মঙ্গলবার
১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টেকনো ক্যামন ৫০ কি সত্যিই প্রত্যাশা পূরণ করছে?

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
টেকনো ক্যামন ৫০ মোবাইল
expand
টেকনো ক্যামন ৫০ মোবাইল

অবশেষে অধীর অপেক্ষার অবসান ঘটলো। উত্তরার সেন্টারপয়েন্টের টেকনো ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে টেকনো যখন ক্যামন ৫০ সিরিজ ঘোষণা করলো, তখন সকলের প্রত্যাশা আরো বেড়ে যায়। বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কাছে ফ্যাগশিপ-লেভেলের ফটোগ্রাফি অভিজ্ঞতা দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে এসেছে ক্যামন ৫০। তাই এই ডিভাইস দিয়ে সাতদিন ঢাকার অলিগলিতে স্ট্রিট ফটোগ্রাফি থেকে শুরু করে ইন্টিমেন্ট রেস্টুরেন্ট শ্যুটের পরীক্ষামূল সময় কাটানোর পর এতে আর কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই যে এটি নিয়ে শুধু শুধুই এত মাতামাতি হয়নি।

ক্যামন ৫০ ব্যবহারে আসবে এক প্রিমিয়াম অনুভূতি। এর ফ্ল্যাট ডিজাইনের কারণে অতিরিক্ত জাঁকজমক ছাড়াই যেন আভিজাত্য ফুটে ওঠে। ৬.৭৮-ইঞ্চি ডিসপ্লেটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা দেয়, কিন্তু একেবারেই বেমানান বা বেশি বড় মনে হয় না।

আমাদেরকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে যে বিষয়টি, তা হলো, এই সিরিজের ফোনগুলো ব্যবহারে যেন অন্যরকম আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায়। মিলিটারি-গ্রেড এমআইএল-এসটিডি-৮১০ সার্টিফিকেশন যে শুধু মার্কেটিং কৌশল নয়, তাও স্পষ্ট বোঝা যায়, কেননা ফোনগুলো আসলেই প্রতিদিনের ছোটোখাটো দুর্ঘটনায় খুব ভালোমতো টিকে থাকতে পারে। ফোনের ওজন যথেষ্ট, কিন্তু তা বলে অতিরিক্ত ভারিও মনে হবে না। আন্ডার-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটিও ভালোভাবে কাজ করে, তবে তীব্র রোদে মাঝে মাঝে দ্বিতীয়বার চেষ্টা করতে হতে পারে। সবমিলিয়ে এর বিল্ড কোয়ালিটি এতটাই দারুণ যে কিছুদিন ব্যবহারেই বোঝা যায়, এটি কয়েক মাস নয়, বছরের পর বছর ধরে চালানোর মতো একটি ফোন।

মূল আকর্ষণ : ক্যামেরা পারফর্মেন্স

বলা যায়, এই ফিচারটির জন্যই ক্যামোন ৫০-এর জন্ম এবং এতে ডিভাইসটির কোনো তুলনা হয় না।

৫০ মেগাপিক্সেল ও এফ/১.৮ অ্যাপারচারের সনি ওআইএস মেইন ক্যামেরার কারণে পর্যাপ্ত আলোতেও অসাধারণ ডিটেইল পাওয়া যায়। তবে এর প্রকৃত চমক ছিল লো-লাইট পারফরম্যান্সে। খুবই কম আলোযুক্ত একটি রেস্তোরাঁয় পরীক্ষা করার সময় এআই অটো জুম ফিচারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিখুঁত ফ্রেম তৈরি করেছে এবং এমন চমৎকার ডিটেইল বজায় রেখেছে যে অন্য যে-কোনো স্মার্টফোনের জন্য তা প্রায় অসম্ভব মনে হয়। ফ্ল্যাশস্ন্যাপ প্রযুক্তি স্মার্টফোন ফটোগ্রাফিতে প্রচলিত হার্শ শ্যাডোর সমস্যাকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড এবং ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরাও বেশ ভালো, তবে এতে বলার মতো তেমন ব্যতিক্রম কিছু নেই।

তবে আইপি৬৯কে রেটিংসহ পানির নিচে ছবি তোলা যায়, এতে ফটোগ্রাফিতে যোগ হয় অনন্য এক সৃজনশীলতা এবং এই ফিচারটি বাজারে থাকা অন্য প্রতিযোগীদের থেকে ক্যামন ৫০-কে আলাদা করে।

আমরা সত্যিই অবাক হয়েছি ডিভাইসটির ক্যামেরা সফটওয়্যারের ফটোগ্রাফি ট্রান্সফর্ম করার ক্ষমতা দেখে। হার্ডওয়্যার ও ইন্টেলিজেন্ট প্রসেসিংয়ের এমন সমন্বয়ে প্রফেশনাল এডিটিং দক্ষতা ছাড়াই সাধারণ ব্যবহারকারীরাও খুব সহজে হাই কোয়ালিটি ছবি তুলতে পারেন। আমাদের একজন ফটোগ্রাফার বন্ধু তো ক্যামন ৫০ দিয়ে প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি করে খুবই সন্তুষ্ট। রেস্তোরাঁর এত কম আলোতেও ফুড ফটোগ্রাফিতে নিখুঁত এক্সপোজার ও ন্যাচারাল কালারে একের পর এক আকর্ষণীয় ছবি এসেছে, যে এরপর আর বলার কিছু থাকে না।

এই ডিভাইসটির সবচেয়ে দারুণ বিষয় হচ্ছে এর ক্যামেরা সিস্টেম এবং এক্ষেত্রে টেকনো তার সর্বোচ্চ ইঞ্জিনিয়ারিং কৌশল প্রয়োগ করেছে। অপটিকাল ইমেজ স্টেবিলাইজেশন ও ইনটেলিজেন্ট এআই প্রসেসিংয়ের সঙ্গে ৫০ মেগাপিক্সেলের যুগলবন্দিতে ফটোগ্রাফির জন্য অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা তৈরি হয়।

দৈনন্দিন ব্যবহারে পারফর্ম্যান্স

মিডিয়াটেক হেলিও জি২০০ আল্টিমেট প্রসেসর থাকায় সবকিছুই খুব সুন্দর চালানো যায়। বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার, একই সময়ে একাধিক কাজ, ক্যাজুয়াল গেমিং, সবই ঝামেলা ছাড়া চলে। ১৪৪ হার্জ ডিসপ্লে-তে এর স্পেসিফিকেশনের চেয়েও অনেক বেশি ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছে। বিশেষ করে ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যময় আর সেইসঙ্গে ওয়েব ব্রাউজিং তো আছেই। ঢাকার গরম আবহাওয়ায় আমাদের পরীক্ষায় ফ্রোজেন কুলিং প্রো সিস্টেম বেশ কার্যকর। লম্বা সময় ধরে ছবি তোলার পরও অতিরিক্ত তাপের কারণে পারফরম্যান্স খারাপ হওয়া বা থার্মাল থ্রটলিং দেখা যায়নি। অনেকক্ষণ কাজের পরও ডিভাইসটি গরম হয়ে যায়নি।

ডিভাইসটির গেমিং পারফর্ম্যান্স মোটামুটি সন্তোষজনক। পাবজি মোবাইল ভালোভাবেই চলে তবে অনেক বেশি মাত্রায় চালানো মুশকিল। আসলে ক্যামন ৫০-র মূল জায়গাটা গেমিং ফোনের নয়। তারা সেটি প্রচারও করে না, এবং তা দেখানোর চেষ্টাও করে না। টার্গেট অডিয়েন্সের জন্যও ডিভাইসের পারফরম্যান্স বেশ ভালো এবং নির্ভরযোগ্য। টেকনো এআই স্যুইট: ‘গিমিক’ নয়, প্র্যাকটিকাল

এলা এআই অ্যাসিস্টেন্ট কনটেক্সট বুঝে খুব ভালোমতো সহায়তা করে। রিমাইন্ডার সেট করা, ওয়েবে সার্চিং বা কোনো অ্যাপ চালু করার মতো কুইক টাস্কের ক্ষেত্রে এটি খুব উপযোগী, একেবারেই নামমাত্র সংযোজিত ফিচার নয়।

এআই ইমেজ-টু-ভিডিও জেনারেটর স্থির ছবি থেকে বেশ সূক্ষ্ম মুভমেন্টসহ ৫–১০ সেকেন্ডের ভিডিও তৈরি করতে পারে। একেবারে সিনেমার মতো উচ্চ মানের না হলেও সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরির জন্য চমৎকার। তাই কনটেন্ট ক্রিয়েটররা এটি ব্যবহার করে খুব কম সময়ে কাজ করতে পেরে আনন্দিত।

থ্রি-ডি ফটোস্পেস ব্যবহারে ছবিকে যেন আরো গভীর করে তোলে, এবং দর্শকের জন্যও সেটি দারুণ এক অভিজ্ঞতা তৈরি করে। বিশেষ করে পোর্ট্রেট ছবি এতই ভালো হয় যে একেবারে নেক্সট-জেনারেশন অনুভূতি পাওয়া যায়।

এআই লাইটমাস্টার ২.০ ব্যবহারে শ্যাডো রিকভারি, হাইলাইট নিয়ন্ত্রণ ও কালার গ্রেডিংয়ের মতো অ্যাডভান্সড লাইটিং অ্যাডজাস্টমেন্ট সুবিধাগুলো পাওয়া যায়। এডিটিং ও ক্রিয়েটিভ কন্ট্রোল যাদের কাছে গুরুত্ব পায়, তাদের জন্য এটি খুবই দরকারি একটি টুল হতে পারে।

এআই অটো জুম-এর মাধ্যমে ফোন ধরার সময় নিজে থেকেই সাবজেক্টকে নতুন ফ্রেমের মধ্যে নিয়ে আসে। এই সূক্ষ্ম কাজটিও এত দারুণভাবে হয় যে ফ্রেমিং নিয়ে দুশ্চিন্তার আর কোনো কারণই থাকে না।

এগুলো কোনো ‘গিমিক’ নয়। বরং এগুলো এমন কাজের টুল, যা প্রফেশনাল এডিটিং দক্ষতা ছাড়াই ছবিতে অনন্য সৃজনশীলতা যোগ করে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফটোগ্রাফিতে আগ্রহীদের জন্য এই ডিভাইসটি আরো বেশি কাজের।

ব্যাটারি ও চার্জিং

৬৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিংয়ের বিষয়টি দারুণ লেগেছে। এক সপ্তাহ ধরে হেভি ইউজ, যেমন টানা লম্বা সময় ছবি তোলা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ও দীর্ঘ সময়ের ভিডিও কলের পরও ফোনটি খুব সহজেই পুরো দিন চলেছে। হেভি ইউজাররা হয়তো দু’দিন চালাতে পারবেন না, তবে একদিন চার্জ না দিয়ে আরামসে চালানো যাবে।

আর এর ৪৫ ওয়াট চার্জিং খুব দ্রুত কাজ করে। শূন্য থেকে ৫০% চার্জ হতে প্রায় ২৫–৩০ মিনিট লাগে, আর পুরোপুরি চার্জ হতে সময় লাগে প্রায় ৫০–৫৫ মিনিট। মানে, লাঞ্চ ব্রেকের সময় চার্জ করলেই কয়েক ঘণ্টা ব্যবহার করা যাবে। ফটোগ্রাফিতে যাদের অনেক সময় চলে যায়, তাদের জন্য এটি খুবই কাজে আসে।

সফটওয়্যার ও লং-টার্ম ভ্যালু

৫ বছরব্যাপী থ্রি-জি অ্যান্ড্রয়েড ওএস আপডেটে বিষয়টি সত্যিই অসাধারণ। কেননা বেশিরভাগ ডিভাইস ২–৩ বছরের মধ্যে পুরনো হয়ে যায়। এই প্রতিশ্রুতির ফলে ইউজারদের মধ্যে একটি লং-টার্ম ভ্যালু যোগ হবে এবং ডিভাইসটি বছরের পর বছর ধরে মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক থাকবে।

৩ বছরের জন্য বার্ষিক ৫০জিবি ফ্রি টেকনো ক্লাউড স্টোরেজও একটি ভালো সুবিধা। কেননা বিকল্প সমাধানগুলোতে অনেক খরচের সম্ভাবনা থাকে। এই স্টোরেজ অফারটি ফটোগ্রাফারদের জন্য আরো বেশি দরকার, যেহেতু তারা বড় ইমেজ ফাইল নিয়ে কাজ করেন। সাধারণ ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে এতে রাখা হয়েছে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষার সিকিউরিটি আপডেট সুবিধাও।

বাস্তব চিত্র

ফটোগ্রাফারদের জন্য: ক্যামোন ৫০ খুব কার্যকর একটি ফটোগ্রাফি টুল। অনেকক্ষেত্রে এটি এন্ট্রি-লেভেলের ডেডিকেটেড ক্যামেরার বিকল্প হতে পারে। ৫০ মেগাপিক্সেল সেন্সর, অপটিক্যাল ইমেজ স্টেবিলাইজেশন এবং এআই প্রসেসিং ইত্যাদি সুবিধার ফলে পেশাদার মানের ফলাফল পাওয়া যায়।

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য: এআই ইমেজ-টু-ভিডিও এবং কনসিস্টেন্ট কালার সায়েন্স কনটেন্ট তৈরিকে আরো সাবলীল করে তোলে। ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, টিকটক-এর জন্যও ব্যয়বহুল সরঞ্জামের ওপর কম নির্ভরশীল হতে হয়। পেশাদার টুলের জটিল ও সময়সাপেক্ষ কাজগুলো সফটওয়্যারের মাধ্যমে খুব সহজেই হয়ে যায়।

রিয়েল এস্টেট প্রফেশনালদের জন্য: ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল লেন্স ব্যবহারে প্রোপার্টি ফটোগ্রাফি আরো সহজ হয়ে ওঠে। ফ্ল্যাশস্ন্যাপ কম আলোতেও ইন্টেরিয়রটা ভালোভাবে তুলে ধরে, ফলে ছবিগুলো রিয়েল এস্টেট মার্কেটিংয়েও কাজে লাগে।

দৈনন্দিন ব্যবহারকারীদের জন্য: যদি ফটোগ্রাফি আপনার মূল উদ্দেশ্য না হয়, তবুও ক্যামন ৫০ সবদিক থেকেই চমৎকার অভিজ্ঞতা দেবে। যদি আপনার প্রথম চাহিদা ছবি তোলা নাও হয়, তবু এতে দারুণ একটি ক্যামেরা তো বোনাস হিসেবে থাকছেই, যা জীবনের দৈনন্দিন মুহূর্তগুলোকে আরও সুন্দরভাবে ধরে রাখে।

কীভাবে প্রিমিয়াম দাম ছাড়াই আপনি পেশাদার মানের ফটোগ্রাফি পাবেন? – ক্যামন ৫০ আপনাকে সেই প্রশ্নের উত্তর দেবে। টেকনো এক্ষেত্রে দারুণ দক্ষতা দেখিয়েছে। আপনি যদি নতুন বা পেশাদার ফটোগ্রাফার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর অথবা একজন সাধারণ ব্যবহারকারী হন, সবক্ষেত্রেই এই ফোন নিয়ে মাতামাতি করা মোটেও অর্থহীন মনে হবে না। অসাধারণ ক্যামেরা পারফর্ম্যান্স, প্র্যাকটিকাল এআই ফিচার, পাকাপোক্ত গঠন এবং ৫ বছরের জেনুইন সফ্‌টওয়্যার কমিটমেন্ট; এমন অনেক কারণেই ক্যামন ৫০ কিনে ফেলা যায়।

ফোনটির ৮জিবি + ১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম পড়বে ৩০,৯৯৯ টাকা এবং ৮জিবি + ২৫৬জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৩৪,৯৯৯। ফ্ল্যাগশিপ ফটোগ্রাফিতে ক্যামন ৫০ এর দামের চেয়েও বেশি কিছু এবং এতে থাকা পেশাদার টুলগুলোর বিকল্প হয় না। গেমিংপ্রেমীদের জন্য হয়তো এটি খুব একটা উপযুক্ত নয়, তবে যারা দৈনন্দিন ব্যবহারে ফটোগ্রাফিকে প্রাধান্য দেন, তাদের জন্য এর জুড়ি মেলা ভার। রেটিং: ক্যামন ৫০: ৪.২/৫

ক্যামন ৫০ সত্যিই দুর্দান্ত। তবে এর পরবর্তী ধাপ, অর্থাৎ ক্যামন ৫০ আলট্রা কতটা চমক দেবে? ব্র্যান্ডটির ভক্তরা তুমুল অপেক্ষায়। টেকনো এই স্ট্যান্ডার্ড মডেল দিয়ে এর অবস্থান এতটাই উঁচুতে নিয়ে গেছে যে আসন্ন আল্ট্রা ভার্সনে যে আরও নতুন মাত্রা যোগ হবে, এতে সন্দেহ নেই। প্রতিশ্রুতিটাও তেমনই। কিন্তু ক্যামন ৫০ আলট্রা-র জন্য এই অধীর অপেক্ষা কি আদৌ ফলপ্রসূ হবে? তা সময়ই বলে দেবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন