

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বুলগেরিয়ার অস্ত্র নির্মাণ ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইএমসিও’-র একটি অস্ত্রের গুদামে বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নাশকতা কিংবা গত আগস্টে একই প্রতিষ্ঠানের অন্য একটি স্থাপনায় লাগা আগুনের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। খবর রয়টার্সের।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, সারেভা লিভাদা গ্রামের কাছে অগ্নিকাণ্ডের ফলে রাতের আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই পশ্চিম বুলগেরিয়ায় ইএমসিও-র অন্য একটি অস্ত্র ডিপোতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান দেমারদেজিয়েভ সাংবাদিকদের জানান, ‘এর পেছনে কোনও ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা বের করতে আমরা ইএমসিও এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের গুদামে ঘটে যাওয়া আগের অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো নতুন করে পর্যালোচনা করব। এ ক্ষেত্রে আমরা কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দিচ্ছি না।’
ইএমসিও প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বুলগেরীয় অস্ত্র ব্যবসায়ী এমিলিয়ান গেবরেভ। বুলগেরিয়ার প্রসিকিউটরদের দাবি, অতীতে রুশ গোয়েন্দা বা এজেন্টদের একাধিক হামলার শিকার হয়েছে গেবরেভের অস্ত্র কারখানা ও গুদামগুলো।
২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ইউক্রেন ও জর্জিয়ায় রপ্তানির জন্য সংরক্ষিত অস্ত্র ডিপো ধ্বংসের অভিযোগে ২০২৪ সালে বুলগেরিয়া ছয় রুশ নাগরিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। তৎকালীন প্রসিকিউটররা জানান, বুলগেরিয়ার এসব বিস্ফোরণ, ২০১৫ সালে গেবরেভকে বিষপ্রয়োগের চেষ্টা এবং ২০১৪ সালে চেক প্রজাতন্ত্রে অস্ত্র ডিপোতে বিস্ফোরণের পেছনে রাশিয়ার যোগসাজশ রয়েছে বলে যে সন্দেহ করা হচ্ছে, এর পেছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
ইএমসিও-র উৎপাদন সুবিধা বিভাগের প্রধান স্লাভচো দিমিভ শনিবার অস্ত্র গুদামে আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ জাতীয় স্পর্শকাতর স্থাপনাগুলোর সুরক্ষায় আরও বাড়তি নিরাপত্তা দেয়া প্রয়োজন।



