

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রমজানে অফিসে থাকলেও ইবাদত ও রোজার মূল উদ্দেশ্যকে বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় অফিসের ব্যস্ততায় নামাজ, দোয়া বা কোরআন পড়া পিছিয়ে যায়।
তবে কিছু সহজ পরিকল্পনা ও সচেতনতা থাকলে কাজের ফাঁকেও ইবাদতের সময় বের করা সম্ভব।
১. সময়সূচি পরিকল্পনা করুন
দিনের শুরুতে অফিসে গিয়ে নিজের কাজের তালিকা তৈরি করুন। নামাজের সময় আগে থেকে লক্ষ্য করুন। উদাহরণস্বরূপ, জুম্মার নামাজ, জোহর ও আসর, মাগরিব ও এশা।
আরও পড়ুনঃ রমজানে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার ৫টি টিপস।
ব্রেক বা লাঞ্চ টাইমের সাথে নামাজ বা দোয়ার সময় সংযুক্ত করুন। হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি তার সময় ঠিক করে নামাজের জন্য, আল্লাহ তাকে সহজতা দান করবেন।” (তিরমিজি)
২. ইফতার ও সাহরির প্রস্তুতি অফিসেও সহজ করুন
ইফতার অফিসে নিয়ে আসতে পারেন, হালকা ও সহজপাচ্য খাবার রাখুন। ইফতার শুরু করার জন্য খেজুর ও পানি রাখলে শরীর দ্রুত শক্তি পায়।
৩. ছোট ছোট ইবাদত নিন
কাজের মাঝে ৫ মিনিটের ফাঁকে দোয়া ও মোনাজাত করুন। কম্পিউটার বা ডেস্কে বসে তাসবিহ ও পাঠ করা যেতে পারে। ছোট নামাজের জন্য এক বা দুই মিনিটেরও সময় যথেষ্ট।
আল্লাহ বলেছেন: “যে ব্যক্তি দূরের কাজের মাঝেও আমার উদ্দেশ্যে কিছু করে, আমি তার সঙ্গে আছি।” (সূরা বাকারাহ: ২৫৫)
আরও পড়ুনঃ চিনি ছাড়া শরবত বানানোর ৩টি স্বাস্থ্যকর রেসিপি।
৪. মুফিদ প্রযুক্তি ব্যবহার করুন
মোবাইল বা কম্পিউটারে নামাজের সময় ও দোয়ার জন্য রিমাইন্ডার রাখুন। কোরআনের অডিও শুনতে পারেন হেডফোনে।
৫. অফিসের সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করুন
যেসব সহকর্মী জানেন আপনি রোজা, তারা নামাজের জন্য ছোট ফাঁক দিতে সাহায্য করতে পারেন।
বৈঠক বা মিটিংয়ের আগে নামাজের জন্য ৫–১০ মিনিটের বিরতি নিন।
আরও পড়ুনঃ বয়স্কদের জন্য রমজানের বিশেষ ডায়েট চার্ট।
৬. স্বাস্থ্য ও সতর্কতা বজায় রাখুন
দিনের বেলায় পর্যাপ্ত পানি পান না করা যায়, তাই ইফতার ও সাহরিতে হাইড্রেটেড থাকার চেষ্টা করুন। হালকা খাবার খান, যাতে সারাদিন কর্মক্ষমতা বজায় থাকে।
অফিসে ব্যস্ততার মাঝেও ইবাদতের সময় বের করা সম্ভব। সময়সূচি ঠিক রাখা, ছোট ফাঁকে দোয়া, কোরআন পাঠ ও নামাজ, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন যে, ব্যস্ততার মাঝেও আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করা সম্ভব।
তাই রোজার সময় অফিসেও ধৈর্য, পরিকল্পনা ও সচেতনতার মাধ্যমে ইবাদতের সময় বের করুন।
মন্তব্য করুন

