

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির ২০ বিলিয়ন ডলারের বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়ে ভুল স্বীকার করেছে ফিফা। একইসঙ্গে ফিফা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভবিষ্যতে তাদের সুনাম, সুশাসন ও অখণ্ডতার ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ আর সহ্য করা হবে না।
ফিফা তাদের ব্যর্থ ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ প্রকল্প নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভুল স্বীকার করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বার্থের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল, যার সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বুধবার (০৫ আগস্ট) মরক্কোর রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, ফিফা কাউন্সিল এবং সদস্য দেশগুলোর ফুটবল সংস্থাগুলোকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। তবে তারা স্বীকার করেছে, পুরো বিষয়টি ভিন্নভাবে পরিচালনা করা উচিত ছিল এবং প্রস্তাবটি গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পরও কিছু ভুল হয়েছে।
এ বিষয়ে ফিফা কাউন্সিল ও সদস্য সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো পৃথক এক চিঠিতে সংস্থাটি এসব ভুলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি যাতে আর না ঘটে, সে জন্য পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে পরবর্তী ফিফা কাউন্সিল সভায় একটি প্রতিবেদন উপস্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ফিফা আরও জানিয়েছে, প্রকল্পটি প্রত্যাহারের পর সিদ্ধান্ত হয়েছে যে সংস্থার সুনাম, সুশাসন এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের আক্রমণ সহ্য করা হবে না। প্রয়োজন হলে ফিফার নাম ও সুনাম রক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই অভিজ্ঞতা থেকে শেখার অনেক কিছু রয়েছে। ফিফা তাদের প্রক্রিয়া আরও উন্নত করতে কাজ চালিয়ে যাবে। যদিও কিছু ভুল হয়েছে, তবুও সব কার্যক্রম ফিফার বিদ্যমান বিধি ও নীতিমালার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।’
এ ছাড়া, সাম্প্রতিক বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজনের জন্য ফিফা প্রশাসনের কাজের প্রশংসাও করা হয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ একসঙ্গে কাজ করায় এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।
সবশেষে ফিফা জানায়, বিশ্বের ২১১টি সদস্য ফুটবল সংস্থা, মহাদেশীয় কনফেডারেশন এবং আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ফিফা ফরওয়ার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে কীভাবে আরও কার্যকর সহায়তা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।