

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা।
মঙ্গলবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস। সংগঠনটি জানিয়েছে, এদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ: ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ: ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা, সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণ: ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা, এক ভরি স্বর্ণের ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।
পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। এ ছাড়া নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার বিনিময় বা কেনাবেচার ক্ষেত্রে আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে সর্বশেষ ২২ আগস্ট স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সেবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তখন ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা।
সেই সময় ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা।
অর্থাৎ চার দিনের ব্যবধানেই আবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাজুস।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৫ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫১ দফায় কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
এর আগের বছর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওই বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো হলেও ২৯ বার কমানো হয়েছিল।


