

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল হলেও দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে শিরোপার দেখা পাচ্ছে না ব্রাজিল।
২০০২ সালের পর আর বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে তোলা হয়নি পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটানোর লক্ষ্য নিয়েই ২০২৬ বিশ্বকাপে শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নেমেছে কোচ কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।
তবে টুর্নামেন্টের শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি ব্রাজিলের। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে পয়েন্ট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছে সেলেসাওরা। তাই দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না দলটি।
পরিসংখ্যান বলছে, হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের রেকর্ড একেবারেই একতরফা। দুই দলের এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং প্রতিবারই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ব্রাজিল। শুধু জয়ই নয়, প্রতিটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লাতিন আমেরিকার পরাশক্তিরা।
দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৭৪ সালে একটি প্রীতি ম্যাচে। সেই ম্যাচে ব্রাজিল ৪-০ গোলের স্বচ্ছন্দ জয় তুলে নেয়। ম্যাচটিতে গোল করেছিলেন কিংবদন্তি মিডফিল্ডার রিভেলিনো।
এর প্রায় তিন দশক পর ২০০৪ সালে আবার মুখোমুখি হয় দুই দল। এবারও প্রীতি ম্যাচে শক্তির পার্থক্য স্পষ্ট করে দেয় ব্রাজিল। ৬-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পাওয়া সেই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন রোনালদিনহো।
তবে হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের সবচেয়ে স্মরণীয় জয়টি আসে ২০১৬ সালে। কোপা আমেরিকা ২০১৬-তে আমন্ত্রিত দল হিসেবে অংশ নেওয়া হাইতিকে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছিল ব্রাজিল। ওই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ফিলিপে কৌতিনহো এবং জোড়া গোল করেছিলেন রেনাতো আগুস্তো।
মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস, খেলোয়াড়দের মান এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় আসন্ন ম্যাচে ব্রাজিলকেই এগিয়ে রাখছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। তবে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে কোনো দলকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। অতীতে বহুবারই দেখা গেছে, তুলনামূলক দুর্বল দলও শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে চমকে দিয়েছে।
তাই কাগজে-কলমে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে হাইতি কতটা প্রতিরোধ গড়তে পারে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।
