মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সপরিবারে শিক্ষক হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেল ডিবি

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম
নিহত রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী আগামী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী
expand
নিহত রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী আগামী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ ৪ জনকে হত্যার ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে।

এর আগে তদন্তের দায়িত্বে ছিলো মহানগর কোতয়ালী থানা পুলিশ। অধিকতর স্বচ্ছ তদন্ত ও দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার জন্যই এই তদন্ত সংস্থা বদল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জী মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের ওসি জিনাত আলীর কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত ও নথিপত্র হস্তান্তর করেন। পরে বিকেলে এই দুই কর্মকর্তাই ঘটনাস্থল মাছুয়াপাড়ায় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলের বাড়ি পরিদর্শন করেন এবং প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলের বিষয়ে ব্রিফ করেন নতুন তদন্ত কর্মকর্তাকে।

এ বিষয়ে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, আমাদের কমিশনার স্যার ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের যেটা বলেছেন, দেশবাসীকে যেটা জানিয়েছেন, একই ঘটনা দুই অভিযুক্ত ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে দিয়েছে। তবে তারা কিছু কিছু ক্ষেত্রে যুক্তও করেছে, যেটা আমাদেরকে বলেনি।

তিনি আরও বলেন, এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এখন গোয়েন্দা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক জিন্নাত আলী। আরো অধিকতর তদন্ত করার জন্যই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হযেছে।

উল্লেখ্য, রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়িতে শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫২), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও স্কুলছাত্র ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় একই এলাকার মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামে দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তারা হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় আদালতে। মাদকসেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন