

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারতের ফরিদাবাদে একটি স্কুলে প্রকাশ্য দিবালোকে এক শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২১ বছর বয়সী অমিত নামে এক যুবককে ঘটনার দুই ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, হামলাকারী প্রথমে শিক্ষিকাকে মেঝেতে ফেলে দেন। এরপর তিনি তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করতে থাকেন। চিৎকার শুনে স্কুলের এক কর্মকর্তা ছুটে এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারী তাকেও ছুরি নিয়ে তেড়ে আসে।
পরে হামলাকারী আবার মাটিতে পড়ে থাকা শিক্ষিকার কাছে ফিরে গিয়ে তার পেট ও মুখে প্রায় ৩৪ বার ছুরিকাঘাত করে। এরপর নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ওই কর্মকর্তা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিজের তিনি করিডোর থেকে চিৎকার শুনে বাইরে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, এক ব্যক্তি মাটিতে পড়ে থাকা শিক্ষিকাকে বারবার ছুরিকাঘাত করছেন। তিনি বাধা দিতে গেলে হামলাকারী তার দিকেও ছুরি নিয়ে এগিয়ে আসে। আত্মরক্ষার জন্য কিছু খুঁজতে গিয়ে ফিরে এসে দেখেন হামলাকারী পালিয়ে গেছে।
পরে আহত শিক্ষিকাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিক্ষিকার নাম সন্ধ্যা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে অভিযুক্ত অমিতের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে অমিত তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সন্ধ্যা তাতে সাড়া দেননি। এরপর অমিত দীর্ঘদিন ধরে তাকে অনুসরণ ও উত্ত্যক্ত করে।
এতে অতিষ্ঠ হয়ে কয়েক দিন আগে অমিতের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করেন সন্ধ্যা। সে সময় অভিযুক্ত প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিল।
পুলিশের ধারণা, ওই মামলার প্রতিশোধ নিতেই অমিত এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি