

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জে ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে ফাঁসির আসামিদের ‘কনডেম সেলে’ রাখা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘সোহেলকে কেরাণীগঞ্জে ও স্বপ্নাকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে ফাঁসির আসামিদের সাথে সেলে রাখা হয়েছে।
ফাঁসির অন্যান্য আসামিরা যেভাবে থাকেন, তাদেরও একইভাবে রাখা হয়েছে।
কারাগারে অন্য কয়েদিদের মাঝে এ আসামিদের রাখলে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে কারা অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘কারাগার নিরাপদ জায়গা। আসামিদের নিরাপদে রাখা আমাদের দায়িত্ব। সবসময় নিরাপত্তা কর্মী থাকে।
কেউ যদি অন্য কয়েদির প্রতি বিরূপ আচরণ বা মারামারি করে, তখন কারা কর্তৃপক্ষ থেকে পানিশমেন্ট সেলে নেওয়া হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফাঁসির আসামিদের সাধারণত একা রাখা হয় না। কারণ রায়ের পর তারা মনস্তাত্ত্বিকভাবে খারাপ থাকে। আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটাতে পারে। এজন্য সবার সঙ্গে রাখা হয়। সাধারণত ফাঁসির একটি সেলের আয়তন বিবেচনায় ২ থেকে ৫ জনকে রাখা হয়।’
গত রোববার সবচেয়ে দ্রুত সময় ৬ কার্যদিবসে দেশের আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ে আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
