শুক্রবার
২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারাদেশে বন্ধ হলো মোটরসাইকেল চলাচল

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৯ এএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত থেকে সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে টানা ৭২ ঘণ্টা।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। ভোটের দিন ও আগের রাতে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানোর প্রস্তুতি হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে জরুরি সেবা ও গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষকদের যান চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না। পাশাপাশি চিকিৎসা, ওষুধ পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা ও সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহনও চলাচল করতে পারবে।

এ ছাড়া বিমানযাত্রার টিকিট বা সংশ্লিষ্ট কাগজ দেখাতে পারলে যাত্রী আনা নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচলের সুযোগ পাবে। দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন ও দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে চলাচলকারী যানবাহনও ছাড়ের আওতায় থাকবে।

নির্বাচনী কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রার্থীদের জন্যও সীমিত আকারে যানবাহন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁর নির্বাচনী এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট যানবাহন চলাচলের অনুমতি থাকবে।

তবে সে ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহৃত যানবাহন নির্বাচন কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে।

টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনায় রেখে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনও নিষেধাজ্ঞামুক্ত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী বিধিনিষেধ শিথিলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে বিধিনিষেধ আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মহানগর পুলিশ কমিশনারদের দেওয়া হয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন