

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপে মিশরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের ঐতিহাসিক সেই প্রত্যাবর্তনের পর আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তিনি এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন যে, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে পারেননি।
মাঠে কান্নারত লিওনেল মেসির মতোই নিজেকে সামলাতে পারেননি কোচ স্কালোনিও। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ শেষে আটলান্টা স্টেডিয়ামের মাঠেই তার সাক্ষাৎকার নিতে গিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের সাংবাদিক।
কিন্তু প্রশ্ন করার পর স্কালোনি নিজের চোখের জল আর ধরে রাখতে পারেননি এবং সেখানেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
প্রবল উত্তেজনার পর কিছুটা স্থবির হয়ে পড়া এই সান্তা ফের মানুষটি কোনোমতে কেবল এটুকুই বলতে পেরেছিলেন, ‘আমি মাথা তুলে তাকাতেও পারছি না, আমাকে ক্ষমা করবেন।
আমি অনেক বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। ভাই রে, কী অসাধারণ একদল খেলোয়াড় এরা! এখন আমায় যেতে হবে, কিছু মনে করবেন না।
স্কালোনি কথা বলতে না পারলেও সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলেছেন দলের অন্যতম সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা। তিনিও বেশ আবেগপ্রবণ ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন অবিশ্বাস্য এক স্বস্তি অনুভব করছি। আমরা এই ছেলেদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে। এরা কখনো ক্লান্ত হয় না, সবসময় আরও ভালো কিছু করতে চায় এবং এ ধরণের অভাবনীয় কাজ করে দেখানোর ক্ষমতা রাখে।’
আয়ালা আরও যোগ করেন, ‘ম্যাচের এক পর্যায়ে আমরা বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু খেলোয়াড়রা নিজেদের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিল যে, যদি আমাদের বিদায় নিতেই হয় তবে যেন আমরা মাথা উঁচু করেই বিদায় নেই। এটি এই অসাধারণ দলটির শ্রেষ্ঠত্বের আরেকটি অনন্য প্রমাণ।’
ম্যাচের একটা সময় হারের মুখে থাকা আর্জেন্টিনার ভাগ্য পাল্টে যায় ৭৯ মিনিটে, যখন রোমেরো এক গোল শোধ করেন। এরপর ৮৩ মিনিটে লিওনেল মেসি সমতা ফেরান। আর ৯২ মিনিটে এনসো ফার্নান্দেসের করা জয়সূচক গোলটি ৩-২ ব্যবধানে দলের জয় নিশ্চিত করে।

