

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) আগের অর্থবছরের তুলনায় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে দেশের পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) দেশভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানি বাজার থাকলেও সেখানে রপ্তানি ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ কমে ১৯ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। মোট রপ্তানিতে ইইউর অংশীদারিও ৫০ দশমিক ১০ শতাংশ থেকে কমে ৪৯ দশমিক ২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
ইইউর বড় বাজারগুলোর মধ্যে জার্মানিতে রপ্তানি ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ, ফ্রান্সে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ, ইতালিতে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং ডেনমার্কে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ কমেছে। তবে স্পেনে ৬ শতাংশ, নেদারল্যান্ডসে ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং পোল্যান্ডে ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কানাডায় ৩ দশমিক ২০ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
এদিকে নন-ট্র্যাডিশনাল বা অপ্রচলিত বাজারেও রপ্তানি কমেছে। এসব বাজারে রপ্তানি ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ৬ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া ও তুরস্কে রপ্তানি কমলেও ব্রাজিল, চীন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়ায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
পণ্যভিত্তিক হিসাবে নিট পোশাক রপ্তানি ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে ২০ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। আর ওভেন পোশাক রপ্তানি কমেছে শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ, যার পরিমাণ ১৮ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার।
যদিও জুন মাসে পোশাক রপ্তানিতে ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল, তবু পুরো অর্থবছরের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হয়নি। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউরোপের দুর্বল চাহিদা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় রপ্তানিতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।