

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে সাত বছর পর ভারতে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে অনুষ্ঠিত হবে এবারের সম্মেলন। তার সফরকে ঘিরে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে আয়োজকরা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজক কমিটির সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শি জিনপিংয়ের সফর সামনে রেখে চীনা কর্মকর্তারা হোটেল নির্ধারণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছেন।
এর আগে ২০১৯ সালে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লি সফর করেছিলেন শি। সে সময় প্রায় ২০০ কর্মকর্তার একটি দল তার সফরসঙ্গী ছিল। এবার তার সঙ্গে প্রায় ৪০০ কর্মকর্তার একটি বড় প্রতিনিধিদল ভারতে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
তবে এবারের সফরের তাৎপর্য শুধু ব্রিকস সম্মেলনেই সীমাবদ্ধ নয়। ভারত ও চীনের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কয়েক বছর পর শির এই সফরকে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
২০১৯ সালের সফরের পর ২০২০ সালের জুনে লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীনের সেনাদের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের অবনতি ঘটে। সীমান্তে উত্তেজনার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগেও তার প্রভাব পড়ে।
পরিস্থিতির পরিবর্তনের ইঙ্গিত অবশ্য গত বছর থেকেই পাওয়া যাচ্ছিল। দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেইজিং সফর করেন। এর আগে সর্বশেষ ২০১৮ সালে চীন সফর করেছিলেন তিনি।
মোদির বেইজিং সফরের পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়তে শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার শি জিনপিংয়ের ভারত সফরকে নয়াদিল্লি-বেইজিং সম্পর্কের নতুন পর্যায়ের সম্ভাব্য ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্রিকস সম্মেলন তাই শুধু অর্থনৈতিক জোটটির বৈঠক নয়, ভারত ও চীনের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি হওয়া কূটনৈতিক উষ্ণতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হতে পারে।


