রবিবার
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যাচ্ছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার (০৭ আগস্ট) মক্কায় এই চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে চুক্তিতে তিন দেশের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি কী থাকবে বা এটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানা যায়নি।

বিষয়টি সম্পর্কে দুটি আঞ্চলিক সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবারই চুক্তি স্বাক্ষর হবে। পরে তুরস্কের এক কর্মকর্তাও এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে আরেকটি সূত্র বলেছে, ওই দিনই চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সেনাপ্রধান অসিম মুনিরকে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার জেদ্দায় পৌঁছান। সেখানে তারা মক্কায় ওমরাহ পালন করেন। শুক্রবার জেদ্দায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের। সফরকালে তারা সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

জানা গেছে, প্রায় এক বছর ধরে এ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছিল। সে সময় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছিলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে একটি বিস্তৃত নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার পক্ষে আঙ্কারা।

এর আগে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এক দেশের ওপর হামলাকে অন্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার বিধান রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সব ধরনের সামরিক সক্ষমতা ব্যবহারের কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে বাস্তবে পাকিস্তান ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে সরাসরি না জড়িয়ে কূটনৈতিক মধ্যস্থতার পথই অনুসরণ করেছে।

এ বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সৌদি সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, এই সফরের লক্ষ্য দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা। অন্যদিকে সৌদি সরকারও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

সূত্র: রয়টার্স

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank