দেশে স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয় ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সকল ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২ টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও
স্ত্রী জোবাইদাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যান তারেক রহমান
আজ আর মেট্রো চলাচল করবে না
বিডিআর হত্যাকাণ্ড: জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন
পাবনায় জামায়াতের মিছিলে হামলার পর লুট করা সেই ৯ মোটরসাইকেল বিএনপি নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার
ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি বরাবরই বেগম খালেদা জিয়াকে এমন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখেছেন, যিনি দেশের স্বার্থের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।
তাঁর মতে, বিএনপি চেয়ারপারসনের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নম্র আচরণ, ধৈর্য এবং অটল অবস্থানের বিশেষ সমন্বয় লক্ষ করা যায়।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ১/১১–এর সময় থেকে সাম্প্রতিক নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি পর্যন্ত বেগম জিয়া যে দৃঢ়তায় অবিচারকে মোকাবিলা করেছেন, তা তাকে জাতীয় রাজনীতিতে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনীতিতে তিনটি বিষয়- জাতীয় ঐক্য গড়ার চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং পার্বত্য অঞ্চলে কৌশলী রাজনৈতিক ভূমিকা- তাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে।
তাঁর মতে, জিয়াউর রহমান দেশের রাজনীতিতে বিভাজন নয়, বরং ঐক্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।
শিবির সভাপতি জানান, বেগম জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে সাধারণ মানুষ যে দোয়া, সহমর্মিতা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে- তা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরল এক উদাহরণ।
তিনি মনে করেন, পরিবর্তনশীল সময়ে দেশ পরিচালনা এবং নীতিনির্ধারণে বেগম জিয়ার অভিজ্ঞতা আগামী প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হয়ে থাকবে।
তরুণদের রাজনৈতিক মনোভাব তুলে ধরে তিনি বলেন, আধুনিক প্রজন্ম কোনো ব্যক্তি বা দলকে নয়, বরং যারা অগণতান্ত্রিক আচরণ করে বা বিদেশি শক্তির কাছে আত্মসমর্পণের মানসিকতা দেখায়- তাদের প্রত্যাখ্যান করতে বেশি আগ্রহী। তাঁর মতে, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতার আদর্শ ও নীতি ধরে রাখতে পারলে দলটি শক্তিশালী থাকবে, অন্যথায় সেই ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
বাম রাজনৈতিক দল এবং কিছু বিদেশির ভূমিকায় সন্দেহ প্রকাশ করে জাহিদুল ইসলাম বলেন, এসব শক্তি দীর্ঘদিন ধরে দেশের স্থায়ী কোনো উপকার করেনি; বরং বিভাজন, মতবাদের সংঘাত এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি বিদ্বেষই বেশি দেখা গেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এ ধরনের শক্তির ওপর নির্ভরতা ক্ষতিকর হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, অতীতে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দমন-পীড়নে ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি, ছাত্রশিবির ও জামায়াতের অসংখ্য নেতাকর্মীকে দেখেছেন।
তাঁর মন্তব্য, ৩৬ জুলাইয়ের পর বিএনপি যে ধরনের নীতি অনুসরণ করছে, তা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
শেষ পর্যন্ত তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সহনশীল রাজনীতি, আদর্শগত দৃঢ়তা এবং জাতীয় ঐকমত্যের পরিবেশ তৈরি হবে।
ঢাকা থেকে জানানো হয় বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা গুরুতর। শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ে চিকিৎসক দল উদ্বিগ্ন। এই সংবাদ পেয়ে 'লন্ডন ক্লিনিকে' ছুটে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সঙ্গে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
তারেক রহমান বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ব্রিফ করেন চিকিৎসককে। সেখান থেকে যুক্ত করা হয় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকদেরও। আলোচনা করে ঠিক করা হয় চিকিৎসা কৌশল।
এই চিকিৎসা প্রয়োগের পর বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার আর অবনতি হয়নি। অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।
এর আগে এই লন্ডন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েই সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
শনিবার রাতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক ব্রিফিংয়ে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, খালেদা জিয়ার অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তিন দিন ধরে তিনি একই অবস্থায় আছেন।
চিকিৎসকরা যে ওষুধ দিয়েছেন তা তার শরীরে কাজ করছে। দলের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, মায়ের গুরুতর অসুস্থতার তথ্য পাওয়ার পর থেকে তারেক রহমান ঢাকা ও লন্ডনের চিকিৎসকদের মধ্যে সমন্বয়ের কাজ করছেন। তাকে সহযোগিতা করছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান।
সূত্রের দাবি, আপাতত বেগম জিয়ার চিকিৎসাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে পরিবার। তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেই বিদেশে নেয়ার বিষয় বিবেচনা করা হবে।
গত ২৩শে নভেম্বর বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শুক্রবার বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয় তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন। এরপর থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। তার সুস্থতা কামনা করে দল মত, ধর্ম নির্বিশেষে সবাই দোয়া ও প্রার্থনা করছেন।
বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা করতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যের খবর নিতে হাসপাতালে ভীড় করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। দেশের কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতি এমন সার্বজনীন শ্রদ্ধা ও ভালবাসা নজিরবিহীন।
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় অস্ত্র হাতে গুলি ছোড়া যুবককে জামায়াতের কর্মী হিসেবে শনাক্ত করেছে পুলিশ।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. স. ম. আব্দুর নূর রবিবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, সংঘর্ষের দিন গুলি ছোড়া যুবকের নাম তুষার মণ্ডল। তিনি জামায়াতের কর্মী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ছবি ভাইরাল হওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
তুষার মণ্ডল ঈশ্বরদী পৌরসভার ভেলুপাড়া এলাকার তাহের মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, তিনি পাবনা জেলা জামায়াতের আমির ও পাবনা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের ভাতিজা মামুন মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।
সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা পাল্টাপাল্টি দুই মামলায় উভয়পক্ষের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে জামায়াতের দুইজন ও বিএনপির তিনজনকে আটক করা হয়।
রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আ. স. ম. আব্দুর নূর বলেন, ‘দুই পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। দুই মামলার তদন্ত চলছে। আমরা আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আসামিদের গ্রেপ্তার করছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।’
এর আগে শনিবার দুপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা দায়ের করা হয়।
প্রথম মামলা: সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার ছেলে ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বাঁধন হাসান আলিম বাদী হয়ে ৩২ জন জামায়াত নেতার নাম উল্লেখ করে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করেন।
এছাড়া ১৫০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি হিসেবে করা হয়েছে পাবনা জেলা জামায়াতের আমির ও পাবনা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলকে।
দ্বিতীয় মামলা: ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৩৮ জন বিএনপির নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে অপর মামলাটি দায়ের করেন। প্রধান আসামি করা হয়েছে সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধাকে।
এছাড়া ১০০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগ পাবনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের আত্মীয় এবং অনুসারী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার চর গড়গড়ি গ্রামে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত অর্ধশত নেতা-কর্মী আহত হন।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে বিএনপি ও জামায়াতের অনেক নেতা-কর্মী এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরতে চাইলে অন্তর্বর্তী সরকার এক দিনের মধ্যেই ট্রাভেল পাস দিতে প্রস্তুত- এমন মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
রবিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে প্রেস ক্লাবে ডিক্যাব আয়োজিত ‘পরিবর্তনশীল বিশ্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ বিষয়ে তার অবস্থান তুলে ধরেন।
তৌহিদ হোসেন জানান, লন্ডনে তারেক রহমান কোন আইনি বা অভিবাসন স্ট্যাটাসে আছেন সে বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট তথ্য নেই। তিনি দেশে ফেরার উদ্যোগ নিলে অন্য কোনো রাষ্ট্র তাকে বাধা দেবে- এমন ধারণার ভিত্তি নেই বলেও জানান তিনি।
ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশজ পরিবর্তনের সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের খাপ খাইয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগছে। তবুও দুই দেশের কাজকর্মের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ভারতে অবস্থান করছেন- এ তথ্য জানা থাকলেও দিল্লির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো নোটিফিকেশন আসেনি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে তৌহিদ হোসেন বলেন, ভারত যদি তাকে ফেরত না-ও পাঠায়, তবুও দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগে স্থবিরতা তৈরি হবে না। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দ্রুততম সময়ে দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রত্যাশা বাংলাদেশের রয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন- একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়। তার দাবি, গণভোটকে জাতীয় নির্বাচনের আগে আলাদা তারিখে আয়োজন করতে হবে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আট-দলীয় জোট আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এ বক্তব্য দেন।
পরওয়ার বলেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন জাগরণ তৈরি হয়েছে এবং আট-দলীয় ঐক্য সেই পরিবর্তনের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, আরও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই জোটে যুক্ত হতে আগ্রহী এবং তারা নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোতে চান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সংগ্রাম সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই নয়—এটি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জাতীয় আন্দোলন।
সমাবেশে অন্যান্য নেতারাও গণভোট আলাদা দিনে করার দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। রাশেদ প্রধান বলেন, দেশের ইতিহাসে কখনো নির্বাচনের দিন গণভোট হয়নি; তাই একই দিনে দুইটি আয়োজন অস্বাভাবিক সিদ্ধান্ত।
তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশন প্রধানও এই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জিং হিসেবে দেখেছেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুলও জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের আহ্বান জানান।
তিনি নিরপেক্ষ প্রশাসন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান মনে করেন, গণভোটে জনগণ স্পষ্ট সিদ্ধান্ত দেবে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে বিরোধী পক্ষকে প্রত্যাখ্যান করবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন্দ জানান, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায় এবং একটি কার্যকর সংসদ গঠনের লক্ষ্যে ঐক্য বজায় রাখা প্রয়োজন।
নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল মাজেদ আতহারি বলেন, আগে গণভোট ও জুলাই সনদ কার্যকর করতে হবে; অন্যথায় নির্বাচনের পথ রুদ্ধ হবে।
এ ছাড়া সমাবেশে বিভিন্ন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।
বিজয়ের মাসকে সামনে রেখে ঘোষিত ‘বিজয় মশাল রোড শো’ কর্মসূচি আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক সংকটকে কেন্দ্র করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রবিবার নয়াপল্টনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় গত তিন দিনে কোনো উন্নতি দেখা যায়নি। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে তার চিকিৎসা চলছে এবং আপাতত সেখানেই চিকিৎসা অব্যাহত থাকবে।
এর আগের রাতে হাসপাতাল ফটকে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, চিকিৎসায় যুক্ত আছে দেশের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মেডিকেল টিম। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।
জাহিদ হোসেন আরও জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও দলের নেতারা খালেদা জিয়ার সেবাযত্নে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন।
কয়েক দিন ধরে তিনি সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন বলে দলীয়ভাবে জানানো হয়েছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রবিবার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার আপডেট জানান।
রিজভী বলেন, ম্যাডামের অবস্থায় এখনো কোনো উন্নতি নেই। তিনি আগের মতোই জটিল অবস্থায় আছেন।
বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, মেডিকেল বোর্ড এখনো কোনো সুপারিশ দেয়নি।
তিনি বলেন, বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে বিজয়ের মাসে বিএনপির ‘মশাল রোড শো’ স্থগিতসহ তার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে দলটি।
হাসপাতালের সামনে অতিরিক্ত ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়ে রিজভী বলেন, এমন ভিড় চিকিৎসা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। তাই সবাইকে নিজ নিজ স্থান থেকে দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, বিএনপির শীর্ষ নেতারা নিয়মিতভাবে চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং সকল তথ্য মেডিকেল বোর্ড থেকেই পাচ্ছেন।
৮১ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনিসহ নানা জটিল রোগে ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগেও অক্টোবর মাসে তিনি একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।
এর আগে ৭ জানুয়ারি তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন এবং ১১৭ দিন সেখানে থাকার পর দেশে ফিরে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আসছিলেন।
দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান- গত বছরের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই এমন খবর শোনা যাচ্ছে। বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতাও কয়েক মাস ধরে বলছেন, শিগগিরই দেশে ফিরবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে চূড়ান্ত কোনো খবর নেই। এদিকে তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন। পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি তিনি।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে ফেরার বিষয়ে ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’ বলে ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। যা আলোচনার ঝড় তুলেছে। কেন তিনি দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না এবং এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে, উঠেছে এমন প্রশ্ন।
এ নিয়ে শনিবার (৩০ নভেম্বর) দিনভর রাজনৈতিক জল্পনা-কল্পনার মধ্যে বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু বলেন, ‘তারেক রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাসেই সব ব্যাখ্যা রয়েছে। এ বিষয়ে আর কিছু বলার নেই।’
ওদিকে তারেক রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাসের কয়েক ঘণ্টা পর বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলেন, ‘এ ব্যাপারে (তারেক রহমানের ফেরা) সরকারের তরফ থেকে কোনো বিধি-নিষেধ অথবা কোনো ধরনের আপত্তি নাই।’
এর আগে অক্টোবরের শুরুতে বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ‘দ্রুতই দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার’ কথা জানিয়েছিলেন তারেক রহমান। তার দলের নেতারা বলেছিলেন, তিনি নভেম্বরেই দেশে ফিরবেন। কিন্তু নভেম্বর শেষ হওয়ার মাত্র একদিন আগে তারেক রহমান নিজেই জানালেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়ন্ত্রণ তার নেই।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য তারেক রহমানের দেশে ফেরা বিষয়ে বলেন, ‘দলের বিষয় আছে। পাশাপাশি আরও অনেক বিষয় আছে। সব মিলিয়েই তার দেশে ফিরতে বিলম্ব হচ্ছে।’
যদিও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল হলে ‘পরিস্থিতি যাই হোক’ তিনি দেশে ফিরবেন- এমন আভাসও দিয়েছেন দলের নেতারা।
তারেক রহমান কী বলেছেন
বাংলাদেশে ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতা নেওয়া সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে আটক হয়ে ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছিলেন তারেক রহমান। পরে ২০০৮ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে পরিবারের সদস্যদেরকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা ছেড়েছিলেন তিনি।
বিএনপির প্রয়াত নেতা মওদুদ আহমদ তার ‘কারাগারে কেমন ছিলাম (২০০৭-২০০৮)’ বইতে লিখেছেন, ‘এমনও হতে পারে তিনি (খালেদা জিয়া) জেনারেলদের সঙ্গে এই সমঝোতা করেছিলেন যে, তারেক রহমান আপাতত নিজেকে রাজনীতিতে জড়াবেন না এবং এ মর্মে তারেক রহমান কোনো সম্মতিপত্রে স্বাক্ষরও দিয়ে থাকতে পারেন।’
২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথমবারের মতো স্বীকার করেন যে, ২০১২ সালে তারেক রহমান ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন এবং এক বছরের মধ্যেই সেটি গৃহীত হয়েছে।
দীর্ঘসময় ধরে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ ছিল যে আওয়ামী লীগ সরকারের ‘মিথ্যা মামলা ও বাধার’ কারণেই তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারছেন না। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি দেশে ফিরছেন না কেন- এই প্রশ্ন ও কৌতূহল ক্রমশ জোরালো হচ্ছিল।
বিশেষ করে গত রোববার জরুরি ভিত্তিতে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তির পরপরই তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই এই সময়ে মায়ের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানাতে দেখা গেছে।
শুক্রবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, বৃহস্পতিবার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে বেগম জিয়ার অবস্থা ‘সংকটময়’। এরপর তারেক রহমানের দেশে ফেরার গুঞ্জন ও আলোচনা আরও জোরদার হয়ে ওঠে।
এমন প্রেক্ষাপটে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে বিএনপির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয় ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো তারও আছে।
কিন্তু অন্য আর সকলের মতো সেটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর সেই বিষয় বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার সেই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে তার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই তার পরিবার আশাবাদী।’
এর কিছুক্ষণ পর তারেক রহমান নিজেও তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় একই স্ট্যাটাস দেন, যাতে অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে ওঠে যে তার দেশে ফেরার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি তার ওপর নির্ভর করছে না। একই সঙ্গে তার ও বিএনপির বিবৃতিতে স্পষ্ট বলা হয় যে, এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার সুযোগই তার বা দলের নেই।
ফলে প্রশ্ন উঠছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়ন্ত্রণ আসলে কাদের হাতে এবং কী কী কারণে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ১৪ মাস পরেও তিনি দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।
ফেরার পথে বাধা কোথায়
শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ১৪ মাস পার হয়েছে। এরইমধ্যে আওয়ামী লীগ আমলে এবং তার আগে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দায়ের হওয়া সব মামলা থেকে আইনি প্রক্রিয়াতেই অব্যাহতি পেয়েছেন তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান।
পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বিএনপির দিক থেকে দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা ও অস্ত্রে লাইসেন্সের আবেদনের খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে। ফলে মামলা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে তার দেশে ফিরতে দৃশ্যত কোনো বাধা ছিল না।
তবে বিএনপির কিছু সূত্র বলছে, তারেক রহমানের ফেরার বিষয়ে প্রভাবশালী কয়েকটি দেশের আপত্তির বিষয়টি কাজ করে থাকতে পারে। তবে কোন দেশ কেন ও কীভাবে তাদের এই আপত্তির কথা জানিয়েছে, তা সূত্রগুলো নিশ্চিত করতে পারেননি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বলছেন, ফেসবুকে তারেক রহমান যা বলেছেন তাতে মনে হয় দেশে আসার বিষয়টি তার নিজের ওপর নির্ভর করে না এবং আরও অনেক ফ্যাক্টর আছে যার ওপর তার নিয়ন্ত্রণ নেই।
‘উইকিলিকসের ফাঁস হওয়া প্রতিবেদনে তারেক রহমানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির বিষয়টি সামনে এসেছিল এবং যে যা-ই বলুন না কেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের নীতির পরিবর্তন না হলে তারেক রহমান দেশে ফিরবেন কোন ভরসায়। বাংলাদেশের রাজনীতি অনেকটাই নির্ভর করে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়ার ওপরে।’
তিনি বলেন, ‘১/১১ এর সময়ে কিছু ব্যাপার ছিল। তিনি (তারেক) এক ধরনের মুচলেকা দিয়ে দিয়েছিলেন। খালেদা জিয়াও বলেছিলেন যে তারেক লন্ডনে পড়ালেখা করবেন, রাজনীতি করবে না। আমরা জানি না সেই অঙ্গীকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে কি না। তিনি বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়েছেন কি-না তাও পরিষ্কার না।’
ওদিকে বিবিসি বাংলায় শনিবার প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বাংলাদেশ বড় দুটি দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে একটি অগণতান্ত্রিক তৎপরতা রয়েছে।
তার এমন মন্তব্য এবং তারেক রহমানের দিক থেকে তার দেশে ফেরা নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দেওয়ার পর বহুল আলোচিত ‘মাইনাস টু ফর্মুলার’ বিষয়টিও অনেকের আলোচনায় আসছে।
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য করার কথিত উদ্যোগ বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ হিসেবে পরিচিত।
মহিউদ্দিন আহমেদ বলছেন, ‘মাইনাস টু নিয়ে যত কথা বলি না কেন, তখন আসলে এজেন্ডা ছিল মাইনাস ফোর। সেটা ছিল দুই পরিবারের ধারাবাহিক শাসনের বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নেওয়া। এর মধ্যে একটা মাইনাস হয়ে গেছে (শেখ হাসিনা পরিবার)। বাকি অর্ধেকের মধ্যে খালেদা জিয়া অসুস্থতার কারণে নিষ্ক্রিয়। ফলে বাকি থাকলেন তারেক রহমান। তবে তার দেশে ফেরার অনিশ্চয়তা শেষ পর্যন্ত মাইনাস ফোর-এ গড়ায় কি না সেটি সময়েই জানা যাবে।’
তবে বিএনপি কয়েকজন নেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন, নির্বাচনের তফসিল হলে পরিস্থিতি যেমনই হোক দেশে ফিরবেন তারেক রহমান এবং তিনিই নির্বাচনে দলের নেতৃত্ব দেবেন। শুধু তাই নয়, বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকলে এবং বিএনপি নির্বাচনে জিতলে তারেক রহমানই হবেন প্রধানমন্ত্রী।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশটির প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চেয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র দিয়েছেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ফ্ল্যাট বিক্রির প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা নিয়েছেন তারা
রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় ফ্ল্যাট বিক্রির নামে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করা একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।
বুধবার
বিশ্বের প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গু টিকা অনুমোদন দিলো ব্রাজিল
ডেঙ্গুর বাড়তে থাকা বৈশ্বিক উদ্বেগের মধ্যে বিশ্বের প্রথম এক-ডোজের ডেঙ্গু টিকার ব্যবহারে অনুমোদন দিয়েছে ব্রাজিল।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রক
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে একগুচ্ছ ছবি। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
ছবিগুলো পোস্ট করে সাফা লিখেছেন, ‘এমন ক্যাফেগুলো খুবই ভালোবাসি যেগুলোর নিজস্ব নান্দনিক ছোঁয়া থাকে—প্রকৃতির খানিকটা মিশ্রণ, ভালো খাবার, আনন্দদায়ক পরিবেশ, আর ছবির জন্য আদর্শ স্থান। মুহূর্তটা হাতছাড়া করতে পারিনি, তাই ধরে রাখলাম।’ অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
তাঁর নতুন ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্ত–অনুসারীরা। অনেকেই লিখেছেন, ‘আপনাকে সুন্দর লাগছে।’
ব্যাংককে কাজের সূত্রে, নাকি ঘোরাঘুরি করতে গিয়েছেন, তা অবশ্য জানাননি সাফা।
‘তুমি’, ‘সন্ধি’, ‘শেষ থেকে শুরু’সহ গত কয়েক মাসে সাফা অভিনীত বেশ কিছু নাটক আলোচিত হয়েছে।
এমনিতেই কাজের ফাঁকে ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন সাফা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
Share
অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী এখন আছেন পূজার আনন্দে। মঙ্গলবার অষ্টমীর দিনে পোস্ট করেছেন নতুন বেশ কয়েকটি ছবি
Share
দুই পরিবারের উপস্থিতিতে ছোট আয়োজনেই বিয়ে সারেন শবনম ফারিয়া। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুসংবাদটি গণমাধ্যমে নিজেই ভাগ করে নেন অভিনেত্রী নিজে। শবনম ফারিয়া, ছবি : ফেসবুক
Share
সোনালি আভা ছড়াচ্ছে ভোরের সূর্য।
পথের ধারে হলুদ ফুলের সৌন্দর্য।
Share
বিক্রির জন্য তুলে আনা হয়েছে লাল ও সাদা শাপলা।
জলাবদ্ধতায় মাছের ঘেরের পানি আর খালের পানি একাকার হয়ে গেছে।
Share
ছোটপর্দার ব্যস্ততম নায়িকা তানজিম সাইয়ারা তটিনী
আমি যা নই পর্দায় তাই হচ্ছি
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তটিনীকে
Share
শাপলা তুলছে এক কিশোর
আফগানিস্তানে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা
অবরুদ্ধ গাজায় মায়েদের কান্না থামবে কবে?
Share
Share
রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, সেনাবাহিনী-বিজিবি-পুলিশের অবস্থান