

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আগের পরিকল্পনায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। দুই ধাপে পে স্কেল কার্যকর করার পরিবর্তে একবারেই নতুন বেতন কাঠামো চালুর বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, শুরুতে ধাপে ধাপে বেতন সমন্বয়ের পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় কয়েকটি জটিলতা সামনে এসেছে। বিশেষ করে অনলাইন বেতন ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার (আইবাস) ব্যবস্থায় দুই দফায় বেতন সমন্বয়, অতিরিক্ত প্রশাসনিক ব্যয় এবং চাকরিজীবীদের মধ্যে বৈষম্য বা অসন্তোষের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে এককালীন বাস্তবায়নের বিকল্পটি এখন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
এ বিষয়ে সোমবার (০৬ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ, সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সময়সূচি এবং বিভিন্ন ক্যাডার ও গ্রেডের কর্মীদের মধ্যে বেতন কাঠামোর ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা হবে।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, কমিশনের প্রস্তাব হুবহু গ্রহণের পরিবর্তে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা পুনর্বিন্যাস করা হতে পারে।
আজকের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের সম্ভাব্য সময়, বাস্তবায়নের পদ্ধতি এবং পরবর্তী করণীয় বিষয়ে নীতিগত দিকনির্দেশনা আসতে পারে। আলোচনায় মূল বেতন ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার বিষয়টিও স্থান পেতে পারে।
অন্যদিকে, বিভিন্ন ভাতা নতুন পে স্কেলের সঙ্গে একযোগে যুক্ত না হয়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা, ভাতা কাঠামোর পূর্ণাঙ্গ সমন্বয় ২০২৭-২৮ অর্থবছর পর্যন্ত গড়াতে পারে।
যদিও সরকার এখনো নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি, তবু দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে অপেক্ষায় থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, আর্থিক সক্ষমতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা বিবেচনায় একটি টেকসই ও কার্যকর বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করা।
