

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আর্জেন্টিনা ও মিসরের ফুটবল লড়াইয়ের ইতিহাস খুব দীর্ঘ নয়। তবে যতবারই দুই দল মুখোমুখি হয়েছে, বেশির ভাগ সময়ই আধিপত্য দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। আর সেই ইতিহাসের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায় ১৯২৮ সালের আমস্টারডাম অলিম্পিক, যেখানে মিসরকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করে কার্যত সেই ব্রাজিল-জার্মানির ‘সেভেনআপের’ স্বাদ দিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা।
সিনিয়র পর্যায়ে আর্জেন্টিনা ও মিসরের প্রথম দেখা হয় ওই অলিম্পিকের সেমিফাইনালে। যুক্তরাষ্ট্রকে ১১-২ এবং বেলজিয়ামকে ৬-৩ গোলে হারিয়ে শেষ চারে ওঠা আর্জেন্টিনা মিসরের বিপক্ষেও গোলবন্যা বইয়ে দেয়।
সে ম্যাচে রবার্তো চেরো একটি, ম্যানুয়েল ‘নোলো’ ফেরেইরা জোড়া এবং দোমিঙ্গো তারাসকোনে হ্যাটট্রিক করেন। শেষ পর্যন্ত ৭-০ গোলের বড় জয়ে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা। যদিও শিরোপা জেতা হয়নি; ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে হেরে রুপা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। তথ্য দিয়েছে আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস।
দুই দলের দ্বিতীয় ও সর্বশেষ সিনিয়র লড়াই হয় ২০০৮ সালের ২৬ মার্চ কায়রোতে একটি প্রীতি ম্যাচে। আলফিও বাসিলের শিষ্যরা ২-০ গোলে জয় পায়। সার্জিও আগুয়েরো ও নিকোলাস বুর্দিসো গোল করেন। ইনজুরির কারণে সে ম্যাচে খেলতে পারেননি লিওনেল মেসি।
সিনিয়র পর্যায়ে মাত্র দুইবার মুখোমুখি হলেও যুব পর্যায়ে পাঁচবার লড়েছে দুই দল। সেখানেও আর্জেন্টিনারই দাপট বেশি।
২০০১ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে মিসরকে আবারও ৭-০ গোলে উড়িয়ে দেয় আর্জেন্টিনা। ২০০৩ সালে ২-১, ২০০৫ সালে ২-০ এবং ২০১১ সালে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় তারা। ২০১১ সালের ম্যাচে মিসরের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছিলেন মোহাম্মদ সালাহ।
সবশেষ ২০২১ টোকিও অলিম্পিকেও ফাকুন্দো মেদিনার একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।
অতীতের পরিসংখ্যান তাই স্পষ্টভাবেই আর্জেন্টিনার পক্ষেই কথা বলছে। তবে ফুটবল ইতিহাস বলে, মাঠের লড়াইয়ে অতীতের রেকর্ড সব সময় ভবিষ্যতের ফল নির্ধারণ করে না। তাই নতুন লড়াইয়ে পুরোনো স্মৃতি ধরে রাখতে চাইলেও আর্জেন্টিনাকে নিজেদের সেরাটাই খেলতে হবে।

