

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়দের অবস্থা ছিল ‘বুক ধড়ফড়’ করার মতো।
টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করার পর আলবিসেলেস্তে ফুটবলাররা দর্শকদের সামনে উল্লাসে মেতে ওঠেন।
এসময় তারা একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ব্যানার প্রদর্শন করেন, যাতে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর তাদের মালিকানার দাবি স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
আর্জেন্টিনার দেওয়া দুটি শেষ মুহূর্তের আঘাতে ম্যাচ থেকে ছিটকে গিয়ে যখন বিধ্বস্ত ইংলিশ ফুটবলাররা মাঠ ছাড়ছিলেন, তখন বিজয়ীরা দৌড়ে যান গ্যালারির অন্য প্রান্তে তাদের সমর্থকদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নিতে।
সেখানে লিসান্দ্রো মার্তিনেস এবং জিওভানি লো সেলসোকে একটি ব্যানার হাতে দেখা যায়, যাতে লেখা ছিল, ‘ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার’। এর মাধ্যমে তারা দ্বীপপুঞ্জটির ওপর আর্জেন্টিনার সেই ঐতিহাসিক সার্বভৌমত্বের দাবিটি আবারও বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন, যা ১৯৮২ সালে দুই দেশের মধ্যে এক সশস্ত্র যুদ্ধের মূল কারণ ছিল।
ম্যাচ শুরুর আগে এটি কোনো যুদ্ধ নয় বরং স্রেফ একটি ফুটবল ম্যাচ; এমন কথা অনেক বলা হলেও মাঠের খেলোয়াড়রা যে পুরো বিষয়টি নিয়ে বেশ সচেতন ছিলেন, তা এখন পরিষ্কার। এমনকি ফকল্যান্ড যুদ্ধের প্রবীণ সৈনিকদের সংগঠন ‘এপ্রিল দ্বিতীয় ভেটেরানস ফেডারেশন’ একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছিল।
সেখানে তারা ম্যাচটিকে ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে না দেখে বরং ফকল্যান্ড ইস্যু নিয়ে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়াতে এবং বিশ্বকে এটি মনে করিয়ে দিতে একটি ‘সেতু’ হিসেবে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছিলেন যে, তাদের এই জাতীয় দাবি আজও বৈধ ও অটুট।
