে পোস্ট দেওয়া হয়েছে। পোস্টে লেখা আছে—‘ইয়ার্কি তো ইয়ার্কি। কেউ হেসে নেয় কেউ সিরিয়াস নেয়। তবে ইয়ার্কির একটা সময় ও সীমা থাকে। তবে শিক্ষা নিতে হবে...’
সাঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমির ইব্রাহীম আলী জানান, ‘বিষয়টি জানার পরে আমরা জেলা জামায়াতকে অবগত করেছি। পরে দলের মতামতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পবিত্র কুমার জানান, ভুয়া এনএসআই পরিচয় দেওয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে ফ্রেশ স্যানিটারিওয়্যারের যাত্রা শুরু
দেশের স্যানিটারিওয়্যার বাজারে নতুন পণ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান মেঘনা সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের
বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি নির্ধারণ মালয়েশিয়ার
বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে ২৫টি রিক্রুটিং সংস্থা বা এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (এফডব্লিউসিএমএস)
কলম্বিয়ার সাথে হারের পর কোচ রবার্তো মার্তিনেজের সাথে বিমর্ষ রোনালদোরা।
বিড়ালকে সঙ্গে নিয়ে জাপান ভক্তের ম্যাচ উদ্যাপন
নিজের অষ্টম জন্মদিনে রোনালদোর অটোগ্রাফের জন্য ভক্তের আবদার
প্রিয় দলকে উৎসাহ দিতে বর্ণিল সাজে আর্জেন্টিনার ক্ষুদে ভক্ত
Share
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
ছবিতে বিশ্বকাপ
ব্যাংককে সাফা, রইল ৭টি ছবি
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান