

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধারালো অস্ত্রের হামলায় আহত এইচএসসি পরীক্ষার্থী আব্দুর রহমান (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় তার বড় ভাই মো. হাসান গুরুতর আহত হয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহমানের মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান।
নিহত আব্দুর রহমান রায়গঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলজোড় নদীর পশ্চিম পাড় এলাকার বাসিন্দা ও বস্তা ব্যবসায়ী মো. ফিরোজের ছেলে। তিনি রায়গঞ্জ বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী এবং চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. তারা শেখের ছেলে টিটোনের সঙ্গে আব্দুর রহমানের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে টিটোন ধারালো অস্ত্র দিয়ে আব্দুর রহমান ও তার বড় ভাই হাসানের ওপর হামলা চালান। এতে তারা দুজনই গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে আব্দুর রহমানের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসার একপর্যায়ে তার একটি হাত কেটে ফেলতে হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, গুরুতর আহত মো. হাসান এখনো শজিমেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত টিটোন ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রায়গঞ্জ থানার ওসি মো. আহসানুজ্জামান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ এলাকায় আনার পর ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।