

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান স্বাস্থ্যগত কারণে কারাগার থেকে মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তবে দেশটির সরকার এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চলতি সপ্তাহে ইমরান খানের কারাবাসের তিন বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে দেশটির সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তিনি।
ইমরান খানকে সর্বশেষ অনলাইনে আদালতের শুনানির সময় ফাঁস হওয়া কয়েকটি ছবিতে দেখা গেছে।
তবে ইমরান খানের পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, তাকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে গোপনে আলোচনা হয়েছে। তবে বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় সম্ভাব্য আলোচনা সরাসরি নয়, তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় পরিচালিত হয়েছে।
৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদের চলতি বছরের শুরুতে চোখের অস্ত্রোপচার হয়েছে। তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। তাই ইমরান খানের মুক্তির সম্ভাব্য একটি পথ হতে পারে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তাকে কারাগার থেকে বের করে আনা।
কয়েক মাস আগে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হলে এমন গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে যে তিনি মারা গেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য অবজারভারকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইমরান খানের দুই ছেলে সুলেমান ও কাসিম বলেন, আমাদের বাবা সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে বাইরের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন। দীর্ঘ কারাবাসে তার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। নিয়মিত ও স্বাধীনভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ থেকেও আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে।
ইমরান খানের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ জুলফি বুখারি বলেন, ইমরান খানের স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে এবং তার জরুরি ভিত্তিতে যথাযথ চিকিৎসা প্রয়োজন। তাকে একাকী রাখা হয়েছে এবং তার বোন, পরিবারের সদস্য এমনকি আইনজীবীদের সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, সরকারের যদি কোনো দায়িত্ববোধ থাকে, তাহলে তাদের উচিত চিকিৎসার কারণে ইমরান খানকে মুক্তি দেওয়া।
সূত্র: দ্য অবজারভার