

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের শিরোপার পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্জনের অন্যতম বড় আকর্ষণ ‘গোল্ডেন বুট’। টুর্নামেন্টে এখন বাকি শুধু ফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ফলে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার কার হাতে উঠবে, তা নিয়েও বাড়ছে আগ্রহ।
এ মুহূর্তে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। দুজনেরই গোলসংখ্যা সমান—৮টি করে। তবে ফিফার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, সমান গোল করলেও অন্য পরিসংখ্যানে এগিয়ে থাকায় আপাতত সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন মেসি।
মেসি টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ৮ গোলের পাশাপাশি করেছেন ৪টি অ্যাসিস্ট। অন্যদিকে এমবাপ্পের গোলসংখ্যাও ৮ হলেও তার অ্যাসিস্ট ৩টি। ফলে বর্তমান হিসাব অনুযায়ী গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়কই এগিয়ে।
তবে লড়াই এখানেই শেষ নয়। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এমবাপ্পের সামনে নিজের গোল ও অ্যাসিস্টের সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ভালো পারফরম্যান্সে তিনি আবারও সমীকরণ বদলে দিতে পারেন।
গোল্ডেন বুটের প্রতিযোগিতা থেকে পুরোপুরি ছিটকে যাননি ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইনও। দুজনেরই ঝুলিতে রয়েছে ৬টি করে গোল এবং ১টি করে অ্যাসিস্ট। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে একাধিক গোল করতে পারলে তাঁরাও শেষ মুহূর্তে আলোচনায় চলে আসতে পারেন।
সমান গোল হলে কী বলে ফিফার নিয়ম?
বিশ্বকাপ শেষে যদি একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান থাকে, তাহলে প্রথমে বিবেচনায় নেওয়া হবে অ্যাসিস্ট। যিনি বেশি গোলে সহায়তা করেছেন, তিনিই এগিয়ে থাকবেন।
যদি গোল ও অ্যাসিস্ট—দুই ক্ষেত্রেই সমতা থাকে, তখন হিসাব করা হবে মাঠে কাটানো সময়। একই সংখ্যক গোল করতে যে খেলোয়াড় কম মিনিট খেলেছেন, কার্যকারিতার বিচারে তাকেই এগিয়ে রাখা হবে।
ফলে গোল্ডেন বুটের লড়াই শুধু গোলের সংখ্যার ওপর নির্ভর করছে না; অ্যাসিস্ট এবং মাঠে খেলা সময়ও শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করে দিতে পারে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পরিচয়।
