

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে প্রত্যাশিত জয় পায়নি ব্রাজিল। পিছিয়ে পড়ার পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে সমতায় ফিরলেও ১-১ ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে সেলেসাওদের। তবে এই ড্রয়ের পরও ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য রয়েছে আশার একটি বড় কারণ-১৯৯৪ বিশ্বকাপের ইতিহাস।
যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলও তাদের অভিযান শুরু করেছিল ড্র দিয়ে। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয় না পেলেও ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরে আসে দলটি। পরবর্তীতে পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলে সেলেসাওরা।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ সবসময়ই কঠিন হয়ে থাকে। নতুন পরিবেশ, বাড়তি চাপ এবং প্রত্যাশার ভার অনেক সময় বড় দলগুলোর পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে। ফলে উদ্বোধনী ম্যাচে পয়েন্ট হারানো মানেই শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাওয়া নয়।
ব্রাজিলের বর্তমান দলেও রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রতিভাবান ফুটবলারের সমন্বয়। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো, মারকুইনিওসদের পাশাপাশি ইনজুরি কাটিয়ে নেইমার ফিরলে দল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সমর্থকরা।
মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ভিনিসিয়ুসও স্বীকার করেছেন, ব্রাজিল তাদের সেরা ফুটবল খেলতে পারেনি। তবে ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
ইতিহাস বলছে, বিশ্বকাপ জয়ের পথে অনেক সময় শুরুটা নিখুঁত না হলেও শেষটা হতে পারে সোনালি। ১৯৯৪ সালের সেই স্মৃতিই এখন নতুন করে আশা জোগাচ্ছে ব্রাজিল সমর্থকদের। তাদের বিশ্বাস, প্রথম ম্যাচের ড্র হয়তো শেষ পর্যন্ত শিরোপা অভিযানে বড় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।
