

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইসলামি শরিয়তের যেসব বিধান বছরে একবার আদায় করতে হয়, সেগুলো সাধারণত চাঁদকেন্দ্রিক হয়ে থাকে। চাঁদ দেখে সেসব বিধান পালন করতে হয়। যেমন-হজ, জাকাত, রোজা, ঈদ ও কোরবানি ইত্যাদি। আর যেসব বিধান প্রতিদিন আদায় করতে হয়, সেগুলো সূর্যের বিভিন্ন অবস্থানের সঙ্গে মিলিয়ে করতে হয়। সূর্যের সময়ের সঙ্গে সেগুলো নির্ধারিত। যেমন-পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, সাহরি-ইফতার ও নামাজের নিষিদ্ধ সময়সমূহ।
কথাগুলো সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে বলেন, শাইখুল হাদিস মুফতি সফিউল্লাহ আদম, তিনি রাজধানীর তেজগাঁও রেলওয়ে জামিয়া ইসলামিয়ার শিক্ষা সচিব।
তিনি বলেন, এ মূলনীতির আলোকে রমজান মাস শুরু হওয়া কিংবা শাওয়াল মাসের প্রথম তারিখে ঈদ পালন করা নির্ভর করে মূলত চাঁদ দেখার ওপর। আবার চাঁদের উদয়াস্তের ভিন্নতাও একটি প্রমাণিত বিষয়।
কেননা সমগ্র বিশ্বে চাঁদের দিগন্ত রেখা এক নয়। বরং ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই সাধারণভাবে নিজ দেশের চাঁদ দেখা বা নির্ভরযোগ্য ঘোষণা অনুযায়ী চাঁদ দেখা প্রমাণিত হওয়ার পরই শুধু ঈদ উদযাপন করা যাবে।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং চাঁদ দেখে রোজা ভাঙো অর্থাৎ ঈদ করো।’ আরেক হাদিসে আছে, ‘যদি চাঁদ দেখা না যায় (মেঘ কিংবা প্রাকৃতিক কোনো কারণে), তবে ৩০ দিন পূর্ণ করো।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৯০৯, সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০৮১)ৎ
এ হাদিস অনুযায়ী সৌদিতে চাঁদ দেখার কারণে বাংলাদেশে ঈদ করা সঠিক নয়। আমাদের এখানে ঈদ করতে হলে দেশের আকাশে চাঁদ দেখা প্রমাণিত হতে হবে। ঈদের সম্পর্ক শাওয়াল মাসের চাঁদ ওঠার সঙ্গে নির্ধারিত। শাওয়াল মাসের চাঁদ উঠলে প্রথম দিন ঈদুল ফিতর পালন করতে হবে। ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর আদায় করা যাবে না।
মন্তব্য করুন
