

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রতিবেশী এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার জেরে ভারতের উত্তরপ্রদেশে এক তরুণীকে থানার ভেতরেই ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত তরুণীর নাম শিবানি (১৯)। তিনি নিজের ইচ্ছায় প্রতিবেশী যুবক ললিত ভার্মার সঙ্গে ঘর ছেড়ে চলে যান এবং পরে দুজন বিয়ে করেন।
পরিবারের দাবি ছিল, মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। এ অভিযোগে তরুণীর বাবা-মা ললিতের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ নবদম্পতির অবস্থান শনাক্ত করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিবানি ও তার স্বামী জানান, তারা দুজনই স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছেন। নিজেদের বক্তব্যের সমর্থনে বিয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও দেখান তারা।
পরে শিবানির বাবা-মা থানায় উপস্থিত হয়ে মেয়েকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন বলে জানা যায়। তবে শিবানি স্বামীর সঙ্গেই থাকার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শিবানির মা তাকে ধরে রাখেন এবং তখন তার বাবা ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক আঘাত করেন। ঘটনাটি থানার ভেতরেই ঘটে।
ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় শিবানিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শিবানির বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জানতে তদন্ত চলছে। মায়ের ভূমিকা সম্পর্কেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
