

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের ভাষা-সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে পৌষ পার্বণ পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন কোর্টে এর উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা, অধ্যাপক ড.তসলিমা খাতুন, অধ্যাপক ড. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. রেজাউল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও সহযোগী অধ্যাপক ড.সুমাইয়া আফরীন সানিসহ বিভাগের বিভিন্ন আবর্তনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সরেজমিন দেখা যায়, বিভাগের ১৬,১৭,১৮ ও ১৯ আবর্তনের শিক্ষার্থীরা হরেক রকমের পিঠার পসরা বসায়। তন্মধ্যে পামকিং পাই, সুইচ রোল পুলি, চন্দন কাঠ, সুজির মালাই চাপ, ম্যারা পিঠা, নারকেল পুলি পিঠা, দুধ চিতুই, ভাপা পিঠা, ফুলঝুরি পিঠা, সেমাই পিঠা, সাগু রিং, কেক, গোলাপ পিঠা, ডালের পিঠা, পুডিং, দুধ মালাই রিং, দুধ সন্দেশ, নারকেল চমচম, তেলের পিঠা, নারকেল পাকন, নুডলস পিঠা, চুষি পিঠা উল্লেখযোগ্য। চারটি স্টলে অর্ধশতাধিক পিঠার সমাহার ছিল।
বাংলা ভাষা-সাহিত্য পরিষদের ভিপি (সহ-সভাপতি) এমদাদুল হক বলেন, "বাংলা বিভাগ কতৃর্ক আয়োজিত প্রথম পৌষ পার্বণ ১৪৩২ অনুষ্ঠানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে বাঙালিয়ানা সংস্কৃতিকে তুলে ধরা। পৌষ পার্বণ ১৪৩২ এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা বিভাগের সংস্কৃতিতে এক নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে আমরা আশা করি।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, "শীত ঋতু চমৎকার একটা ঋতু। আমরা বাংলা বিভাগ থেকে এ বছর আয়োজন করেছি পৌষ পার্বণ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানটা আয়োজন করার একটাই লক্ষ্য। আমাদের নিজস্ব একটা সংস্কৃতি এবং আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির একটা বিকাশ আছে আতিথেয়তার একটা ধরন আছে।সেই ধরনগুলো আমাদের বাংলা বিভাগে আবার পুনরায় চর্চা করতে চাচ্ছি। আমরা আশা করছি ভবিষ্যতে এই অনুষ্ঠানের পরিসর এবং আয়োজন আরো সমৃদ্ধ কর পর্যায়ে নিয়ে আমরা আরো সুচারুভাবে একটা পিঠা উৎসব এই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিতে পারব।"
বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী, "বাংলা বিভাগের উদ্যোগে আজকে পৌষ পার্বণ ১৪৩২ আয়োজন করা হয়েছে। পৌষ পার্বণ মুলতো বাঙালীদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। বাংলার ঘরে ঘরে বা পৌষের শেষ দিনে পিঠা পায়েসের আয়োজন হয়। এর ধারাবাহিকতায় আমরা আজকে বাংলা বিভাগ পরিবার আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে নিয়ে এ পৌষ পার্বণের আয়োজন করেছি যেটা বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্যকে ধারণ করে।"
উল্লেখ্য, বুধবার ( ১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে বাঙালিয়ানা গানের আসর বসবে।
মন্তব্য করুন
