মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২৫০

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম
ফাইল ছবি
expand

আন্দামান সাগরে মালয়েশিয়াগামী একটি ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ২৫০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীর পাশাপাশি কিছু বাংলাদেশিও আছেন বলে জানা গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এদের অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

তথ্য অনুযায়ী, ট্রলারটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের টেকনাফ এলাকা থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। যাত্রাপথে আন্দামান সাগরে প্রবল ঝড় ও উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে সেটি ডুবে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে ট্রলারটি ভারসাম্য রাখতে না পেরে দুর্ঘটনার শিকার হয়।

এ ধরনের দুর্ঘটনা নতুন নয়। প্রতি বছরই উন্নত জীবনের আশায় বহু মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে পাড়ি দেন, যার বড় একটি অংশ রোহিঙ্গা শরণার্থী। বাস্তুচ্যুতি, সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তাঁদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

এ ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই দুর্ঘটনাকে দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুতি সমস্যা ও রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী সমাধানের অভাবের ফল হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাখাইন অঞ্চলে চলমান সহিংসতা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনাকে ক্রমশ কমিয়ে দিচ্ছে। পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হ্রাস, শরণার্থী শিবিরে সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং শিক্ষা ও কাজের অভাব তাদের ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ বেছে নিতে বাধ্য করছে। এ ক্ষেত্রে মানবপাচারকারীদের ভুয়া আশ্বাসও বড় ভূমিকা রাখছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংস্থাগুলো বলেছে, রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগণের জন্য সহায়তা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে যাতে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং সম্মানের সঙ্গে নিজ দেশে ফিরতে পারেন।

তারা সতর্ক করে দিয়েছে, সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিপজ্জনক যাত্রায় আরও প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank