

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে স্কেলে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুসরণের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি হারে ইনক্রিমেন্ট সুবিধা পাবেন।
এ ছাড়া বর্তমানে সব গ্রেডে প্রায় সমান হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার প্রচলিত নীতি পরিবর্তনের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নবম পে স্কেলের খসড়া অনুযায়ী ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের ৫ শতাংশ রাখা হয়েছে। পঞ্চম গ্রেডে ৪ শতাংশ, তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় গ্রেডে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রথম গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট পৃথকভাবে নির্ধারণ করা হবে।
বর্তমানে কার্যকর অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে সব গ্রেডেই গড়ে ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়।
জাতীয় বেতন কমিশনের খসড়ায় চিকিৎসা ভাতা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অন্যদিকে সন্তানদের জন্য মাসিক শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। যদিও কমিশন এ ভাতা ২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছিল।
অর্থ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম থেকে দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলে পরবর্তী বৈঠকে সুপারিশ অনুমোদন করে তা মন্ত্রিসভার বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে।
অর্থ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই নতুন পে স্কেলের মূল বেতনের পুরো অংশ সরকারি কোষাগার থেকে পরিশোধ করা হবে। তবে বিভিন্ন ভাতা আগামী অর্থবছরে দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে বর্তমানে চালু থাকা ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ ভাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। কারণ, মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই বিশেষ ভাতা বহাল রাখার প্রয়োজন থাকবে না।