

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালের জয়ে স্পেনের ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার রাতে আলোচনায় ছিলেন মিকেল ওইয়েরজাবালও। শুধু গোলের জন্য নয়, গোলের পর তার বিশেষ উদযাপনও কৌতূহল তৈরি করেছে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে।
মঙ্গলবার রাতে ডালাসে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারায় স্পেন। ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে ওইয়েরজাবালের পা থেকে। গোল করার পর দুই হাত দিয়ে ‘এম’ অক্ষরের আকৃতি তৈরি করে উদযাপন করেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
কেন এই উদযাপন; তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ওগ্লোবোর তথ্য অনুযায়ী, ওই ইশারার পেছনে ছিল তার তিন বছর বয়সী ছেলে মার্তিন। ছেলেকে উৎসর্গ করেই গোলের পর এমন উদযাপন করেন তিনি।
২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার খুব শিগগিরই দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হতে যাচ্ছেন। তার স্ত্রী আইনোয়া লারাউরি অন্তঃসত্ত্বা। এবারের বিশ্বকাপ চলাকালীনই তারা নতুন অতিথি আসার খবর জানিয়েছিলেন।
এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের আক্রমণভাগের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে উঠেছেন ওইয়েরজাবাল। এখন পর্যন্ত সাত ম্যাচে পাচ গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। রিয়াল সোসিয়েদাদের এই ফরোয়ার্ড শুধু গোলই করেননি, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্বও পালন করেছেন।
২০২৪ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপেও স্পেনের শিরোপা জয়ে বড় ভূমিকা ছিল তার। বার্লিনের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে বদলি হিসেবে নেমে জয়সূচক গোলটি করেছিলেন তিনি। ওই গোলই তার জাতীয় দলের ক্যারিয়ারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পর্বে জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন ওইয়েরজাবাল। তবে হাঁটুর গুরুতর চোটের কারণে কাতার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা হয়নি তার। লুইস দে লা ফুয়েন্তে কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আবারও দলে ফেরেন তিনি।
ফিরে এসে কখনো শুরুর একাদশে, কখনো বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছেন এই ফরোয়ার্ড। ইউরোর ফাইনালের পর ২০২৫ সালের নেশন্স লিগের ফাইনালেও গোল করে দলের সাফল্যে অবদান রাখেন তিনি।
এবার বিশ্বকাপে পাঁচ গোল করে স্পেনকে ফাইনালে তুলেছেন ওইয়েরজাবাল। ব্যক্তিগত অর্জন, পারিবারিক আবেগ আর দলের সাফল্য—সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপ তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে উঠেছে।
