রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ আজ, হতে পারে যেসব আলোচনা
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এ এম নাসির উদ্দিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ আজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ
সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে আজ, অগ্রাধিকার পাবে যে বিষয়
জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
হাসিনার প্রত্যর্পণে বাংলাদেশের সামনে যত বাধা
‘মক্কা চুক্তি’তে যোগ দিলে বাংলাদেশের জন্য থাকছে যত সুযোগ-সম্ভাবনা
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩
হরমুজ নিয়ে ইরান-ওমানের সমঝোতা
ইরান ও ওমান হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের অংশ এবং এ জলপথ থেকে অর্জিত রাজস্ব ভাগাভাগির বিষয়ে...
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ককে নিয়ে গঠিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে যোগদানের বিষয়টি বাংলাদেশ সরকার বিবেচনা...
বিশ্বের সেরা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যা আছে এটিতে
চীন থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান জে-১০সিই কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। এটি কিনতে সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে খসড়া...
সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
গুম দিবস উপলক্ষে গুমের শিকার পরিবারদের নিয়ে জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয়...
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে অনুপ্রেরণা ছিল কাজী নজরুল ইসলাম। তার গান গেয়েই রাজপথে নেমেছিলো ছাত্ররা। সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যে নজরুল বিচরণ করেননি। এত বড় প্রতিভা বাংলাভাষীদের মধ্যে আর নেই।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামে প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছে কাজি নজরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবির সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানাতে এসে এসব কথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমরা যখন আজও জুলুম, নিপীড়ন ও অত্যাচারের মধ্যে পড়ি, যখন দেখি চারদিকে হতাশা ছেয়ে গেছে, দেশের আকাশে ফ্যাসিবাদ ব্যাপৃত হয়েছে—তখন আমাদের প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছেন কাজী নজরুল ইসলাম। যত বড় শৃঙ্খল বা নিপীড়নের খড়্গই হোক না কেন, তা সমূলে উৎপাটিত করে রাস্তায় নামতে নজরুলই আমাদের প্রধান অনুপ্রেরণার উৎস।’
সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং চব্বিশের জুলাইয়ের যে গণজাগরণ—প্রত্যেকটিতেই রাজপথে থেকে যাঁরা ভয়ংকর স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছেন, দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়েছেন, সেই তরুণ-কিশোরেরা নজরুলের গান গাইতে গাইতেই রাস্তায় নেমেছেন। নজরুল তাঁদের বিশাল শক্তি জুগিয়েছেন।
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়ে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আজও যখন এই দেশকে নিয়ে কেউ ষড়যন্ত্র করে, আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা বিপন্ন করতে সচেষ্ট হয়, তখন তার বিরুদ্ধে দ্রোহের আগুন জ্বলে ওঠার প্রধান উৎস হচ্ছে কাজী নজরুল ইসলাম; তাঁর গান, কবিতা ও লেখনী।’
নজরুলের সাহিত্যিক অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই, যেখানে নজরুল বিচরণ করেননি। তবে তাঁর প্রধান পরিচয় তিনি একজন কবি। সামাজিক অন্যায়, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর শাণিত লেখনী ছিল কশাঘাতের মতো। রাষ্ট্রযন্ত্রে বসে থাকা ঔপনিবেশিক শক্তির চোখরাঙানি উপেক্ষা করে এই উপমহাদেশের স্বাধীনতার প্রথম সুর তাঁর মাধ্যমেই ধ্বনিত হয়েছিল। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার এবং প্রায় চার হাজার গানের স্রষ্টা, যার বেশির ভাগেই তিনি নিজে সুর দিয়েছেন।
বক্তব্যের শেষে জাতীয় কবির রুহের মাগফেরাত কামনা করে রিজভী বলেন, নজরুলের বাণী বুকে নিয়েই এ দেশের মানুষ পথ চলে, যা তাদের নির্ভীক করে তোলে। বর্তমান সময়ে নজরুলের মতো মহীরুহ প্রতিভার চর্চা ও অনুশীলন অত্যন্ত জরুরি। আগামী প্রজন্মের কাছে নজরুলের চর্চা যত বাড়বে, ততটাই তাদের হৃদয়ে তা প্রবিষ্ট হবে। প্রতিটি মানুষের জীবনযাপনে নজরুল এক অবিচ্ছিন্ন অংশ।
এ সময়ে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, জাসাসের সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকনসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মো. আলমগীর হোসেন নামে নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এক পদধারী নেতাকে বিএনপির সমর্থক দাবি করে দলীয় প্যাডে প্রত্যয়নপত্র দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন কালিকচ্ছ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মানিক মিয়া।
বুধবার (২৬ আগস্ট) কালিকচ্ছ ইউনিয়ন বিএনপির প্যাডে দেয়া সেই প্রত্যয়নপত্র বিভিন্ন আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে নিন্দার ঝড় ওঠে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন নেতাকর্মী।
কালিকচ্ছ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মানিক মিয়ার স্বাক্ষরিত সেই প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়—‘মো. আলমগীর হোসেন, পিতা—মৃত ছাবর আলী, গ্রাম—চাকসার পূর্বপাড়া, ডাকঘর—কালিকচ্ছ, উপজেলা—সরাইল, জেলা—ব্রাহ্মণবাড়িয়া। আমরা তাহাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি ও জানি। সে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন সক্রিয় কর্মী এবং তাহার পিতা মৃত ছাবর আলী কালিকচ্ছ ইউনিয়ন বিএনপির একজন প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। আমরা তাহার সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।’
অথচ বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির কর্মী দাবি করা সেই আলমগীর হোসেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য এবং বর্তমান কালিকচ্ছ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের পদধারী নেতা। এ-সংক্রান্ত কমিটির কাগজপত্র ও আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে তাঁর কিছু ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে বিষয়টি জনসম্মুখে আসার পর এ নিয়ে ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতা দাবি করেছেন, কত টাকা কিংবা কিসের বিনিময়ে এই প্রত্যয়ন প্রদান করা হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তবে বিতর্কের পর প্রত্যয়ন প্রদানের বিষয়টি নিজের ফেসবুক পোস্টে স্বীকার করেছেন কালিকচ্ছ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করার সময় বিষয়টি আমার সম্পূর্ণরূপে বোধগম্য ছিল না এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আলমগীর হোসেন যে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, সেটিও আমার জানা ছিল না। পরবর্তীতে বিষয়টি অবগত হওয়ার পর আমি উক্ত প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে ২২/০৮/২০২৬ ইং তারিখে উক্ত প্রত্যয়নপত্রটি আমি প্রত্যাহার করছি।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বেরিয়ে যাচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, এটা এনসিপিরও এজেন্ডা না, আমাদেরও এজেন্ডা না। মানে যার বাড়িতে বিয়ে তার কোনো ঠেকা নাই, আর পাড়া–পড়শির ঘুম নাই- এ রকম আরকি বিষয়টা।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কার্যালয় পরিদর্শন করেন শফিকুর রহমান। সেখানে আগে থেকে চলমান ঈদে মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।
ওই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা এ কথা বলেন। এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমানসহ এনসিপি, ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি ও নারীশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা তো সেই অর্থে কোনো ফরমাল জোট না। আমরা একটা নির্বাচনি ঐক্য করেছি। আর এখন জনগণের স্বার্থে আমরা একসঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।’
১১ দলীয় ঐক্য থেকে দুটি দল বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শফিকুর রহমান তার জোট রাজনীতির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রথমে আমরা চার দল ছিলাম। এরশাদ সাহেব বের হয়ে গেলেন। তারই একটা অংশ নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাহেব থাকলেন, থেকে একটা জাতীয় পার্টি গঠন করলেন। চার দল থাকল। এরপরে ১৮ দল হলো, এরপরে ২০ দল। শেষ পর্যন্ত আমরা ২৭ দল গুনেছি। কিন্তু এটাকে ২০–দলীয় ঐক্যজোট বলা হতো। এটা একটা ব্র্যান্ড।
জোটে মতপার্থক্য থাকতেই পারে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তো কাউকে আসলে জোর খাটাতে পারি না। এ অধিকার আমাদের নাই। গণতন্ত্রে তার প্ল্যাটফর্ম চয়েস করার অধিকার প্রত্যেকেরই থাকবে। তবে আমরা চেষ্টা করব দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার।
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তারা ‘হোমওয়ার্ক’ শুরু করেছেন। শরিক দলগুলোর সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে থাকা যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরও এ কাজে যুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, এরা দুনিয়ার যেকোনো জায়গায় থাকলেও আমাদের সেই ইন্টেলেকচুয়াল রেমিট্যান্সগুলো আমরা বাংলাদেশে নিয়ে আসব।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, জনগণের বিপুল সমর্থনে জামায়াতে ইসলামী সংসদে এবং রাজপথে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ একদিন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে পরিচালিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রতি জনগণের সমর্থনে ঈর্ষান্বিত হয়ে অতীতের মতো অনেকেই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। তবে তাদের কোনো ষড়যন্ত্র আর চক্রান্তে জামায়াতে ইসলামীর অগ্রযাত্রা থেমে যাবে না।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দিনব্যাপী ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের কাউন্সিল হলরুমে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ওয়ার্ড সভাপতি - সেক্রেটারি শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শিক দল হিসেবে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক পন্থা অবলম্বন করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার রয়েছে। দেশ ও জাতির স্বার্থের পরিপন্থি কোনো কাজে জামায়াতে ইসলামী আপস করেনি, করবে না। জামায়াতে ইসলামী সংসদের বিরোধীদল হিসেবে জনগণের দাবি পূরণে সংসদে চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু সরকার জনগণের দাবি উপেক্ষা করলে রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যেমে জনগণের সেই দাবি আদায় করা হবে।
ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, জনগণের সাথে ভিত্তি মজবুতের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী তৃণমূলকে শক্তিশালী করে তুলছে। তৃণমুল হচ্ছে একটি আদর্শ সংগঠনের ভিত্তি। যাদের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে তাদের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারে না, পারবে না।
তিনি উপস্থিত ওয়ার্ড সভাপতি-সেক্রেটারিদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা টু চট্রগ্রাম লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য অতীতের মতো ভূমিকা রাখতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শামছুর রহমান এবং মহানগরীর অফিস সেক্রেটারি কামরুল আহসান হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরের শুরুতে দারসুল কুরআন পেশ করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা ফরিদুল ইসলাম।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য যথাক্রমে শেখ শরিফ উদ্দিন আহমদ, সৈয়দ সিরাজুল হক ও মো. শহিদুল ইসলাম, মহানগরীর সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন, সহকারী অফিস সেক্রেটারি মো. মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে শেখ হাসিনা অন্যায় ও গণহত্যা করেছে মন্তব্য করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, এসবের পরিণতি তাকে ভোগ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরে দেশে ফেরার কথা বাদ দিন, শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশে হবে না।’
বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটিতে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে শেখ হাসিনা যে অন্যায় করেছে, গণহত্যা করেছে, সে এতই পাপ করেছে যে বাংলাদেশে তার বাবার কবর হয়েছে, কিন্তু শেখ হাসিনার কবর হবে না। ডিসেম্বরে দেশে আসার কথা বাদ দেন, এই দেশে তার কবরও হবে না।
সভায় তিন পার্বত্য জেলায় সুষম উন্নয়ন ও সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করার দাবি জানান এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেলা পরিষদগুলোতে নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে সারজিস আলম বলেন, পাহাড়ের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।
জেলা পরিষদগুলোর বর্তমান গঠন নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। সারজিস আলমের অভিযোগ, জেলা পরিষদগুলো দলীয় লোকজন দিয়ে গঠন করা হয়েছে এবং এসব পরিষদ দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, শুধু দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, সমাজে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের পাশাপাশি সব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে জেলা পরিষদ গঠন করতে হবে।
সভায় এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব সারোয়ার তুষার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজা উদ্দিন, রাঙ্গামাটি জেলা এনসিপির সদস্যসচিব মো. শোয়েব, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম খান, যুগ্ম সদস্যসচিব প্রিয় চাকমাসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরকে ‘বেয়াদব’ আখ্যা দিয়েছেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান। গুমের শিকার ও ভুক্তভোগী মানুষদের নিয়ে আসিফ আকবর ‘বেয়াদবি’ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত পূর্বে ধারণকৃত এক লাইভ ভিডিওতে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
ভিডিওতে তারেক রহমান বলেন, আসিফ আকবর একটি বক্তব্যে গুমের ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন এবং সংবিধান নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে কার উদ্দেশ্যে তিনি এসব বলেছেন, তা প্রকাশ করার সাহস দেখাননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, “গুম হওয়া মানুষ নিয়ে কখনোই বেয়াদবি করবেন না।” একই সঙ্গে দেশের গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের প্রতি সংবেদনশীল থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে আসিফ আকবরের ভারতে যাওয়ার একটি ঘটনাও তুলে ধরেন। তার দাবি, শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারতের আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন এবং ভারতীয় পণ্য ও সংস্কৃতি বর্জনের কর্মসূচি চলাকালে আসিফ আকবর ভারতে গান গাওয়ার জন্য গিয়েছিলেন।
তারেক রহমানের ভাষ্য, ওই সময় আসিফ আকবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতে একটি গানের অডিশনে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। এ নিয়ে অনেকে সমালোচনা করলে তাদের সঙ্গে আসিফ আকবরের বিরূপ আচরণ ও গালিগালাজের অভিযোগও করেন তিনি।
তিনি বলেন, সে সময় আন্দোলনকারীদের কাছে আসিফ আকবরকে ‘দালাল’ ও ‘চাটুকার’ হিসেবে দেখা হতো। বর্তমানে আসিফ আকবর অন্যদের দালাল বা চাটুকার বললেও অতীতে তার ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে বলে দাবি করেন তারেক রহমান।
তারেক রহমান তার বক্তব্যের পক্ষে আসিফ আকবরকে চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন। পাশাপাশি গুমের শিকার ও ভুক্তভোগী মানুষদের নিয়ে কোনো ধরনের তামাশা বা বিদ্রূপ না করার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় কুমিল্লায় আসিফ আকবরের একটি বাংলা রেস্টুরেন্ট ভালো চলছিল বলেও অভিযোগ করেন তারেক রহমান। তার দাবি, বর্তমানে আসিফ আকবর নিজেকে বড় ভারতবিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করছেন।
বক্তব্যের একপর্যায়ে আসিফ আকবরের মতো ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে ক্রিকেটের প্রসঙ্গও টানেন তারেক রহমান। তার অভিযোগ, তাদের মতো মানুষদের কারণেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলতে পারেনি।
এ ছাড়া আইপিএল থেকে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে বয়কট করার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তবে তারেক রহমানের এসব অভিযোগের বিষয়ে আসিফ আকবরের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
গুম দিবস উপলক্ষে গুমের শিকার পরিবারদের নিয়ে জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট। আগামী রোববার (৩০ আগ্সট) এই কর্মসূচি পালন করবে জোটটি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, দেশে যে দুর্ভোগ চলছে—গ্যাস, বিদ্যুৎ, তেল, সার…. সরকারের যে ব্যর্থতা, সর্বত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। পুরো জাতি অনেকগুলো সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। একদিকে পার্লামেন্টে চলছে, জুলাই সনদ, গণরায় বাস্তবায়ন না করায়…. আলোচনা হয়েছে। আরেকটা হচ্ছে, গুমের শিকার পরিবারগুলো এখনও জানে না, তাদের পরিবারের যেসকল সদস্য গুম হয়েছে, তারা এখন কোথায়।
তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে বিচারবির্হিভূতভাবে অনেকেই গুম, খুনের শিকার হয়েছে। সেগুলোর বিচারও আজ পর্যন্ত হয়নি। এগুলোকে সামনে রেখে আগামী ৩০ তারিখে (রোববার) বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদ অভিমুখে গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পদযাত্রা করবে ১১ দলীয় ঐক্যজোট।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন নেতারা।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, বিরোধীদলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ খাঁনের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো:
বিরোধীদলের ছায়া সরকার থেকে এনসিপি আউট! জামায়াত কখনো ক্ষমতায় গেলে প্রকৃত সরকার থেকেও এভাবেই এনসিপি আউট থাকবে। সাংগঠনিক সক্ষমতা না থাকার পরেও এনসিপিকে এতোগুলো আসন ও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ দান করার মূলেই ছিলো জামায়াতের ৭১ এর অপরাধকে মোছার অপচেষ্টা করা।
কিন্তু শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢাকা যায় না, এনসিপিকে দিয়ে ৭১ এর গণহত্যার দায় থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। যতোদিন জামায়াত থাকবে ,ততোদিন ৭১ এর গণহত্যার দায় নিয়েই জামায়াতকে বাঁচতে হবে। যেমনিভাবে আওয়ামীলীগকে ২৪ এর গণহত্যার দায় নিয়েই পালিয়ে বাঁচতে হচ্ছে।
ছায়া সরকার গঠনের মাধ্যমে ফেসবুক হাইপ ও জরিপে ক্ষমতায় যাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমানসহ নেতাদের কষ্ট এবার কিছুটা হলেও লাঘব হবে বলে মনে করি। এখন জামায়াতের নেতাদের শরীরের মধ্যে একটা ক্ষমতায় থাকার হাবভাব পরিলক্ষিত হবে। এখন আর ক্ষমতায় না যেতে পারার আক্ষেপে হিংসা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য হয়তো পরিলক্ষিত হবে না। হয়তো তারা দায়িত্বশীল হবে এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারকে বিকল্প পলিসি দিবে। তবে ছায়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হামিদুর রহমান আজাদের মতো গুম নিয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করলে মানুষ কিন্তু ছায়া সরকারকে গুজব সরকার ও মন্ত্রীদের গুজব মন্ত্রী ডাকা শুরু করবে।
পরিশেষে ছায়া মন্ত্রীসভায় ৫ আগস্ট পরবর্তীতে বিপ্লবী হিসাবে আবির্ভূত হওয়া মারদিয়া মমতাজ আপার মতো একজন নারী নেতৃত্বকে অন্তত রাখতে পারত! নাকি জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কোন নারীকে মন্ত্রীত্বে বসাবে না? যেমনিভাবে জুলাই জাতীয় সনদ ভায়োলেট করে একজন নারীকেও নমিনেশন দেয় নি জামায়াত! অথচ পুলিশি নিরাপত্তায় লং মার্চ করবে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে! কিন্তু নির্বাচনের আগে থেকে নারী প্রার্থী দেওয়া দেওয়ার মাধ্যমে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন শুরু করে বিএনপি এবং দায়িত্ব পাওয়ার পরে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করছে বিএনপি সরকার।
কলম্বিয়ার সাথে হারের পর কোচ রবার্তো মার্তিনেজের সাথে বিমর্ষ রোনালদোরা।
বিড়ালকে সঙ্গে নিয়ে জাপান ভক্তের ম্যাচ উদ্যাপন
নিজের অষ্টম জন্মদিনে রোনালদোর অটোগ্রাফের জন্য ভক্তের আবদার
প্রিয় দলকে উৎসাহ দিতে বর্ণিল সাজে আর্জেন্টিনার ক্ষুদে ভক্ত
Share
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
ছবিতে বিশ্বকাপ
ব্যাংককে সাফা, রইল ৭টি ছবি
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান