রবিবার
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

দুই দিনের সরকারি সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৫৮ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে পৌঁছান তিনি। রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত

৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার

৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার

গোপালগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খালে, নিহত ৩

গোপালগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খালে, নিহত ৩

বিদেশ ভ্রমণে ১৮ হাজার ডলার ব্যয়ের অনুমোদন

বিদেশ ভ্রমণে ১৮ হাজার ডলার ব্যয়ের অনুমোদন

হাইকোর্টে বিদিশার জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

হাইকোর্টে বিদিশার জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

ধানমন্ডিতে টাকা লুটের ঘটনায় সাবেক তিন সেনাসহ গ্রেপ্তার ৯

ধানমন্ডিতে টাকা লুটের ঘটনায় সাবেক তিন সেনাসহ গ্রেপ্তার ৯

দর্শক সারিতে বসে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী

দর্শক সারিতে বসে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার...
দর্শক সারিতে বসে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম।  ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের প্রতি ভরিতে ৩ হাজার...
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে মেয়ের আবেগঘন বার্তা

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও সফর ও নাগরিক সংবর্ধনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে...
রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে মেয়ের আবেগঘন বার্তা

বিনা সুদে মিলবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ, পাবেন যারা

প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি ঋণ দেওয়ার একটি নতুন...
বিনা সুদে মিলবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ, পাবেন যারা

৫ ধাপে বাড়বে পেনশন, কোন ধাপে কত

নবম জাতীয় পে-স্কেলকে সামনে রেখে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের পেনশন কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া...
৫ ধাপে বাড়বে পেনশন, কোন ধাপে কত
পাসপোর্ট অফিসে ‘দরবেশ বাবা’, দৈনিক আয় ৪ লাখ!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস / পাসপোর্ট অফিসে ‘দরবেশ বাবা’, দৈনিক আয় ৪ লাখ!

শতভাগ জিপিএ-৫ এর আড়ালে চলে ভয়ংকর কার্যক্রম!

শতভাগ জিপিএ-৫ এর আড়ালে চলে ভয়ংকর কার্যক্রম!

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের সম্পদের পাহাড়!

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের সম্পদের পাহাড়!

ইসলামী ব্যাংক দখলের নেপথ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

ইসলামী ব্যাংক দখলের নেপথ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

  • সর্বশেষ

  • জনপ্রিয়

হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধী দলের লংমার্চ অযৌক্তিক: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

‘তোমার স্মৃতি আজও হৃদয়ে অমলিন সালমান’

আলোচিত পীর শামীমের দেহাবশেষ উত্তোলনের ঘটনায় মামলা

নড়াইলে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকার, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু 

৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহ

শাকিব খান তার অপমানের প্রতিশোধ নিচ্ছে: জ্যাকি আলমগীর

পেকুয়ায় নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৫ ধাপে বাড়বে পেনশন, কোন ধাপে কত

লালমনিরহাটে সারের সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ

১০

শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকদের ভূমিকা রাখতে হবে: এমপি সরওয়ার 

১১

সাভারে এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

১২

বিদেশ ভ্রমণে ১৮ হাজার ডলার ব্যয়ের অনুমোদন

১৩

লংমার্চে নাসীরুদ্দীনের প্রাডো গাড়ি নিয়ে কৌতূহল, যা বললেন তিনি

১৪

ধানমন্ডিতে টাকা লুটের ঘটনায় সাবেক তিন সেনাসহ গ্রেপ্তার ৯

১৫

বাড্ডা সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দুদকের অভিযান

১৬

জামায়াত আমিরের গাড়িবহরে লাল কার্ড, যা বললেন ছাত্রদল নেতা

১৭

পৃথিবীর দীর্ঘতম ‘লং-মার্চ’, যা বদলে দিয়েছিল ইতিহাস

১৮

৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার

১৯

অন্তঃসত্ত্বা নায়িকার সাথে ধস্তাধস্তিতে রক্তপাত, কি ঘটেছিল সেদিন?

২০
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম
    প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিকারী সিফাত আব্দুল্লাহকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের। এই আহ্বানের সঙ্গে আপনি একমত?

    প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিকারী সিফাত আব্দুল্লাহকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের। এই আহ্বানের সঙ্গে আপনি একমত?

    • হ্যাঁ
    • না
    • মন্তব্য নেই
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ৪ জন
    মোট ভোটারঃ ৪
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
৫ ধাপে বাড়বে পেনশন, কোন ধাপে কত
৫ ধাপে বাড়বে পেনশন, কোন ধাপে কত
নবম জাতীয় পে-স্কেলকে সামনে রেখে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের পেনশন কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আগে অবসরে
৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার
৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার
দর্শক সারিতে বসে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী
দর্শক সারিতে বসে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী
ঠাকুরগাঁওয়ের পথে রাষ্ট্রপতি
ঠাকুরগাঁওয়ের পথে রাষ্ট্রপতি
পিএসসির নতুন চেয়ারম্যানের শপথ আজ
পিএসসির নতুন চেয়ারম্যানের শপথ আজ
অধিকার হরণ করলে সবাই ওসমান হাদি-আবু সাঈদ হয়ে যাব: মঞ্জু
অধিকার হরণ করলে সবাই ওসমান হাদি-আবু সাঈদ হয়ে যাব: মঞ্জু
মাদরাসা নিয়ে অপপ্রচার রোধে ‘ফ্যাক্ট-চেকিং ও লিগ্যাল প্যানেল’ গঠনের আহ্বান
মাদরাসা নিয়ে অপপ্রচার রোধে ‘ফ্যাক্ট-চেকিং ও লিগ্যাল প্যানেল’ গঠনের আহ্বান

লংমার্চে নাসীরুদ্দীনের প্রাডো গাড়ি নিয়ে কৌতূহল, যা বললেন তিনি

চট্টগ্রামমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর যাত্রার গাড়ি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক কর্মসূচিতে যোগ দেন একটি কালো টয়োটা প্রাডো গাড়িতে। মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরুর সময় গাড়িটির ছাদে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নাসীরুদ্দীন। তার হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। লংমার্চে ব্যবহৃত বিলাসবহুল গাড়িটি নিয়ে পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। নাসীরুদ্দীন জানান, তার নিজের কোনো গাড়ি নেই। কর্মসূচিতে কীভাবে যাবেন, তা নিয়ে আগের রাতে কয়েকজন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তার ভাষ্য, এক শুভাকাঙ্ক্ষী তাকে গাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা জানান। এরপর তিনি ওই ব্যক্তিকে গাড়ি নিয়ে আসতে বলেন। তবে গাড়িটির মালিক বা যিনি এটি দিয়েছেন, তার পরিচয় প্রকাশ করেননি নাসীরুদ্দীন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, পরিচয় প্রকাশ করা হলে ওই ব্যক্তির গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নিজের গাড়ি কেনার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন এনসিপির এই নেতা। এ জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন ভালো একটি গাড়ি কিনতে পারেন।

ডিসেম্বরে ফেরা হচ্ছে না হাসিনার

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতে অবস্থানকারী ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি, ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক সমীকরণ এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, তিনি ডিসেম্বরে ফিরছেন না। তার দেশে ফেরার পথ মূলত আইনি, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক- তিন দিক থেকেই বন্ধ। খোঁজ নিয়ে এও জানা গেছে, ঢাকা এখন আর শুধু শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার প্রশ্নে আটকে নেই। সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করতে পারেন; কিন্তু সেখান থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া, রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া কিংবা কোনো ধরনের সাংগঠনিক তৎপরতায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ যেন তাকে দেওয়া না হয়।  অর্থাৎ ঢাকার বর্তমান অবস্থান অনেকটাই পরিষ্কার- শেখ হাসিনাকে ভারত রাখবে কি না, সেটি ভারতের বিষয়; কিন্তু ভারতের মাটি ব্যবহার করে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করতে পারবেন না। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এরপর আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের বহু নেতা দেশ ছেড়ে যান। অনেকে আছেন কারাগারে, কেউ আত্মগোপনে। আকস্মিক এ পটপরিবর্তনের পর দলটি কার্যত নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সংকটে পড়ে। এরপরও ভার্চুয়াল মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন শেখ হাসিনা। তৃণমূল নেতাকর্মীদের হতাশা কাটাতে গত জুলাইয়ে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। ঘোষণাটি আওয়ামী লীগের মাঠপর্যায়ে নতুন আশার সঞ্চার করে। কিন্তু সে ঘোষণা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই এখন পর্যন্ত। ফেরার ঘোষণা, কিন্তু বাস্তব প্রস্তুতি নেই বিদেশে অবস্থানকারী আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখা এবং মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক অস্তিত্ব জানান দিতে বছরের শেষভাগে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার যে বার্তা প্রচার করা হয়েছিল, সেটি এখন মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই সীমাবদ্ধ।  দলীয় পর্যায়ে তার ফেরাকে কেন্দ্র করে দৃশ্যমান কোনো বড় প্রস্তুতি নেই। বরং দলের ভেতরেই ধরে নেওয়া হচ্ছে, ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না। এখন আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সামনে নতুন প্রশ্ন- ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে না ফিরলে কী ব্যাখ্যা দেবে দল এবং কীভাবে সামাল দেবে নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা কমে যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতুন বিষয় হচ্ছে, ভারতকে ঘিরে সরকারের অবস্থান। ঢাকা এখন আর শুধু শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার প্রশ্নে আটকে নেই।  খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের কাছে তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হচ্ছে- ভারতের ভূখণ্ড যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার উৎস না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে দিল্লিকে জানানো হয়েছে, ভারত চাইলে শেখ হাসিনাকে সেখানে রাখতে পারে; কিন্তু তার অবস্থানকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা বা প্রভাব বিস্তারের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের আশঙ্কা, শেখ হাসিনা ভারতের মাটিতে অবস্থান করে নিয়মিত রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা কিংবা দলীয় কর্মকাণ্ডে নির্দেশনা দেওয়া অব্যাহত রাখলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ঢাকার অবস্থান তাই পরিষ্কার- শেখ হাসিনা ভারতে থাকলে থাকুন; কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ যেন না পান। এ নিশ্চয়তাই এখন বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তারেক রহমানের ভারত সফরেও ‘হাসিনা ফ্যাক্টর’ এ অবস্থান সরাসরি প্রভাব ফেলছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরেও। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের মধ্যেই শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে অস্বস্তি সৃষ্টি হয়েছে।  বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মনে করা হচ্ছে, দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে হলে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে তারেক রহমানের ভারত সফরের আগে ঢাকা চায়, শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করলেও তিনি যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে না পারেন- সে বিষয়ে দিল্লির সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।  অর্থাৎ তারেক রহমানের সফরের আলোচনায় এখন শুধু বাণিজ্য, সীমান্ত, পানি কিংবা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়; শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। এ কারণেই শেখ হাসিনার ডিসেম্বরের ফেরার প্রশ্নটি আরও জটিল হয়েছে। সরকারের একজন উপদেষ্টা আলাপকালে এ প্রসঙ্গে আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা যদি ভারতে থাকেন এবং সেখান থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারেন, তাহলে ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের অস্বস্তি বাড়বে। আর ভারত যদি তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সীমা আরোপ করে, তাহলে শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা কার্যত আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরা আটকে থাকার পেছনে একাধিক দৃশ্যমান ও অদৃশ্য কারণ রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রায় ও আইনি চাপ শেখ হাসিনার দেশে ফেরার অন্যতম বাধা এখন আইনি। জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিচার হয়েছে। একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ডের রায়ও হয়েছে। ফলে দেশে ফিরলেই তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।  গ্রেপ্তার এড়ানো কিংবা স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ তার সামনে নেই। এ বাস্তবতায় স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা কার্যত শূন্য। প্রত্যর্পণ এখন দিল্লির সিদ্ধান্তের বিষয় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রশ্নে বাংলাদেশ তার আইনি অবস্থান জানিয়েছে। কিন্তু তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। ফলে তার দেশে ফেরার বিষয়টি এখন বাংলাদেশের একক সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হওয়ার সুযোগ নেই। ভারতের নিজস্ব আইনি প্রক্রিয়া, কূটনৈতিক বিবেচনা এবং দুই দেশের সম্পর্ক— সবকিছুর ওপর বিষয়টি নির্ভর করছে। তাই ডিসেম্বরের মতো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে, এমন কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দুর্বলতা গত সাড়ে ১৫ বছরে একক ব্যক্তিকেন্দ্রিক যে রাজনৈতিক কাঠামো আওয়ামী লীগে সৃষ্টি হয়েছিল, ৫ আগস্টের পর তা দ্রুত ভেঙে পড়ে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বহু নেতা কারাগারে, অনেকে বিদেশে, কেউ আত্মগোপনে। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের বড় অংশ মামলা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। এ অবস্থায় শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে রাজনৈতিকভাবে গ্রহণ করার মতো আগের সেই সংগঠিত শক্তি আওয়ামী লীগের নেই। তৃণমূলে সমর্থন থাকলেও সেটিকে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ দেওয়ার সক্ষমতা এখন প্রশ্নের মুখে। নিরাপত্তাঝুঁকি শেখ হাসিনার দেশে ফেরা মানেই শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাবর্তন নয়; এটি বড় রাজনৈতিক ঘটনা। তার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ, পাল্টা কর্মসূচি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। অভ্যুত্থানের পর তার বিরুদ্ধে যে জনক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল, সেটিও পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। ফলে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। কী ভাবছে আওয়ামী লীগ বিদেশে অবস্থানকারী আওয়ামী লীগের একজন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা ছিল অনেকটাই তার নিজের সিদ্ধান্ত। এর আগে তিনি দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু মামলা, গ্রেপ্তার ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কারণে কেউই তা বাস্তবায়ন করতে পারেননি। ফলে শেখ হাসিনা নিজেই দেশে ফেরার ঘোষণা দেন। কিন্তু ঘোষণার পর বাস্তবতা বদলায়নি। ওই সদস্যের ভাষায়, ‘নেত্রী ফিরতে চান; কিন্তু এখন বিষয়টি শুধু তার চাওয়ার ওপর নির্ভর করছে না।’ দলের সম্পাদকমণ্ডলীর দুজন নেতার ভাষ্যও একই ধরনের। তাদের একজন বললেন, ‘শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সঙ্গে এখন কূটনৈতিক নানা বিষয় জড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক সমর্থন, ভারতের অবস্থান এবং আইনি প্রক্রিয়া- সবকিছু বিবেচনায় নিতে হচ্ছে।’ অন্যজনের মতে, ‘ডিসেম্বরে তিনি না ফিরলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে তার ফেরার প্রত্যাশা ধরে রাখা হবে।’ তবে কট্টরপন্থীদের হিসাব অন্যরকম আওয়ামী লীগের একজন কট্টরপন্থী সম্পাদক অবশ্য ভিন্ন হিসাব দিচ্ছেন। তার দাবি, দেশে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। মানুষ বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের তুলনা করতে শুরু করেছেন। তার মতে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার রাজনৈতিক পটভূমি তৈরি হতে পারে। তিনি মনে করেন, শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এখনো রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে নিজের অবস্থান তুলে ধরার সক্ষমতা তার আছে। তবে দলের এই অংশের রাজনৈতিক মূল্যায়ন ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবে প্রতিফলিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে হচ্ছে।  কী বলছেন বিশ্লেষকরা বিষয়টি নিয়ে কথা হয় রাজনীতি বিশ্লেষক ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঙ্গে। ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনার ফেরা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন তিনি। বললেন, ‘শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পরদিনই বলেছিলেন, ওনারা বাংলাদেশ সম্পর্কে আর আগ্রহী নন।  ওনার ছেলেও লাইভে এসে জানিয়েছিলেন, তার মা আর রাজনীতিতে আগ্রহী নন। তিনি (শেখ হাসিনা) বাকি জীবন প্রবাসেই কাটিয়ে দিতে চান। সেজন্য ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফিরে আসা একটা কথার কথা মাত্র।’  এই বিশ্লেষক আরও বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা বিদেশে বসে গণতন্ত্রের কথা বললেন, দায়বদ্ধতার কথা বললেন। কিন্তু তার ক্ষমতায় থাকার জন্য বহু মানুষের জীবন চলে গেছে। তিনি এখনো তার দায় নিচ্ছেন না। দুর্নীতি, লুটপাট ও অর্থ পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। এর জন্য দায়বদ্ধ হতে তার ফিরে আসা অথবা তাকে ফিরিয়ে আনা উচিত।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বললেন, ‘শেখ হাসিনার ফিরে আসার বিষয়টি এখন আর তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না।  এর সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক, উভয় দেশের চাওয়া, ভূরাজনীতি এবং ভারতের আইনি দিকগুলোও জড়িত- যা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। কিন্তু ডিসেম্বর খুব একটা বেশি দূরে নয়। আর এ স্বল্প সময়ের মধ্যে শেখ হাসিনার ফিরে আসার তেমন কোনো আলামত এখনো স্পষ্ট নয়। তার ফেরা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও তেমন কোনো প্রস্তুতি চোখে পড়ছে না। সার্বিক পরিস্থিতি তার ফেরার কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছে না।’ সূত্র: আগামীর সময় 

বালুর ট্রাক সরাতে না পারা দলের পরামর্শ প্রয়োজন নেই: সারজিস

যে দল বালুর ট্রাক সরাতে পারে না, ব্যর্থ মার্চ করে এবং সরকার ও বিরোধী দল হিসেবে ব্যর্থ ছিল, সেই দলের আমাদের পরামর্শ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ব্যর্থ সরকারের কাছ থেকে নসিহত নিয়ে আমাদের রাজনীতি করতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।  শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ শেষে চট্টগ্রামের লালদিঘির সমাবেশে বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। সারজিস বলেন, গত ১৬ বছর যারা বিভিন্নভাবে ভয় দেখিয়ে এবং আইনের মাধ্যমে বিরোধী দলকে দমনের চেষ্টা করেছে, তাদের পরিণতি থেকে আপনারা শিক্ষা নেওয়া শুরু করুন। নিজেদের অরাজকতা থেকে মানুষের মনোযোগ সরাতে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর যে রাজনীতি, বাংলাদেশের মানুষ এখন আর তা খায় না। তিনি বলেন, আপনারা বিরোধী দলে থেকে মার্চ ফর ডেমোক্রেসির ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই বালুর ট্রাকটিও সরাতে পারেননি। যে দল বালুর ট্রাক সরাতে পারে না, ব্যর্থ মার্চ করে এবং সরকার ও বিরোধী দল হিসেবে ব্যর্থ ছিল, সেই দলের আমাদের পরামর্শ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ব্যর্থ সরকারের কাছ থেকে নসিহত নিয়ে আমাদের রাজনীতি করতে হবে না। তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মধ্যে বিএনপির সরকার এমন চোরাবালিতে পড়ে গেছে, এখন যতই নড়াচড়া করছে ততই ভেতরের দিকে তলিয়ে যাচ্ছে। আপনারা নিজেদের ঠিক করুন, ছাত্রদল ও যুবদলকে ঠিক করুন। এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, এবি পার্টি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, নেজামে ইসলামে পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইজহার, সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান, এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া, জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা শাহজাহান চৌধুরী এমপি, জামায়াত নেতা মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপি, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি প্রমুখ।
বালুর ট্রাক সরাতে না পারা দলের পরামর্শ প্রয়োজন নেই: সারজিস

দলের ভেতর-বাইরে ষড়যন্ত্রের ফাঁদ, নেতাকর্মীদেরকে মির্জা আব্বাসের সতর্কবার্তা

বিএনপি বিরুদ্ধে দলের ভেতর ও বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ শনিবার বিকালে রাজধানীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি এ কথা জানান। ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে মির্জা আব্বাস বলেন, এর মধ্যে অনেক কিছু হবে, হচ্ছে। সব কিছু আপনার কানে যায় না। আমাদের কাছে যা আসে, যেগুলো আসে ইনশাআল্লাহ আপনাকে জানাব। এই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দলের ভিতর থেকে হচ্ছে, দলের বাইরে থেকে হচ্ছে। এটা আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। আপনারা যারা আছেন আমার ভাইয়েরা, আমি মনে করি সকলেই মোটামুটি দেশপ্রেমিক এবং দলপ্রেমিক। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মির্জা আব্বাস বলেন, যেগুলো আপনারা জানবেন তা কথায় এবং কাজে নেতাকে জানিয়ে দিবেন। কারণ কোনো কিছু গোপন থাকলেই সবকিছু শেষ হয়ে যায় না। আর হাত দিয়ে রাতের অন্ধকার কিংবা দিনের আলো ঢেকে রাখা যায় না। এটা প্রকাশ হবেই। আপনারা সবাই আমার সহকর্মী, আপনারা নেতাকে ফাঁকি দেওয়া মানে দেশকে ফাঁকি দেওয়া, এটা মনে রাখবেন। কিছু নেতাকর্মীর আচরণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, আমার অনেক নেতাকর্মী আছেন, কিছু মনে করবেন না, আমি খোলাখুলি বলি। কিছু নেতা-কর্মীর কারণে বদনাম হচ্ছে। আপনাদের বয়সটা আমাদের ছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছি, রাজনীতি শিখেছি। বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছি। কিন্তু আমাদের সময়ের দুই-একজন হাতেগোনা লোক ছাড়া এই দলের কোনো বদনাম আমাদের কারণে হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আপনারা যারা উপস্থিত আছেন, তারা অন্তত সীমিত সংখ্যক। যদি আপনারা সঠিক নেতৃত্ব দেন এবং সঠিক বিষয়গুলো নেতার কাছে তুলে ধরেন, তাহলে নিশ্চয়ই দল আরও টিকে থাকবে। আজকে ৪৮ বছর হয়েছে। ভেবে দেখেন একটা দলের ৪৮ বছর হয়েছে। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা, যাকে হত্যা করা হয়েছে, এই দলের ওপর অত্যাচার কম হয়নি। বেগম খালেদা জিয়া জেল খেটেছেন। আমরা জেল খেটেছি। দল এখনো ঠিক আছে। দল রক্ষা ও ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ দল মরে যাওয়ার জন্য আসে নাই, ভেঙ্গে যাওয়ার জন্য আসে নাই। দুই-একজন লোকের জন্য দলটার বদনাম হতে পারে না। এটা একটু আপনারা খেয়াল রাখবেন। আশা করি, আমার কথা নেতা বুঝেছেন। আপনারাও ভালো করে বুঝেছেন। দয়া করে যাই করেন না কেন, দলটাকে বাঁচিয়ে রাখবেন। এই দলই দেশ বাঁচিয়ে রাখবে। এ সময় আবেগআপ্লুত কণ্ঠে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানান, আপনাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ। আমার বক্তব্যে কেউ মর্মাহত হলে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। দলটাকে আমি অনেক ভালোবাসি। সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত বুধবার দেশে ফিরে শারীরিক অসুস্থতা নিয়েও হুইলচেয়ারে করে আলোচনা সভায় যোগ দেন মির্জা আব্বাস। তিনি মঞ্চে উঠে প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনে বসেন। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, বিএনপি তো শুধু একটি দলের নাম নয়; বিএনপি মানে স্বাধীনতার চেতনা, বিএনপি মানে গণতন্ত্র, বিএনপি মানে মানুষের অধিকার। আমরা একই আদর্শে অটল। অনেক ঝড় এসেছে, আমরা ভেঙ্গে পড়িনি; নির্যাতন এসেছে, আমরা মাথা নত করিনি। কারণ আমরা শহীদ জিয়ার সৈনিক। আজকের দিনে আমাদের শপথ দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত আমরা রাজপথে ছিলাম, থাকব। জনগণের পাশে থাকব। আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে নিতে, শক্তিশালী করতে, মানুষের বাংলাদেশ গড়তে আমরা আমাদের নেতা তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করি। নিজের চিকিৎসা ও নেতার সহযোগিতার কথা স্মরণ করে তিনি তুলে ধরেন, আমি পরিপূর্ণভাবে সুস্থতা লাভ করিনি। এর মধ্যে আমি দেশের মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসা পেয়েছি, ভালোবাসা পেয়েছি আমাদের নেতা তারেক রহমানের। তিনি নিয়মিত খোঁজখবর নিয়েছেন। খুব ভালো লেগেছে। যদিও আমার কিছু করার ছিল না, শুধু শুনেছি। তখন ফোন করার মতো অবস্থা ছিল না আমার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সতর্ক করে দলের এই প্রবীণ নেতা বলেন, আজকে একটি কথা আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই। অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে এই দলের বিরুদ্ধে। অনেক ষড়যন্ত্র হবে। ষড়যন্ত্র হবে মাননীয় নেতা আপনার বিরুদ্ধে। আপনি দয়া করে সাবধানে থাকবেন। তিনি যোগ করেন, বহু কর্মী আছে, নেতা আছে যারা আপনার সামনে অনেক ভালো ভালো কথা বলে কিন্তু বাইরে ভালো কথা বলে না। আপনি কখনো আমাকে একাকীত্বে জিজ্ঞেস করেন, আমি আপনাকে সেগুলো বলব। বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার সাবধান হওয়া উচিত। কারণ, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এত স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহে আমি লালিত হয়েছি। তার সঙ্গে বহু কাজ করেছি। নিঃসন্দেহে কেউ তাকে হত্যা করেনি। কিন্তু তিনি যেভাবে মারা গেছেন, তা আমাদের কাম্য ছিল না। তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা আব্বাস দাবি করেন, আপনার সব ভালো ভালো কাজ কিছু খারাপ লোকের খারাপ কথায়, খারাপ কাজে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। দয়া করে আপনি খেয়াল রাখবেন। আজকের এই মিটিংয়ে এসেছি বিবেকের তাড়নায়। ৪৮ বছরে বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া, অসুস্থতা ছাড়া, আমার কখনো এই দিনটি পালন করা বাদ দেইনি। বিএনপির অনেক কাজ হয়তো বাদ গেছে, কিন্তু এই দিনটি পালন করা কখনো বাদ দিইনি, ভবিষ্যতেও দেব না। রাজনীতির শেষ ইচ্ছা প্রকাশ করে তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের হাতে রাজনীতিতে এসেছিলাম, খালেদা জিয়ার স্নেহ পেয়েছি। আপনার সঙ্গে রাজনীতি করে আমার রাজনৈতিক জীবন শেষ করতে চাই। বিএনপিতেই আমার রাজনীতি ইনশাআল্লাহ শেষ হবে।
দলের ভেতর-বাইরে ষড়যন্ত্রের ফাঁদ, নেতাকর্মীদেরকে মির্জা আব্বাসের সতর্কবার্তা

জামায়াত আমির  / যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম ও দুর্নীতি করে, সেই সবচেয়ে বড় গুপ্ত।  শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিমানবন্দরে এক প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কয়েক দিন আগে তিনজন ছিনতাইকারী একজন প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই করেছে। ছিনতাইয়ের সময় তারা নিজেদের আওয়ামী লীগের লোক পরিচয় দিয়ে ভয় দেখিয়েছিল। কিন্তু ধরা পড়ার পর দেখা গেল, তারা বিএনপির লোক। তিনি বলেন, এরা গুপ্ত। যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, দুর্নীতি করে, সেই হচ্ছে সবচেয়ে বড় গুপ্ত। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ জনগণ দুটি ভোট দিয়েছিল। একটি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচনের জন্য, আরেকটি বাংলাদেশের রাজনীতির পরিবর্তনের জন্য সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে। একই ব্যক্তিকে দুটি ভোট দিতে হয়েছিল। নির্বাচনের আগে বর্তমান সরকারি দল এবং আমরা সবাই বলেছিলাম, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলুন। ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। বিএনপিও এ কথা বলেছে, আমরাও বলেছি। ছয় মাস চলে গেল, বিএনপি কি তাদের কথা রেখেছে? তিনি বলেন, ওই সময় বাংলাদেশের মানুষ বুকভরা আশা নিয়ে ভেবেছিল, এবার একটা পরিবর্তন আসবে। বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে না। মানুষ আদালতে গেলে আর শোষণ-বঞ্চনার শিকার হবে না, ন্যায়বিচার পাবে। সন্তানরা ভালো শিক্ষা পাবে, হাতে ভালো কাজ পাবে এবং তারা দেশ গড়বে। দেশ থেকে চাঁদাবাজি, ঘুষ ও দুর্নীতি নির্মূল হবে। কিন্তু তার একটাও হয়নি। জামায়াত আমির বলেন, তারা তখন বলেছিল, অনির্বাচিত সরকার যত দ্রুত বিদায় নেবে, দেশের তত মঙ্গল হবে। আমি জিজ্ঞেস করতে চাই, অনির্বাচিত সরকার আমাদের জান্নাতে পাঠায়নি, এটা ঠিক। কিন্তু অনির্বাচিত সরকারের সময় আপনারা যেমন ছিলেন, এখন কি সেই সুবিধাগুলো পাচ্ছেন? সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ না থাকলেও বিদ্যুতের বিল আসছে। গ্যাস দেবে না, কিন্তু গ্যাসের বিল জমা দিতে হচ্ছে। তেল পাই না, জ্বালানি পাই না। চারদিকে হাহাকার। তিনি আরও বলেন, সমাজে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাস ও হানাহানি চলছে। দলীয় আনুকূল্য ও প্রশ্রয়ে সরকারি দলের লোকেরা সন্ত্রাস ও চুরি-ছিনতাইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের শেষ কর্মসূচি হিসেবে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে এ সমাবেশ চলে। জোটের পক্ষ থেকে ঘোষিত ছয় দফা দাবির মধ্যে আছে– অবিলম্বে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও অপরাধ দমন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।
যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত

শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অগ্রগতি: মাহদী আমিন

শ্রমজীবী মানুষকে জাতীয় অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তাদের টেকসই নিরাপত্তা, মর্যাদা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) সম্মেলন ও সাধারণ সভার মাহদী আমিন একথা বলেন। ‘মর্যাদা, অধিকার, ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়’ শীর্ষক এ সভা হয়। মাহদী আমিন বলেন, শ্রমিক শুধু শ্রম দেন না, তারাই দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন। শ্রমের মর্যাদা নিশ্চিত করা মানে দেশের মর্যাদা নিশ্চিত করা। ন্যায্য মজুরি কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি শ্রমিকের ন্যায্য প্রাপ্য। নিরাপদ কর্মপরিবেশ প্রতিটি শ্রমিকের মৌলিক অধিকার। শ্রমিকের কল্যাণ মানে শুধু একজন কর্মীর কল্যাণ নয়, একটি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। দক্ষ শ্রমিক দেশের অন্যতম বড় উৎপাদনশীল সম্পদ। শ্রমিকের দক্ষতা বাড়লে শিল্পের সক্ষমতা ও দেশের প্রতিযোগিতার শক্তি বাড়ে। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে শ্রমিকের দক্ষতাকেও এগিয়ে নিতে হবে। নতুন শিল্প ও নতুন কর্মসংস্থানের জন্য আগামী প্রজন্মের শ্রমশক্তিকে প্রস্তুত করার পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে শ্রমিকের দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় বিনিয়োগ করার উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র। শিল্পখাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক এবং অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, শিল্পের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মালিক ও শ্রমিককে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক হয়ে কাজ করতে হবে। সরকারের ‘ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ ব্যবস্থা’ (ট্রাইপারটাইট কনসালটেশন)-এর মাধ্যমেই শিল্প খাতকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, মালিক ও শ্রমিকের মধ্যকার এই সম্পর্ক কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; এটি হতে হবে আস্থা, পারস্পরিক নির্ভরতা এবং গভীর ভালোবাসার। একটি টেকসই শিল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উভয় পক্ষের মধ্যে নিয়মিত কার্যকর যোগাযোগ, দায়িত্বশীলতা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিশেষ তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, কর্মক্ষেত্রে ন্যায়বিচার থাকলে আস্থা তৈরি হয়, আর আস্থা থাকলে উৎপাদন বাড়ে। নারী শ্রমিকের নিরাপত্তা ও সমান সুযোগের নিশ্চিয়তা অর্থনীতির সক্ষমতাও বাড়ায়। কর্মসংস্থানের সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেই কর্মসংস্থানের মানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিকের সন্তান যেন আরও ভালো শিক্ষা ও বড় স্বপ্নের সুযোগ পায়, এটিও শ্রমিক কল্যাণের অংশ। আজকের শ্রমশক্তিকে আগামী দিনের পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত করাই হবে আমাদের অন্যতম বড় বিনিয়োগ। শ্রমের শক্তি, শিল্পের সক্ষমতা এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব-এই তিনের সমন্বয়েই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ জনশক্তি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপলক্ষে বলেন, দক্ষ শ্রমিকই দেশের প্রধান উৎপাদনশীল সম্পদ। প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক চাহিদার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শ্রমিকের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে হবে, যাতে শিল্পের সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা করার শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আগামী প্রজন্মের জন্য নতুন নতুন শিল্প ও মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে এখন থেকেই আধুনিক প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন কর্মসংস্থানের পরিমাণের পাশাপাশি কাজের মান (ডিসেন্ট জব) এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দেন।  দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অর্জনে শ্রমিকদের ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক পথযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষ বারবার রাজপথে নেমে এসেছেন। নিজেদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের কল্যাণ, জনগণের অধিকার এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাদের এই সাহসী অবস্থান জাতীয় ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়। ইন্ডাস্ট্রি ও কর্মসংস্থানের নিত্যনতুন দিগন্ত উন্মোচিত হওয়া প্রসঙ্গে মাহ্দী আমিন বলেন, নতুন নতুন শিল্প এবং আধুনিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে আমাদের আগামী প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি জনশক্তির বিপুল সম্ভাবনা ও চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের সুসংহত মেলবন্ধন ঘটলে এ দেশের শ্রমিকদের অপার সম্ভাবনা সারা বিশ্বে আরও সমাদৃত হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় শ্রমজীবী মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে শিল্প খাতের বাস্তবতার নিরিখে টেকসই সমাধান খোঁজার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন। তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে এমন একটি রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে শ্রমিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশ একই স্রোতোধারায় প্রবাহিত হবে। মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, একটি প্রকৃত অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দেশের বিপুলসংখ্যক নারী জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেবল কর্মসংস্থানের পরিমাণের দিকে নজর দিলেই চলবে না, বরং কাজের গুণগত মান (ডিসেন্ট জব), ন্যায্য মজুরি এবং পরিশ্রমে শ্রমিকের সম্মান নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম বড় অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, শ্রমিকের শ্রমশক্তি, শিল্পের গতিশীল সক্ষমতা এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলতার সমন্বয়েই একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। শ্রমিক সমাজের এই চাওয়া-পাওয়াকে ধারণ করে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল্যাবার স্টাডিজের (বিলস) তিন দশকের পথচলা ও শ্রম অধিকার রক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির অবদানের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন। তিনি উল্লেখ করেন, শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠা, শ্রমিকদের স্বাধীনতা ও সুরক্ষায় বিলস দীর্ঘদিন ধরে একটি বিস্তৃত কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করে আসছে, যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় শ্রম অধিকার কর্মী এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীরা ধারাবাহিকভাবে ভূমিকা রাখছেন। শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, শ্রম খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকার, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদার, সিভিল সোসাইটি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। শ্রমজীবী পরিবারগুলোর সামাজিক নিরাপত্তায় গৃহীত ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে মাহদী আমিন জানান, সরকারের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইতিমধ্যে শ্রমজীবী নারীদের মাঝেও পৌঁছানো শুরু হয়েছে। প্রতিটি মা ও বোনের সামাজিক মর্যাদা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্মেলন ও সাধারণ সভায় আরও বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিলসের মহাসচিব নজরুল ইসলাম খান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক‌ অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার-আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন, জাপান ইন্টারন্যাশনাল লেবার ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসুনোবু আইহারা, বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর জ্যানা ভ্যান ডার লিনডেন, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ জকরিয়া, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার, বিলসের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান ভূঁইয়াসহ দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অগ্রগতি: মাহদী আমিন

দাবি না মানলে ৬ দফা এক দফায় রূপান্তর হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন সংগ্রাম শুরু হয়েছে। আমরা সরকারকে বলবো, আপনারা দাবিগুলো মেনে নিন, না মানলে, ৬ দফা এক দফাতে রূপান্তর হবে। সেই দফা হলো সরকারের পদত্যাগ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় জোটের লংমার্চে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে পথসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, অনেকেই বলে, আমরা কেন এত টাকার তেল খরচ করে লংমার্চে যাচ্ছি। আমরা বলবো সরকারের গদি লড়ে গেছে। সরকার কি টের পাচ্ছে? আপনারাকি মাঠ ছাড়বেন? শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলাদেশে হবে। সবাই মাঠে থাকবেন। তিনি আরও বলেন, কুমিল্লায় যতগুলো আওয়ামী লীগ থাকবে প্রত্যেককে ধরে ধরে প্রশাসনের হাতে তুলে দেবেন। সবাই রাজি আছেন? এই বৃহত্তর কুমিল্লা আল্লাহর ওপর ভরসা করে জীবনে কখনও সন্ত্রাসের কাছে মাথানত করেনি। চাঁদাবাজের কাছেও কখনো মাথানত করবে না।
দাবি না মানলে ৬ দফা এক দফায় রূপান্তর হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

৭১ ও ২৪-এর গণশত্রু আজ ক্ষমতার স্বার্থে মিলেমিশে একাকার: রাশেদ খান

‘৭১-এর গণশত্রু আর ২৪-এর গণশত্রু আজ ক্ষমতার স্বার্থে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান। রোববার (০৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে রাশেদ খান লিখেছেন, ‘আজকে জামায়াতের আমির বলেছে, ডিসেম্বর থেকে সরকার পতনের আন্দোলনে নামবে। আর শেখ হাসিনা বলে রেখেছে, ডিসেম্বরে দেশে ফিরবে। গতকাল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসাইন পোস্ট করেছে—“NO GAS, NO BILL, NO Service, NO TAX” এবং স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা হুবহু একই পোস্ট করেছে।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগ জামায়াতের সকল দাবির প্রতি সংহতি জানাচ্ছে। আওয়ামীপন্থি বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও সুশীলরাও জামায়াতের দাবিকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। যেহেতু আওয়ামী লীগ এই মুহূর্তে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে কোনো আন্দোলন সফল করতে পারবে না, সেক্ষেত্রে জামায়াতের কাঁধে ভর করে আওয়ামী লীগ আন্দোলনে ফিরে আসতে চেষ্টা করছে। আজকে জামায়াতের আমিরের বক্তব্যে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হলো।’ রাশেদ খান বলেন, ‘এই মুহূর্তে ক্ষমতা সবচেয়ে বড় শত্রু। আর সেই সূত্রে জামায়াত-আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক মিত্রে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ জানে, জামায়াত কখনো ক্ষমতায় বসতে পারবে না। কিন্তু তাদের দিয়ে রাষ্ট্রীয় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে। আর সেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির নিমিত্তেই জামায়াতের এই লংমার্চ।’   তিনি আরও দাবি করেন, ‘লংমার্চের দাবিতে গণহত্যার বিচার থাকলেও বক্তব্যে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে জামায়াতের নেতারা। তারা আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিচার চায়নি।’ পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান লিখেছেন, ‘৭১-এর গণশত্রু আর ২৪-এর গণশত্রু আজকে ক্ষমতার স্বার্থে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।’
৭১ ও ২৪-এর গণশত্রু আজ ক্ষমতার স্বার্থে মিলেমিশে একাকার: রাশেদ খান
বিনা সুদে মিলবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ, পাবেন যারা
বিনা সুদে মিলবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ, পাবেন যারা
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
কসমেটিকস খাতে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেল রিমার্ক
কসমেটিকস খাতে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেল রিমার্ক
৬৮ হাজার ৭২৬ কোটি টাকার ব্যক্তি আমানত ফেরতের চাপ 
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক / ৬৮ হাজার ৭২৬ কোটি টাকার ব্যক্তি আমানত ফেরতের চাপ 
বিদেশ ভ্রমণে ১৮ হাজার ডলার ব্যয়ের অনুমোদন
বিদেশ ভ্রমণে ১৮ হাজার ডলার ব্যয়ের অনুমোদন
বিদেশ ভ্রমণে বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রা নেওয়ার সীমা ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে একজন প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিক বছরে
ফ্রেশ এলপি গ্যাসের বহরে তৃতীয় এলপিজি জাহাজ, আরও শক্তিশালী হচ্ছে সরবরাহ নেটওয়ার্ক
ফ্রেশ এলপি গ্যাসের বহরে তৃতীয় এলপিজি জাহাজ, আরও শক্তিশালী হচ্ছে সরবরাহ নেটওয়ার্ক
দেশের বাজারে আজ যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
দেশের বাজারে আজ যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
রিমার্কের প্যাভিলিয়নে সাবিলা নূর, সেলফি তুলতে ভক্তদের ভিড়
রিমার্কের প্যাভিলিয়নে সাবিলা নূর, সেলফি তুলতে ভক্তদের ভিড়
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধী দলের লংমার্চ অযৌক্তিক: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধী দলের লংমার্চ অযৌক্তিক: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, বিশ্বের নানা জায়গায় যুদ্ধের কারনে বর্তমানে চলমান তেল সংকটের মধ্যে হাজার হাজার লিটার তেল

আলোচিত পীর শামীমের দেহাবশেষ উত্তোলনের ঘটনায় মামলা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আলোচিত পীর আব্দুর রহমান শামীম ওরফে কালান্দার বাবার দেহাবশেষ উত্তোলনের ঘটনায় মামলা হয়েছে।...
আলোচিত পীর শামীমের দেহাবশেষ উত্তোলনের ঘটনায় মামলা

নড়াইলে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকার, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

নড়াইল পৌর এলাকার ডুমুরতলা তাফসীর উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ৬ জন শিশু ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাহাবুবুর...
নড়াইলে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকার, অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহ

যে সন্তান ভিটেমাটির ধারদেনা শোধ করে মায়ের চাতালের কষ্ট ঘোচাতে সুদূর লেবাননে পাড়ি জমিয়েছিলেন, সেই...
৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহ

পেকুয়ায় নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের পেকুয়া মগনামা চ্যানেলের মগনামা জেটিঘাটে বোটে ওঠার সময় পানিতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া শামীম নামের...
পেকুয়ায় নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

লালমনিরহাটে সারের সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ

পর্যাপ্ত সার সরবরাহ ও সার সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকরা। রোববার...
লালমনিরহাটে সারের সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ

শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকদের ভূমিকা রাখতে হবে: এমপি সরওয়ার 

শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের...
শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকদের ভূমিকা রাখতে হবে: এমপি সরওয়ার 

সাভারে এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ঢাকার সাভারে রিকশাচালককে মারধরের প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সদস্য আলতাফ হোসেনকে (৫৮)...
সাভারে এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

জামায়াত আমিরের গাড়িবহরে লাল কার্ড, যা বললেন ছাত্রদল নেতা

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে লাল কার্ড প্রদর্শনের একটি...
জামায়াত আমিরের গাড়িবহরে লাল কার্ড, যা বললেন ছাত্রদল নেতা
ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২
ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেসনো শহরে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন। এএনআইয়ের প্রতিবেদনে
কলকাতায় প্রশাসনের নিরাপত্তা অভিযান, বিপাকে বাংলাদেশিরা
কলকাতায় প্রশাসনের নিরাপত্তা অভিযান, বিপাকে বাংলাদেশিরা
কলকাতায় হোটেল ও গেস্টহাউসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিরাপত্তা অভিযান শুরু হওয়ার পর বিপাকে পড়েছেন চিকিৎসার জন্য শহরটিতে যাওয়া বাংলাদেশি রোগী ও
ডার্ক ওয়েবে ১৫ কোটির বেশি ড্রাইভিং লাইসেন্স, তদন্তে এফবিআই
ডার্ক ওয়েবে ১৫ কোটির বেশি ড্রাইভিং লাইসেন্স, তদন্তে এফবিআই
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিপুলসংখ্যক ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং অন্যান্য পরিচয়পত্রের তথ্য ডার্ক ওয়েবে বিক্রির দাবি ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল
নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে ইসরায়েলে বিক্ষোভ
নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে ইসরায়েলে বিক্ষোভ
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতীয় কারিগরি শিক্ষামন্ত্রীর মৃত্যু
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতীয় কারিগরি শিক্ষামন্ত্রীর মৃত্যু
মার্কিন দুই যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের, অস্বীকার সেন্টকমের
মার্কিন দুই যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের, অস্বীকার সেন্টকমের
ইয়েমেনে সরকার বাহিনী ও বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৬০
ইয়েমেনে সরকার বাহিনী ও বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৬০
১৬ বছর বয়সেই রেকর্ডবুক তোলপাড় করলেন সুলিভান
১৬ বছর বয়সেই রেকর্ডবুক তোলপাড় করলেন সুলিভান
মাত্র ১৬ বছর বয়সেই মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নতুন ইতিহাস লিখছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাভান সুলিভান। ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে টানা তৃতীয়
শেষ মুহূর্তের পেনাল্টিতে জয় হাতছাড়া মেসিদের
শেষ মুহূর্তের পেনাল্টিতে জয় হাতছাড়া মেসিদের
পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাল ভারত
নারী এশিয়া কাপ / পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাল ভারত
শাকিব খান তার অপমানের প্রতিশোধ নিচ্ছে: জ্যাকি আলমগীর
শাকিব খান তার অপমানের প্রতিশোধ নিচ্ছে: জ্যাকি আলমগীর
ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ জ্যাকি আলমগীর। ১৯৮২ সাল থেকে শুরু করে ‘লড়াকু’, ‘আম্মাজান’, ‘কাবুলিওয়ালা’র মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করা এই
‘তোমার স্মৃতি আজও হৃদয়ে অমলিন সালমান’
‘তোমার স্মৃতি আজও হৃদয়ে অমলিন সালমান’
ঢাকাই চলচ্চিত্রের রাজপুত্র সালমান শাহের অকালপ্রয়াণের তিন দশক পেরিয়ে গেলেও ভক্ত ও সহকর্মীদের হৃদয়ে তার আবেদন আজও অমলিন। ৩০তম প্রয়াণদিবসে
অন্তঃসত্ত্বা নায়িকার সাথে ধস্তাধস্তিতে রক্তপাত, কি ঘটেছিল সেদিন?
অন্তঃসত্ত্বা নায়িকার সাথে ধস্তাধস্তিতে রক্তপাত, কি ঘটেছিল সেদিন?
সন্তানসম্ভবা অবস্থায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর নজির বিশ্ব চলচ্চিত্রে নতুন নয়। তবে অভিনয়ের তাগিদে গর্ভবতী অবস্থায় জীবনের চরম ঝুঁকির মুখোমুখি হওয়ার
বিচ্ছেদ হয়ে গেছে সৃজিত-মিথিলার? যা বললেন নির্মাতা
বিচ্ছেদ হয়ে গেছে সৃজিত-মিথিলার? যা বললেন নির্মাতা
৩০ বছরেও খোলেনি অভিনেত্রী সিল্কের মৃত্যু রহস্যের জট
৩০ বছরেও খোলেনি অভিনেত্রী সিল্কের মৃত্যু রহস্যের জট
সালমান শাহ চলে যাবার ৩০ বছর, কি হয়েছিল সেদিন
সালমান শাহ চলে যাবার ৩০ বছর, কি হয়েছিল সেদিন
ডাক্তারি ছেড়ে অভিনয়ে এসেছেন যে ৮ জনপ্রিয় নায়িকা
ডাক্তারি ছেড়ে অভিনয়ে এসেছেন যে ৮ জনপ্রিয় নায়িকা

পৃথিবীর দীর্ঘতম ‘লং-মার্চ’, যা বদলে দিয়েছিল ইতিহাস

একবার ভাবুন, পথের দুই পাশে বরফে ঢাকা পাহাড়। সামনে খরস্রোতা নদী, কোথাও নৌকা নেই। সামনে...
পৃথিবীর দীর্ঘতম ‘লং-মার্চ’, যা বদলে দিয়েছিল ইতিহাস

আজ থেকে শুরু ‘বরদের’ মাস

বছরের শেষ চারটি মাস- সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর- সমাপ্তি ও নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে...
আজ থেকে শুরু ‘বরদের’ মাস

আজ বিশ্ব ‘চিঠি লেখা দিবস’

আজ বিশ্ব চিঠি লেখা দিবস (World Letter Writing Day)। অস্ট্রেলীয় লেখক, শিল্পী ও আলোকচিত্রী রিচার্ড...
আজ বিশ্ব ‘চিঠি লেখা দিবস’

৫ স্কিনকেয়ার ট্রেন্ড যা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক

সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চটজলদি ফর্সা হওয়া, ব্রণ দূর করা কিংবা বয়সের ছাপ মোছার নানা ‘ডিআইওয়াই’...
৫ স্কিনকেয়ার ট্রেন্ড যা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক

কেন প্রথম প্রেমের স্মৃতি সহজে ভোলা যায় না

প্রথম প্রেমের কথা মনে পড়লে অনেকেরই চোখের সামনে ভেসে ওঠে পুরোনো কোনো মুখ, শোনা যায়...
কেন প্রথম প্রেমের স্মৃতি সহজে ভোলা যায় না

কোন ডিমে পুষ্টি বেশি, সাদা নাকি লাল

সকালের নাস্তাতায় ডিমসিদ্ধ, ডিমপোচ বা ডিমভাজি ছাড়া অনেকের দিনই শুরু হয় না। আবার দুপুরে ভাতের...
কোন ডিমে পুষ্টি বেশি, সাদা নাকি লাল

হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হলে কী করবেন?

মাসিক বা পিরিয়ডের তারিখ এক-দুই সপ্তাহ এদিক-সেদিক হওয়া অনেক সময় স্বাভাবিক। তবে নিয়মিত মাসিক হওয়ার...
হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হলে কী করবেন?

৮ ঘণ্টা বসে কাজে রোগের ঝুঁকি কমাতে কতক্ষণ হাঁটা উচিত

অফিসের আরামদায়ক চেয়ার, সামনে কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ, আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম-আধুনিক কর্মজীবনের এই চিত্র অনেকের...
৮ ঘণ্টা বসে কাজে রোগের ঝুঁকি কমাতে কতক্ষণ হাঁটা উচিত

যে অ্যাপের ফাঁদে ফাঁকা হতে পারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

অচেনা ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপ নামানোর অভ্যাস ডেকে আনছে বড় বিপদ। আসল অ্যাপের মুখোশ পরে ভুয়া...
যে অ্যাপের ফাঁদে ফাঁকা হতে পারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

ফ্রিতে ফেসবুকের ভেরিফায়েড ব্লু ব্যাজ, পাবেন যেভাবে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া প্রোফাইল, ছবি ও ভিডিও তৈরির প্রবণতা বাড়ছে।...
ফ্রিতে ফেসবুকের ভেরিফায়েড ব্লু ব্যাজ, পাবেন যেভাবে

চ্যাটজিপিটিসহ ওপেনএআইয়ের অ্যাপ-ওয়েবে বড় বিভ্রাট

চ্যাটজিপিটিসহ ওপেনএইয়ের অ্যাপ-ওয়েবসমূহে বড় ধরনের বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। যার কারণে সাময়িক অচল হয়ে পড়েছে চ্যাটজিপিটি।  বৃহস্পতিবার...
চ্যাটজিপিটিসহ ওপেনএআইয়ের অ্যাপ-ওয়েবে বড় বিভ্রাট

আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সুবিধা আনলো হোয়াটসঅ্যাপ

আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন চ্যাট থিম চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ। নতুন এই সুবিধা চালুর ফলে হোয়াটসঅ্যাপ...
আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সুবিধা আনলো হোয়াটসঅ্যাপ
ফজর --:--
জোহর --:--
আছর --:--
মাগরিব --:--
ঈশা --:--
পরবর্তী ওয়াক্ত শুরু হতে বাকি: মাগরিব --:--:--
সেহেরির শেষ সময় --:--
ইফতার --:--
ইফতার শুরু হতে বাকি
--:--:--
ঘণ্টা মিনিট সেকেন্ড
⏳ লোড হচ্ছে...
⛔ সংযোগ সমস্যা।

এই ৪ খাবারেই বাড়বে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা

রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে শরীরে তার স্পষ্ট প্রভাব পড়ে। অল্পতেই ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব...
এই ৪ খাবারেই বাড়বে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা

হামে আরও ৪ জনের মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে...
হামে আরও ৪ জনের মৃত্যু

সব সময় ক্লান্ত লাগে, মিল রয়েছে ৫ রোগের

পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও কি সবসময় ক্লান্ত লাগে? সামান্য কাজেই শরীর ভেঙে পড়ে? দীর্ঘদিন ধরে চলা...
সব সময় ক্লান্ত লাগে, মিল রয়েছে ৫ রোগের

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন আরও ৪ জন

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট...
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন আরও ৪ জন

জবির ছাত্রী মেসে র‍্যাব পরিচয়ে প্রবেশের চেষ্টা, শিক্ষার্থীকে ‘অপহরণের’ অভিযোগ 

রাজধানীর কলতাবাজার এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রীদের একটি মেসে অভিযান চালিয়ে নাট্যকলা বিভাগের ২০১৫-২০১৬ সেশনের...
জবির ছাত্রী মেসে র‍্যাব পরিচয়ে প্রবেশের চেষ্টা, শিক্ষার্থীকে ‘অপহরণের’ অভিযোগ 

কুবি শাখা ছাত্রশক্তির নেতৃত্ব নিলয়-নাজিফা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) জাতীয় ছাত্রশক্তির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অর্থনীতি...
কুবি শাখা ছাত্রশক্তির নেতৃত্ব নিলয়-নাজিফা

ইবিতে শিবির নেতাকে মারধর, ক্যাম্পাসে শিবির-ছাত্রদল মুখোমুখি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারিকে চড় মারাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল...
ইবিতে শিবির নেতাকে মারধর, ক্যাম্পাসে শিবির-ছাত্রদল মুখোমুখি

কুবির আবাসিক হলগুলোতে মশার উপদ্রব, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) মশার উপদ্রব বাড়ায় নানা ধরনের ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। আবাসিক...
কুবির আবাসিক হলগুলোতে মশার উপদ্রব, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

নিয়োগ দিচ্ছে আকিজ গ্রুপ, আবেদন যেভাবে

আকিজ গ্রুপ (ফুটওয়্যার অ্যান্ড লাগেজ সেলস) ম্যানেজার / সিনিয়র ম্যানেজার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।...
নিয়োগ দিচ্ছে আকিজ গ্রুপ, আবেদন যেভাবে

‘পিংক বাসে’ চাকরির সুযোগ, আবেদন যেভাবে

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ঢাকায় নারীযাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ মহিলা...
‘পিংক বাসে’ চাকরির সুযোগ, আবেদন যেভাবে

নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক, সপ্তাহে ২ দিন ছুটির সুযোগ

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক (এনজিও) সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।...
নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক, সপ্তাহে ২ দিন ছুটির সুযোগ

আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরি, ১৮ বছর বয়সেই আবেদন

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী আবুল খায়ের গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটি অ্যাসিস্ট্যান্ট মার্কেটিং...
আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরি, ১৮ বছর বয়সেই আবেদন
X
City bank
City bank