

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ৭ দফা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কঠোর আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।
সংগঠনটির নেতারা জানিয়েছেন, আগামী ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সারা দেশে সরকারি দপ্তরগুলোর সামনে অবস্থান, বিক্ষোভ ও ২ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করা হবে।
দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হলে ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ পর্যন্ত ‘ভুখা মিছিল’ ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে।
গত ৩০ জানুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে ৩৫টিরও বেশি সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, গত সাত বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন এবং ৫ ডিসেম্বরের বিশাল মহাসমাবেশ সত্ত্বেও সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ২১ জানুয়ারি কমিশন রিপোর্ট জমা দেওয়া হলেও গেজেট প্রকাশ না করে কমিটি গঠন করে সময় নষ্ট করা হচ্ছে।
জ্বালানি উপদেষ্টার ‘অন্তর্বর্তী সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না’ মন্তব্যে কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং হতাশা ব্যাপক হয়েছে।
সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, বাজার মূল্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অবিলম্বে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১,৪০,০০০ টাকা নির্ধারণ করে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
এছাড়া ২০১৫ সালের পে-স্কেল থেকে হরণকৃত ৩টি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বেতন জ্যেষ্ঠতা রক্ষা এবং গ্রাচুইটির হার ১০০ শতাংশ করার দাবি জানানো হয়।
অন্য দাবি হলো- স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পেনশনের ব্যবস্থা করা, ব্লক পোস্টে কর্মরতদের প্রতি ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান, সচিবালয়ের সব দপ্তরে অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন ও রেশন পদ্ধতি চালু, উন্নয়ন প্রকল্পের চাকরিকাল গণনার বৈষম্য দূরীকরণ।
সমাবেশে সংগঠনের সমন্বয়ক মো. মাহমুদুল হাসান স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন। সরকারের প্রতি কর্মচারীরা তাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন

