

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) পরীক্ষামূলক ওষুধ, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা এবং টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নজিরবিহীন গতিতে এগিয়ে নিচ্ছে।
কঙ্গো সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মে প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর থেকে বিরল বান্ডিবুগিও ধরনের ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত তিন হাজার ৮০২ জনের মধ্যে এক হাজার ৭০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ১৭ হাজারের বেশি সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, যাদের প্রায় ৮০ শতাংশের নিয়মিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
বর্তমান প্রাদুর্ভাবটি এখন পর্যন্ত রেকর্ড হওয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম ইবোলা মহামারি এবং সবচেয়ে দ্রুত বিস্তার লাভকারী প্রাদুর্ভাব। অন্যান্য ধরনের ইবোলা ভাইরাসের বিপরীতে বান্ডিবুগিও ধরনের জন্য এখনো অনুমোদিত কোনো টিকা বা কার্যকর চিকিৎসা নেই।
জেনেভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডব্লিউএইচওর গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) ব্লুপ্রিন্ট কর্মসূচির ভারপ্রাপ্ত প্রধান ভাসি মূর্তি বলেন, আগাম কয়েক বছরের প্রস্তুতির কারণে আগের যেকোনো ইবোলা প্রাদুর্ভাবের তুলনায় এবার অনেক দ্রুত পরীক্ষামূলক চিকিৎসা ও টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আগের প্রাদুর্ভাবগুলোর তুলনায় আমরা অনেক দ্রুত ট্রায়াল শুরু করতে পেরেছি। প্রাক-ক্লিনিক্যাল পর্যায়ের ফলাফল আশাব্যঞ্জক হলেও ওষুধ ও টিকার কার্যকারিতা নিশ্চিত হবে কেবল ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাধ্যমেই।’
সূত্র: আল জাজিরা