বৃহস্পতিবার
০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমানবন্দরে কড়াকড়ি, ভিআইপি পরিচয়েও রেহাই নেই

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিআইপি (ভেরি ইমপর্ট্যান্ট পারসন) ও সিআইপি (কমার্শিয়ালি ইমপর্ট্যান্ট পারসন) ব্যক্তিসহ কোনো যাত্রীই নিরাপত্তা তল্লাশি ছাড়া বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে পারবেন না। ফলে এতদিন বিশেষ সুবিধা পাওয়া ভিআইপি-সিআইপিদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় এ নির্দেশনা দেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।

সভায় তিনি বলেন, বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি ভিআইপি, সিআইপি বা সাধারণ যাত্রী—সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। কোনো যাত্রীকে নিরাপত্তা তল্লাশি থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, এনসিএসসির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) আসন্ন নিরাপত্তা নিরীক্ষাকে সামনে রেখে সংস্থাটির সব নিরাপত্তা মানদণ্ড শতভাগ অনুসরণের নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর ভাষায়, এ নিরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আফরোজা খানম। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবার মান বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন ঠেকাতে সরকার অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপন করবে। তিনি জানান, প্রায় তিন বছর পর জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক হতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত স্ক্যানারসহ নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি বিমান চলাচল নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদারে একাধিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানো, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার, আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং সিস্টেম (ইউভিএসএস)-এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন