

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বেকিটেকা ব্রিজের পূর্ব পাশে মোড়গের খামারসংলগ্ন এলাকায় হবিগঞ্জ-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সিলিকা বালুর ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শিবপুরের নুরনবী ফান্দ্রাইল গ্রামের আব্দুল আউয়াল জুয়েল সড়কের পাশে বালু মজুত করে বালুমহালের আদলে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি ওই এলাকার মোঃ আব্দুর সত্তারের ছেলে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তি ও স্থানীয় কয়েকজন নেতাকে নিয়মিত ‘মাসোহারা’ দিয়ে জুয়েল দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে আব্দুল আউয়াল জুয়েলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, তার বালুর ব্যবসা বৈধ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। তবে সরেজমিনে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া অন্য কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
স্থানীয়দের দাবি, সড়কের পাশে মজুত করা এসব বালু কোনো বৈধ বালুমহাল থেকে আনা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভুয়া নাম ব্যবহার করে সেখানে বালুমহাল তৈরি করে বালু বিক্রি করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, এর আগে জুয়েল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে লাখাই উপজেলার বুল্লা এলাকায় অবৈধভাবে বালু বিক্রির অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। এরপর তারা সেখান থেকে সরে এসে বেকিটেকা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় বালুর ব্যবসা শুরু করেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
এদিকে হবিগঞ্জ-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বালু মজুত ও বিক্রি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে বালুর উৎস, ব্যবসার বৈধ কাগজপত্র এবং পরিবেশ ও সড়ক ব্যবস্থাপনার ওপর এর প্রভাব খতিয়ে দেখে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।


