

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইসলামি শরিয়তে ঈদুল ফিতরের নামাজ (Eid-ul-Fitr prayer) আদায় করা ওয়াজিব। এই নামাজ নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবিরের (Six additional Takbirs) সঙ্গে জামাতে আদায় করতে হয়। নামাজের সঠিক নিয়ম ও নিয়ত জানা থাকলে ইবাদত আরও শুদ্ধ ও সুন্দর হয়।
ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত (Intention for Eid Prayer)
নিয়ত মূলত মনের সংকল্প। ঈদের নামাজের জন্য দাঁড়ানোর সময় মনে এই ইচ্ছা থাকাই যথেষ্ট যে, 'আমি অতিরিক্ত ৬ তাকবিরসহ ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ (Two Rakats Wajib Prayer) আদায় করছি।'
আরবি নিয়ত (Arabic Niyat): > نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ
উচ্চারণ (Pronunciation): "নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ঈদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।"
ঈদের নামাজের নিয়ম (Steps of Eid Prayer)
ঈদের নামাজ দুই রাকাত। নিয়ত করে 'আল্লাহু আকবার' বলে হাত বাঁধার পর ছানা পড়তে হয়।
প্রথম রাকাত (First Rakat): ছানা পড়ার পর অতিরিক্ত তিনটি তাকবির (Three Takbirs) বলতে হবে। প্রথম দুই তাকবিরে হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে এবং তৃতীয় তাকবিরে হাত বাঁধতে হবে। এরপর সুরা-কেরাত পড়ে রুকু ও সিজদার মাধ্যমে প্রথম রাকাত শেষ হবে।
দ্বিতীয় রাকাত (Second Rakat): দাঁড়িয়ে প্রথমে সুরা-কেরাত শেষ করতে হবে। রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিনটি তাকবির বলতে হবে। এক্ষেত্রে তিনটি তাকবিরেই হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে।
কেরাত ও সুন্নত সুরা (Sunnah Surah for Eid)
ঈদের নামাজে উচ্চৈঃস্বরে কেরাত (Loud recitation) পড়া ওয়াজিব। প্রথম রাকাতে 'সুরা আ‘লা' এবং দ্বিতীয় রাকাতে 'সুরা গাশিয়াহ' পড়া সুন্নত (Sunnah)। তবে অন্য যে কোনো সুরা দিয়েও নামাজ আদায় করা যাবে।
নামাজ ছুটে গেলে করণীয় (If Eid Prayer is Missed)
ঈদের নামাজের কোনো কাজা (Qaza of Eid prayer) নেই। যদি কারো জামাত ছুটে যায়, তবে তিনি নিকটস্থ অন্য কোনো জামাতে শরিক হওয়ার চেষ্টা করবেন। সেটিও সম্ভব না হলে আল্লাহর কাছে তওবা-ইস্তেগফার করতে হবে।
মন্তব্য করুন
