

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ। নারীর অধিকার, সমতা ও ক্ষমতায়নের বার্তা নিয়ে প্রতি বছর এই দিনটি উদযাপন করা হয়। সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি ও সংস্কৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অবদানকে সম্মান জানানো এবং তাদের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য।
নারী দিবসের ইতিহাস দীর্ঘ সংগ্রামের সঙ্গে জড়িত। ১৯০০ সালের শুরুর দিকে শ্রমক্ষেত্রে নারীদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও ভোটাধিকার দাবির আন্দোলন থেকেই এই দিবসের সূচনা। পরে জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনটিকে আন্তর্জাতিকভাবে পালনের স্বীকৃতি দেয়। তখন থেকেই বিশ্বব্যাপী এই দিনটি নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে নারীর অবস্থানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রশাসন এমনকি ক্রীড়াঙ্গনেও নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। পোশাকশিল্প থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি খাত পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে নারীরা দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
তবে অগ্রগতির পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে। নারী নির্যাতন, বৈষম্য এবং কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগের অভাব এখনও অনেক নারীর পথচলাকে কঠিন করে তোলে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষা, আইনি সহায়তা এবং সামাজিক সচেতনতা আরও জোরদার করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ ছাড়া একটি সমাজের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই বিশ্ব নারী দিবস শুধু উদযাপনের দিন নয়, বরং এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে একটি সমতা ও সম্মানের সমাজ গড়তে নারী-পুরুষ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাণী দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। সম্মান ও মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করবে। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন অনুষ্ঠান, মেলা, ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।
মন্তব্য করুন
