

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে কিছু ব্যক্তিত্ব তাদের জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন। তেমনই দুইজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হলেন মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ (১৯৭৩সাল) এবং ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (২০২৬)।
বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে মাওলানা তর্কবাগীশ ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আলেম, বাগ্মী ও রাজনীতিবিদ। পাকিস্তান আমল থেকেই তিনি সংসদীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার যুক্তি, প্রখর বক্তৃতা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির কারণে তিনি সংসদে “তর্কবাগীশ” উপাধিতে সুপরিচিত হন। জাতীয় স্বার্থ, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয় সংসদের ধারাবাহিকতায় বহু বরেণ্য নেতা সংসদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন। সেই ধারারই একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি হলেন কুমিল্লার কৃতি সন্তান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় সংসদের একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়েও রয়েছে তাঁর সফল অভিজ্ঞতা।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং সংসদ পরিচালনায় দক্ষতা জাতীয় সংসদের ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সূচনা অধিবেশন পরিচালনায় সভাপতিত্ব করার সুযোগ পাওয়া তার রাজনৈতিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মাওলানা তর্কবাগীশের মতো তর্কপ্রিয়, জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান সংসদ সদস্যদের ধারাবাহিকতায় আজও কিছু নেতার মধ্যে সেই ঐতিহ্যের প্রতিফলন দেখা যায়। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে কুমিল্লা - ১ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য বিএনপির জাতীয় স্হায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনও জাতীয় সংসদের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠেছেন।
বাংলাদেশের সংসদীয় ঐতিহ্য মূলত এমন ব্যক্তিত্বদের অবদানেই সমৃদ্ধ হয়েছে—যারা জ্ঞান, যুক্তি ও দায়িত্ববোধ দিয়ে সংসদকে গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করেছেন। এদিকে তাঁর এ অর্জনে কুমিল্লা ১ নির্বাচনী এলাকা দাউদ কান্দি - মেঘনা এবং তাঁরই প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা- ২ তিতাস ও হোমনা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণসহ বৃহত্তর কুমিল্লা বাসী উচ্ছ্বসিত।
মন্তব্য করুন