

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৬ বিশ্বকাপের উত্তাপের মধ্যেই ফুটবল অঙ্গনে শুরু হয়েছে ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে এবার প্রথমবারের মতো তিনটি মহাদেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর।
ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। তবে শতবর্ষের বিশেষ আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকার উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে।
স্বাগতিক হওয়ার কারণে ছয়টি দেশই সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। তবে দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশ উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে স্বাগতিকের মর্যাদা পেলেও কনমেবল অঞ্চলের বাছাইপর্বে অংশ নেবে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসের সঙ্গে উরুগুয়ের সম্পর্ক বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল দেশটি এবং সেই আসরের শিরোপাও জিতেছিল তারা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবলের সদর দপ্তর অবস্থিত প্যারাগুয়েতে। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় তিন দেশকেই শতবর্ষের আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করেছে ফিফা।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ছয় দেশের ১৮টি শহরের ২১টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে এটি হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ আসরগুলোর একটি। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৮ জুন এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুলাই।
২০২৬ বিশ্বকাপের উত্তাপের মধ্যেই ফুটবল অঙ্গনে শুরু হয়েছে ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে এবার প্রথমবারের মতো তিনটি মহাদেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর।
ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। তবে শতবর্ষের বিশেষ আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকার উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে।
স্বাগতিক হওয়ার কারণে ছয়টি দেশই সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। তবে দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশ উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে স্বাগতিকের মর্যাদা পেলেও কনমেবল অঞ্চলের বাছাইপর্বে অংশ নেবে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসের সঙ্গে উরুগুয়ের সম্পর্ক বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল দেশটি এবং সেই আসরের শিরোপাও জিতেছিল তারা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবলের সদর দপ্তর অবস্থিত প্যারাগুয়েতে। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় তিন দেশকেই শতবর্ষের আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করেছে ফিফা।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ছয় দেশের ১৮টি শহরের ২১টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে এটি হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ আসরগুলোর একটি। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৮ জুন এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুলাই।

