

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের জার্সিতে নেইমার জুনিয়রকে দেখা যেতে পারে।
দলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, চোট থেকে সেরে ওঠার পথে থাকা এই তারকা ফুটবলার নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে পরবর্তী ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকবেন।
কাফের দ্বিতীয় মাত্রার চোটের কারণে টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার। তবে তার পুনর্বাসন কার্যক্রম ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে ব্রাজিল শিবির। বর্তমানে তিনি আলাদাভাবে ফিটনেস অনুশীলন করছেন এবং খুব শিগগিরই দলের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের পর আনচেলত্তি বলেন, নেইমারের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি প্রথমে ব্যক্তিগত অনুশীলন করবেন, এরপর দলের সঙ্গে নিয়মিত সেশন শুরু করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তাকে খেলার জন্য বিবেচনা করা হবে।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের স্কোয়াডে থাকলেও মাঠে নামেননি নেইমার। পরে জানা যায়, চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠার লক্ষ্যে তিনি নিউ জার্সিতে থেকে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, এই চোটের কারণে তাকে আরও কয়েক সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে। তবে প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত উন্নতি হওয়ায় তার ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এদিকে ব্রাজিল শিবিরে নতুন দুশ্চিন্তার নাম রাফিনহা। হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধেই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন এই উইঙ্গার। তার ইনজুরির প্রকৃতি সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। চিকিৎসকরা অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিস্তারিত জানাবেন বলে কোচ জানিয়েছেন।
গত মৌসুমেও হ্যামস্ট্রিং সমস্যায় ভুগেছিলেন রাফিনহা। ফলে নতুন এই চোট নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিলের মেডিকেল বিভাগ।
গ্রুপ ‘সি’-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই ম্যাচে প্রথমার্ধেই তিন গোল করে জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল।
এখন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। আর সেই ম্যাচে নেইমারের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন ব্রাজিলের আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেই মনে করছেন সমর্থক ও বিশ্লেষকরা। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের আগে দলের সবচেয়ে বড় তারকার ফিরে আসা ব্রাজিলের জন্য হতে পারে বড় স্বস্তির খবর।
