

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে স্পেন। তবে ম্যাচের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত ছিল লামিন ইয়ামালের বাতিল হওয়া গোল।
ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৬০তম মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে দারুণ একক প্রচেষ্টায় ফরাসি ডিফেন্স ভেঙে বক্সে ঢুকে বল জালে পাঠান ইয়ামাল। স্পেনের খেলোয়াড় ও সমর্থকেরা যখন ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার উল্লাসে মেতে উঠেছেন, ঠিক তখনই সহকারী রেফারির অফসাইডের পতাকা ওঠে।
ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনার পরও সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। রিপ্লেতে দেখা যায়, পাস নেওয়ার মুহূর্তে ফ্রান্সের শেষ ডিফেন্ডারের চেয়ে সামান্য এগিয়ে ছিলেন ইয়ামাল। ফলে অফসাইডের নিয়ম অনুযায়ী গোলটি বাতিল করা হয়।
গোলটি বাতিল হলেও ম্যাচে ইয়ামালের প্রভাব ছিল চোখে পড়ার মতো। শুরু থেকেই তার গতি, ড্রিবলিং ও সৃজনশীলতায় বারবার বিপাকে পড়ে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২২তম মিনিটে তার দুর্দান্ত দৌড় সামলাতে গিয়ে বক্সের ভেতর ফাউল করেন লুকাস দিনিয়ে। সেই পেনাল্টি থেকেই মিকেল ওইয়ারসাবাল স্পেনকে এগিয়ে দেন।
নিজের নাম স্কোরশিটে তুলতে না পারলেও পুরো ম্যাচে স্পেনের আক্রমণের প্রাণভোমরা ছিলেন ইয়ামাল। তার পারফরম্যান্সের সামনে ফ্রান্সের রক্ষণ বারবার অসহায় হয়ে পড়ে, আর কিলিয়ান এমবাপ্পেদের আক্রমণও স্পেনের সংগঠিত ডিফেন্স ভাঙতে ব্যর্থ হয়।
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে ইয়ামাল ইতোমধ্যেই স্পেনের সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। গোল, অ্যাসিস্ট, সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণে অবিরাম চাপ তৈরি করে স্পেনকে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এই তরুণ তারকা।
