

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারতের কর্ণাটকের মহীশূরে কর্মস্থলে হয়রানির অভিযোগ তুলে কীটনাশক পান করে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আত্মহত্যার আগে লেখা চিঠিতে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তাকে হয়রানি ও নানা বিষয়ে টার্গেট করার অভিযোগ করেছেন।
এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মৃত নারীর নাম নাগেশ্বরী। তিনি মহীশূরের হিনাকাল এলাকার রিলায়েন্স মার্টে টাটা পণ্যের প্রচারক হিসেবে কাজ করতেন। পিপিএমএস এজেন্সি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি সেখানে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, মৃত্যুর আগের ১৫ দিন ধরে নাগেশ্বরী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। কর্মস্থলে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন।
আত্মহত্যার চিঠিতে নাগেশ্বরী অভিযোগ করেন, যেসব বিষয় তার দোষ ছিল না, সেসব নিয়েও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে টার্গেট ও হয়রানি করতেন। গত চার মাস ধরে তাকে কোনো সাপ্তাহিক ছুটিও দেওয়া হয়নি এবং জরুরি ছুটির আবেদনও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কর্মস্থলে তার সঙ্গে আচরণের প্রতিবাদ করায় তাকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও চিঠিতে অভিযোগ করেন নাগেশ্বরী। তিনি ডলি নামের এক সুপারভাইজারের নামও উল্লেখ করেন এবং তার বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তোলেন।
নাগেশ্বরীর মা রত্নাম্মা মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েকে মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে। সামান্য বিষয় নিয়েও তাকে বিরক্ত করা হতো। গত ১৫ দিন ধরে আমার মেয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। কর্মস্থলে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে সে আমাদের জানিয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আত্মহত্যার আগে আমার মেয়ে ডলি নামের এক সুপারভাইজারের নাম লিখে গেছে। কর্মস্থলে হয়রানি ও চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার পরই আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি আমার মেয়ের জন্য বিচার চাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।’
ঘটনার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। নাগেশ্বরীর আত্মহত্যার সঙ্গে কর্মস্থলে হয়রানির অভিযোগের কোনো যোগসূত্র ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি