

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর এক দিন। এরই মধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে বইছে নির্বাচনী আমেজে বেড়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফসলের মাঠ সর্বত্রই এখন ভোটের আলোচনা। প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন জোর প্রচারণায়। সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ আর নানা প্রতিশ্রুতিতে মুখর পুরো জেলা। তবে ভোটকে ঘিরে প্রত্যাশার পাশাপাশি নানান শঙ্কা রয়েছে ভোটারদের মাঝে।
ভোটাররা বলেন, বিগত সময়ে ভোটকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বহু। এবং ভোট কারচুপি, কেন্দ্র দখল সহ নানান সহিংসতা হয়েছে। আমরা আর তার পুনরাবৃত্তি চাই না। ভোট হোক আনন্দের, উৎসবমুখর। প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এবার ঠাকুরগাঁও জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২০ জন প্রার্থী। জেলায় মোট ভোটার প্রায় ১২ লক্ষাধিক। এবার ৪১৭টি ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ২০১টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রকে হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে-ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে ১৮৫টির মধ্যে ৯২টি, ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর ও রাণীশংকৈলের একাংশ) আসনে ১০৪টির মধ্যে ৪৬টি, ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল) আসনে ১২৮টির মধ্যে ৬৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
তবে এরইমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো নির্বাচন উপযোগী করা ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সাতে সেনাবাহিনী বিজিবি ও র্যাব এর টহল জোরদার থাকবে প্রতিটি কেন্দ্রের দূরত্ব থাকবে ১০ মিনিটের।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা জানানা, এই নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক ও তৎপর থাকবে। সকলের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশাবাদী।
মন্তব্য করুন