

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১৭ বছরের নিরন্তর আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘১৭ বছরের নিরন্তর রক্তঝরানো সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিপুল শক্তি নিয়ে ছাত্র-জনতার বিস্ফোরণ ঘটে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে যে অভিনব প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের আবহ তৈরি করেছিল, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী ও কিশোর-কিশোরীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এক ভয়ংকর রক্তপিপাসু ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে।’
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ পতনের পর মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল বাক্-স্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, নাগরিক স্বাধীনতা এবং নির্ভয়ে চলাচলের নিশ্চয়তা। এসব অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষ করে বেগম খালেদা জিয়া এবং পরে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ১৭ বছর আন্দোলন চালিয়ে গেছে। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতার ওপর দাঁড়িয়েই ছাত্র-ছাত্রী, শ্রমিক ও সর্বস্তরের মানুষের অভূতপূর্ব গণজাগরণ সৃষ্টি হয়।
জুলাই গণঅত্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট। ওই দিন স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের অবসান হয়। তাই জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়কে একটি সংগ্রাম ও রক্তঝরানো গণঅভ্যুত্থানের সময় হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়টি সামনে এসেছে।
রিজভী জানান, গত বছর বিএনপি যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিল। এবারও দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি সরকারও নানা কর্মসূচি পালন করছে।
তিনি বলেন, কর্মসূচিগুলো আরও সুসংগঠিতভাবে পালনের লক্ষ্যে আগামী ৪ আগস্ট (মঙ্গলবার) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। সভায় সভাপতিত্ব করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বাসস