

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে মাত্র ৭৬ রানে গুটিয়ে গিয়ে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের স্বাদ পেয়েছে তারা।
মঙ্গলবার রাতে ট্রেন্ট ব্রিজে প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড ২০১ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। জবাবে ভারতের ইনিংস থামে মাত্র ১১.৪ ওভারেই। ১২৫ রানের বিশাল জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
টসে জিতে প্রথমে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ইংলিশ ব্যাটাররা। ওপেনিং জুটিতে ফিল সল্ট ও জস বাটলার দ্রুত রান তুলে বড় সংগ্রহের ভিত তৈরি করেন। তবে ২১ বলে ৩৬ রান করে দলীয় ৪৩ রানে বিদায় নেন বাটলার।
পাওয়ারপ্লের ছয় ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৪৯ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। এরপর এক প্রান্তে ঝড়ো ব্যাটিং চালিয়ে যান ফিল সল্ট। ৪৪ বলে ৭০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে তিনি ফেরেন দলীয় ১৫৮ রানে।
সল্টের বিদায়ের পর ইংল্যান্ডের রান তোলার দায়িত্ব নেন স্যাম কারান। ২৪ বলে ৪১ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া জস বাটলার ছাড়া হ্যারি ব্রুক ১৬, জ্যাকব বেথেল ১৩ এবং উইল জ্যাকস ১৪ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় ইংল্যান্ড।
ভারতের হয়ে হার্শিত রানা ও প্রিন্স যাদব দুটি করে উইকেট নেন। অক্ষর প্যাটেল শিকার করেন একটি উইকেট।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ভারত। ওপেনিং জুটি অভিষেক শর্মা ও বৈভব সূর্যবংশী ২৩ রান যোগ করলেও এরপর শুরু হয় ধস। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত।
অভিষেক ১০ ও সূর্যবংশী ১৩ রান করেন। এরপর ঈশান কিষাণ, শ্রেয়াস আইয়ার ও অক্ষর প্যাটেলও দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। অধিনায়ক আইয়ার করেন মাত্র ৫ রান।
পাওয়ারপ্লের পরও ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয় কাটেনি। তিলক ভার্মা, শিভাম দুবে, আর্শদ্বীপ সিং, হার্শিত রানা ও বরুণ চক্রবর্তী কেউই ইংলিশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। ১১.৪ ওভারেই মাত্র ৭৬ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস।
ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে দুই ব্যাটারের ব্যাট থেকে—দুজনেই করেন ১৩ রান। দলের চার ব্যাটার ছাড়া কেউ দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পারেননি।
ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণে নেতৃত্ব দেন জশ টাং। ৪ উইকেট নিয়ে ভারতের ব্যাটিং ধসের অন্যতম নায়ক তিনি। জফরা আর্চার নেন ৩ উইকেট, আদিল রশিদ ২টি এবং উইল জ্যাকস একটি উইকেট শিকার করেন।
