

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারত থেকে আমদানি করা ১১ হাজার ৫০০ টন চালের একটি চালান মানগত ত্রুটির অভিযোগে দেশটিতে ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। চালের একটি অংশ খালাসের পর পরীক্ষায় তা মানুষের খাওয়ার অনুপযোগী বলে জানানো হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় আসা চালের চালানটি গত ২১ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। পরদিন নমুনা পরীক্ষা করে চালটিকে ‘মানুষের খাওয়ার উপযোগী’ ঘোষণা করা হয়।
এরপর ২৩ ও ২৪ জুলাই প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টন চাল খালাস করে তেজগাঁও, হালিশহর, দেওয়ানহাট ও জয়দেবপুরের সরকারি গুদামে পাঠানো হয়। কিন্তু ২৫ জুলাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, চালের মান নিম্নমানের এবং তা মানুষের খাদ্য হিসেবে উপযুক্ত নয়। বিষয়টি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানানো হয়।
তবে জাহাজের শিপিং এজেন্ট চালের মান খারাপ হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, চালের রং ‘সামান্য লালচে’ হলেও তা নিম্নমানের নয়।
ভারতীয় ব্যবসায়ীদের একজন বলেন, বাংলাদেশে তারা দীর্ঘদিন ধরে চাল সরবরাহ করছেন। তার ভাষ্য, গত বছর পাকিস্তান থেকে বেশি দামে চাল আমদানি করে বাংলাদেশ আবার ভারতের কাছেই ফিরেছিল। এখন অযথা জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে।
আরেক ব্যবসায়ী দাবি করেন, চালানটির মাত্র সাড়ে ৩ হাজার টন খালাস করা হয়েছে। বাকি চাল খালাসের অনুমতি না দিয়ে পুরো চালানই ভারতে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
২০২৫ সালে বৈশ্বিক দরপত্রের মাধ্যমে এই জি-টু-জি চুক্তি হয়। এক ভারতীয় রপ্তানিকারক চাল সংগ্রহ করে সরবরাহ করেছিলেন।
ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে ১৩ লাখ ৬০ হাজার টন চাল রপ্তানি করা হয়, যার মূল্য ছিল প্রায় ৫৪ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ৮ লাখ ৯ হাজার টন চাল।
সূত্র: দ্য হিন্দু