

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দেশে বর্তমানে চারটি মোবাইল অপারেটরের নিবন্ধিত ও বৈধ সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। একই সঙ্গে ফাইভজি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, ডাক বিভাগের আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোক্তাদের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে চারটি মোবাইল অপারেটর সেবা দিচ্ছে। এগুলো হলো টেলিটক, গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংক। এসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধিত সক্রিয় সিমের সংখ্যা মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৮২ লাখ।
ডাক বিভাগের সেবা সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করতে নতুন পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস এবং পোস্ট পিকআপ পয়েন্ট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সম্ভাব্য স্থান নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে।
ই-কমার্স খাতের বিকাশে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বাছাই, পরিবহন ও গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
স্টার্টআপ খাতে সরকারি বিনিয়োগের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সরকারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’-এর মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ প্রাথমিকভাবে বিনিয়োগ অনুমোদন পেয়েছিল। তবে বিভিন্ন শর্ত ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় মতভেদের কারণে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।
বিনিয়োগ পাওয়া উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে চালডাল, টেন মিনিট স্কুল, সেবা এবং ট্যুর বুকিং বাংলাদেশ।
অন্যদিকে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে ফাইভজি প্রযুক্তির বিস্তারেও কাজ করছে সরকার। মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে সীমিত পরিসরে ফাইভজি সেবা চালু রয়েছে। রাজধানীর বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেটসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে চার শতাধিক পয়েন্টে পরীক্ষামূলক বা সীমিত আকারে এ সেবা দেওয়া হচ্ছে।
