

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী তাদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এতে ভবিষ্যৎ সংঘাতে মার্কিন সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী মূলত আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম) এর মজুত প্রায় শেষ করে ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট দুই সূত্রের দাবি, এসব অস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইরান যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখন কত সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তা প্রকাশ করেনি সূত্রগুলো।
দূরপাল্লার এসব ক্ষেপণাস্ত্র নিরাপদ দূরত্ব থেকে নির্ভুল হামলা চালানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অভ্যন্তরে লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা এটিএসিএমএস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড (সেন্টকম) তাদের স্থলভিত্তিক দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় শেষ করেছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক মজুত থেকে পুনরায় সরবরাহ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অভ্যন্তরে গত এক সপ্তাহ ধরে এসব অস্ত্রের মজুত নিয়ে আলোচনা চলছে। উদ্বেগ হচ্ছে, ইরানে হামলা অব্যাহত থাকলে অস্ত্রের মজুত এমন পর্যায়ে নেমে যেতে পারে, যা রাশিয়া বা চীনের মতো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জরুরি পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা সীমিত করতে পারে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি অস্ত্র রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রয়োজনের তুলনায়ও অনেক বেশি অস্ত্র রয়েছে।’
সূত্র: রয়টার্স