

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন। সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাসের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল করেছে লা রোহা।
এমন ঐতিহাসিক জয়ের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে নিজের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই কঠিন। তবে আমি বুঝতে পারছি, এটি আনন্দের মতোই কোনো অনুভূতি। খেলোয়াড়দের এমন একটি অসাধারণ দলকে নেতৃত্ব দিতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত।
তবে ফাইনাল নিশ্চিত করেই আত্মতুষ্ট হতে নারাজ স্প্যানিশ কোচ। শিরোপার আগে আরও একটি ধাপ বাকি আছে বলে মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো আরও উন্নতি করতে চাই। আমাদের সামনে এখনো আরও একটি ধাপ পার হওয়া বাকি রয়েছে। আমরা সেটি অর্জন করার জন্য আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
দে লা ফুয়েন্তে জানান, বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার অনুভূতি যেমন আনন্দের, তেমনি এটি বিশাল দায়িত্বও। তিনি বলেন, ‘ভেতরে অনেক চাপা উত্তেজনা কাজ করছে। বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছানোটা একটি বিশাল দায়িত্ব। এটি একটি দারুণ সৌভাগ্য, যা কেবল বাছাই করা অল্প কিছু মানুষের ভাগ্যেই জোটে। প্রতিটি মুহূর্ত মন থেকে উপভোগ করতে হবে।’
চার বছর আগে শুরু হওয়া দীর্ঘ পরিকল্পনার কথাও স্মরণ করেন স্প্যানিশ কোচ। তাঁর ভাষায়, ‘চার বছর আগে আমরা একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। আমরা সবসময় সেই ভাবনায় অবিচল ছিলাম এবং সেটাই আজ আমাদের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। আমি অত্যন্ত গর্বিত।’
ফ্রান্সকে হারানোর এই জয় শুধু স্পেনকে ফাইনালে তোলেনি, দে লা ফুয়েন্তের নামও তুলে দিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। তিনিই প্রথম কোচ, যিনি কোনো ইউরোপীয় জাতীয় দলকে নিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও ফিফা বিশ্বকাপে প্রথম ১৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকার কীর্তি গড়লেন। এই সময়ে তার দলের রেকর্ড ১৩ জয় ও ১ ড্র।
এদিকে স্পেন টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থেকে জাতীয় দলের ইতিহাসে দীর্ঘতম অজেয় যাত্রার যৌথ রেকর্ডও স্পর্শ করেছে। এখন তাদের সামনে একটাই লক্ষ্য—ফাইনালে জিতে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তোলা।
