

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মরক্কোর রক্ষণাত্মক ফুটবলের সামনে প্রথমার্ধের বড় একটা সময় চাপে ছিল ব্রাজিল। তবে পিছিয়ে পড়ার পরও ঘুরে দাঁড়িয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ইসমায়েল সাইবারির গোলে মরক্কো এগিয়ে গেলেও ভিনিসিয়ূস জুনিয়রের দুর্দান্ত এক গোল ব্রাজিলকে ম্যাচে ফিরিয়েছে। ফলে বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-এর এই লড়াইয়ে ১-১ সমতা নিয়েই বিরতিতে গেছে দুই দল।
নেইমারকে ছাড়া মাঠে নামা ব্রাজিল শুরু থেকেই নিজেদের ছন্দ খুঁজে পেতে হিমশিম খায়। অন্যদিকে মরক্কো ছোট ছোট পাসে আক্রমণ গড়ে তুলে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আফ্রিকার দলটি। ডান প্রান্ত থেকে দারুণ এক আক্রমণে বল পৌঁছে যায় বেনজামিন এল আইনুইয়ের কাছে। ব্রাজিলের ডি-বক্সে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শটও করেছিলেন তিনি। তবে শেষ মুহূর্তে গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস সামনে এসে দাঁড়ালে গোলের সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে যায়।
শুরুর ধাক্কা সামলে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরতে থাকে ব্রাজিল। এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোলের ভালো সুযোগও তৈরি হয়েছিল। সতীর্থের পাসে ইগর থিয়াগো মরক্কোর গোলমুখে বিপজ্জনক অবস্থানে বল পেলেও সঠিক সংযোগ করতে ব্যর্থ হন।
এরপর ২১তম মিনিটে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। ব্রাহিম দিয়াজের চমৎকার পাস থেকে সুযোগ কাজে লাগিয়ে মরক্কোকে এগিয়ে দেন ইসমায়েল সাইবারি।
গোলে পিছিয়ে পড়ার পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় ব্রাজিল। ফলও পেয়ে যায় সেলেসাওরা। ৩২তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢোকেন ভিনিসিয়ূস জুনিয়র। এরপর ডান পায়ের জোরালো শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। মরক্কোর গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না সেই শট ঠেকানোর।
ভিনিসিয়ূসের এই গোলের পর ম্যাচে আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় ব্রাজিল। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে দুই দলই আরও কিছু আক্রমণ চালালেও স্কোরলাইন আর বদলায়নি।
