

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য অনুদানের আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়েছে। আগে ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময় ছিল। এখন আগামী ১৬ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পরিচালন বাজেট থেকে এই অনুদান দেওয়া হবে। সংশোধিত নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী আবেদন নেওয়া হচ্ছে।
দেশের সব স্বীকৃত বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত মেরামত ও সংস্কার, আসবাব, পাঠাগার স্থাপন, খেলাধুলার সরঞ্জাম ও প্রতিবন্ধীবান্ধব করার জন্য অনুদানের আবেদন করতে পারবে। অনগ্রসর এলাকার কিন্তু ভালো মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুরারোগ্য ব্যাধি, দৈব দুর্ঘটনা ও শিক্ষা ব্যয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে। দুস্থ, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
আবেদন করতে হবে মাইগভ প্ল্যাটফর্মে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা রেজিস্ট্রারকে আগে মাইগভে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনে ব্যানবেইসের সর্বশেষ বার্ষিক শিক্ষা জরিপ-২০২৫-এ দেওয়া মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।
এরপর প্রতিষ্ঠান নম্বর দিয়ে প্রোফাইল যাচাই করে হোম পেজের ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান/শিক্ষক-কর্মচারী/শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান’ অংশ থেকে আবেদন করতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুদানের অর্থ সরাসরি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অনুদান মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়া হবে। এজেন্ট বা মার্চেন্ট নম্বর গ্রহণযোগ্য নয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারীরা একবারই এই সুবিধা পাবেন। আগে পেয়ে থাকলে আর আবেদন করা যাবে না। শিক্ষার্থীরা তিন বছর পরপর আবেদন করতে পারবেন।
জেলা পর্যায়ে গঠিত কমিটি আবেদনগুলো যাচাই করে ৬ মে ২০২৬-এর মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। অসম্পূর্ণ আবেদন বা কাগজের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। নীতিমালা www.shed.gov.bd থেকে পাওয়া যাবে।
মন্তব্য করুন
