

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মরক্কো তখন গোল দিয়েও আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। ব্রাজিলের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানের লিড নিরাপদ নয় তা খুব ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছিল আশরাফ হাকিমিরা।
এজন্য আক্রমণের ধার বাড়িয়ে ব্রাজিলকে চাপে রেখেছিল। কিন্তু উল্টো ফল পেতে হয় তাদের। ব্রাজিল দলের রিয়াল মাদ্রিদের সুপারস্টার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দুর্দান্ত এক গোল করে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান। সমীকরণ ১-১। এই সমকীরণেই শেষ পর্যন্ত হয় ম্যাচের ফয়সালা।
দলের পারফরম্যান্স নিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র নিজেও ছিলেন বেশ হতাশ।
মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের ভুলগুলো স্বীকার করে নিয়ে তিনি জানান, ‘আমার মনে হয় আমরা প্রথমার্ধে খুব বাজেভাবে শুরু করেছিলাম, যা পরিস্থিতিকে অনেক কঠিন করে তুলেছিল।
এর ফলে আমাদের গোল হজম করতে হয়েছে। প্রথম ম্যাচের পর ম্যাচে ছন্দে ফেরা সবসময়ই কঠিন, কিন্তু আমাদের উন্নতি করতে হবে এবং প্রতিনিয়ত বিকশিত হতে হবে। কারণ এটি বিশ্বকাপ, এখানে কোনো ম্যাচই সহজ হবে না।
ম্যাচসেরা হওয়া ভিনিসিয়ুস আরও বলেন, ‘আমাদের বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়াতে হবে, পজেশন ধরে রাখতে হবে এবং এপাশ-ওপাশ থেকে বল মুভ করতে হবে। কারণ অনেক সময় প্রতিপক্ষ রক্ষণে দাঁড়িয়ে থেকে কাউন্টার-অ্যাটাক করার চেষ্টা করে।
তবে এ নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নেই; আমাদের কেবল পরিশ্রম করে যেতে হবে কারণ পরের ম্যাচটি খুব কাছেই।’
বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন অগোছালো শুরু কি কেবলই প্রথম ম্যাচের জড়তা, নাকি বড় কোনো সংকটের ইঙ্গিত? আনচেলত্তির দলের সামনে এখন একটাই চ্যালেঞ্জ, পরের ম্যাচে নিজেদের সেরা ফর্মে ফিরে আসা।
